এই পোস্টটি 193 বার দেখা হয়েছে
সম্প্রতি পর্বতশৃঙ্গ মাউন্ট কিলিমানজারোতে হয়ে গেল এক অভূতপূর্ব হরিনাম কীর্তন উৎসব। এই উৎসবের নেতৃত্বে ছিলেন নয়জন ভ্রমণকারী যাদের নেতৃত্বে ছিলেন অখনদধী দাস ও শ্রুতিধর্ম দাস। গত ৭ অক্টোবর ঠিক সকাল ১০.৩০ মিনিটে যখন তারা মাউন্ট কিলোমানজারোর চুড়ায় আরোহন করেন তখন তারা সেখানে হরিনামের কীর্তন আসর বসালেন। পরে তারা সেখানে বসে হরিনাম জপ করলেন এবং আফ্রিকার ভক্তদের পারমার্থিক অগ্রগতির উদ্দেশ্যে ভগবানের কাছে প্রার্থনা জানালেন।
ভ্রমণ সম্পাদনের পূর্বে তারা তাদের মেডিক্যাল টেস্টসহ অন্যান্য প্রস্তুতি সম্পাদন করেন। ভ্রমণকালে তাদেরকে কখনো গভীর জঙ্গল, কখনো সমতল কিংবা কখনো মরুভূমির মধ্য দিয়ে যেতে হয়েছে। সর্বমোট ১৯ জন দলের মধ্যে সবাই সমুদ্র থেকে প্রায় ৫৬৮১ মিটার উচ্চতায় উঠতে সক্ষম হন। কিন্তু অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ পরিক্রমার তাদের মধ্যে ৯জন অভিযাত্রী সর্বশেষ প্রান্তে পৌছতে সক্ষম হন যার উচ্চতা প্রায় ৫৯৮৫ মিটার।
নিদ্রাহীন ও শ্বাসরুদ্ধকর ৩৬ ঘন্টার ভ্রমণ শেষে যখন অভিযাত্রী ভক্তগণ পর্বতশৃঙ্গের সর্বোচ্চ উচ্চতায় পৌঁছতে সক্ষম হন তখন তারা ভগবান শ্রীকৃষ্ণের স্তুতি প্রকাশ করেন এবং যাত্রা সফল হওয়ায় ভগবানের কৃপার প্রতি শ্রদ্ধা প্রদর্শন করেন। এরপর উচ্চস্বরে সমবেত হরিনাম সংকীর্তন অনুষ্ঠিত হয়। শাস্ত্রে বর্ণিত আছে যে, মুখং করোতি বাচালং পঙ্গুং লংঘয়তে গিরিং অর্থাৎ শ্রী গুরুদেবের কৃপায় পঙ্গু ব্যক্তিও গিরি পর্বতে আরোহন করতে পারেন। কেবলমাত্র শ্রীভগবান ও শ্রীগুরুদেবের কৃপায় যে কেউ সর্বসিদ্ধি লাভ করতে পারে।
হরে কৃষ্ণ।
মাসিক চৈতন্য সন্দেশ , ডিসেম্বর – ২০১০ ইং
