বিখ্যাত মডেলার থেকে কৃষ্ণভক্ত

প্রকাশ: ১৮ ডিসেম্বর ২০২৫ | ৪:১৬ পূর্বাহ্ণ আপডেট: ১৮ ডিসেম্বর ২০২৫ | ৪:১৬ পূর্বাহ্ণ

এই পোস্টটি 114 বার দেখা হয়েছে

বিখ্যাত মডেলার থেকে কৃষ্ণভক্ত

এক সময়ের ইউরোপের শীর্ষ ফ্যাশন ডিজাইনার বিকি ওবারটন। পৃথিবীর প্রায় বিখ্যাত সব ফ্যাশন ম্যাগাজিনের প্রচ্ছদে স্থান পাওয়া এই বিখ্যাত মডেলার সবাইকে অবাক করে যখন হরে কৃষ্ণ আন্দোলনে যোগ দেন তখন পুরো ইউরোপ জুড়েই আলোচনার ঝড় উঠে। বিকির এক দীর্ঘ সাক্ষাৎকার নেন ব্যাক টু গডহেড। যখন সাক্ষাৎকারটি নেয়া হয় তখন বিকির বয়স ৩৩। আর

দীক্ষিত হয়ে নাম হয় জয়শ্রী দেবী দাসী। নিম্নে BTG এর সেই সাক্ষাতকারের চুম্বক অংশ তুলে ধরা হল:
জয়শ্রী: প্রথমে আমি কৃতজ্ঞতা জানাই আমার পরমারাধ্য গুরুদেব শ্রীল ভগবান গোস্বামীকে। যার কৃপা ছাড়া আমার কোন অস্থিত্বই থাকত না।
BTG: জয়শ্রী, আপনি কিভাবে মডেলিং জীবনের সাথে জড়িত হয়েছিলেন?
জয়শ্রী: আমি ১৭ বছর বয়সে অকল্যান্ড বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হই এবং আমার প্রথম বছরটি কাটে আমেরিকায় লুসিয়ানার একটি স্কুলে স্কলারশীপের মাধ্যমে। আমি তখন একজন ফটোগ্রাফারের পরিবারের সাথে ছিলাম। তিনি আমার কিছু ছবি তুলে পাঠিয়ে দেন সেভেনটিন ম্যাগাজিনে। যেখানে তাদের একটি প্রতিযোগিতা চলছিল এবং সেই প্রতিযোগিতায় আমি জিতে যাই। এরপর আমি মিসিপ্পিতে যাই এবং একটি বড় পোশাক শিল্প প্রতিষ্ঠানের উপর একটি পূর্ণাঙ্গ বিজ্ঞাপন সিরিজ করি। যেগুলো নিউজিল্যান্ডের সংবাদপত্রগুলোতে ছাপানো হয় এবং এরপর ভোগ (vogue)’র একজন ফটোগ্রাফার আমাকে ফোন করে
এবং আমাকে মডেলিং করার জন্য প্রস্তাব দেয়। আমি তখন পড়াশুনার পাশাপাশি মডেলিংও শুরু করি। এভাবে প্রায় দু’বছর চলে যায়। তারপর অস্ট্রেলিয়ান ‘ভোগ’ মডেল এজেন্ট এলিন ফর্ডের সাথে চুক্তির মাধ্যমে বড় ধরনের সফলতা শুরু হয় এবং আমি এরপর নিউইয়র্কে চলে যাই।

BTG : সেখান থেকে কিভাবে আপনার ক্যারিয়ার গড়ে উঠে ?

জয়শ্রী : আমি নিউইয়র্কে ৬৯ থেকে ৭৩ পর্যন্ত ছিলাম এবং ঐসময়ই কিছু বিখ্যাত সব ম্যাগাজিনে (সেভেনটিন, ম্যাডেম ইসিলি, গ্ল্যামার, হার্পারস্ বাজার এবং ভোগ) মডেলিংয়ের কাভার করি। তারপর আমি ইউরোপে চলে যাই এবং সেখানে ম্যারি ক্লেয়ার, জর্ডিন ডি মোড, এলি ম্যাগাজিনে কাভার করে ছিলাম। আমি অনেক বিখ্যাত সব ম্যাগাজিনে কাজ করেছিলাম।

BTG: এই কৃষ্ণভাবনায় আপনার আগ্রহের পেছনে প্রথমে কি অনুপ্রাণিত করেছিল?

জয়শ্রী: আমি সবসময়ই কিছু না কিছু  পারমার্থিক জীবনপথের অনুসন্ধান করতাম। আমার মনে পড়ে, যখন আমার বয়স দশ বছর তখন আমি ভগবানের কাছে প্রতিজ্ঞা করেছিলাম যে, আমি একজন শিক্ষিকা এবং সন্ন্যাসিনী বা মঠবাসিনী হব। বিশ্ববিদ্যালয়ে থাকার সময়ই আমি ভগবান সম্পর্কে বিভিন্ন গ্রন্থ পড়তাম। আমি ১৯৬৯ সালে নিউইয়র্কে পৌছার পর সেখানের কয়েকটি স্কুলের প্রতি অগ্রহী হই। এস্টোরিক স্কুলগুলোতে তখন যোগ এবং দর্শন শেখানো হত।

BTG: আপনি কি সেসব যোগ ক্লাসগুলোতে অংশগ্রহণ করতেন?

জয়শ্রী: হ্যাঁ, আমি দু’বছর কুন্ডলিনী যোগ অনুশীলন করেছিলাম। আমি বৌদ্ধ ও জৈন ধর্ম সম্পর্কেও পড়াশোনা করেছিলাম। বিভিন্ন দর্শন এবং সাইকোলজিক্যাল দলের সঙ্গেও ছিলাম এবং মন নিয়ন্ত্রণ সহ আরো অনেক বিষয় অনুশীলন করি। কিন্তু সেগুলোতে আমি কখনোই সন্তুষ্ট হতে পারতাম না। সেখানে আমার আত্মার চাহিদার পরিপূর্ণ কোন কিছু পেতাম না।
তাই আমি ৭৩’এ ইউরোপে ফিরে আসি। ইউরোপে কয়েক বছর আমি এলোমেলো জীবন কাটালাম, যেটি ছিল পূর্ণ দুঃখদুর্দশাময়। যে পরিবারে গত সতের বছর ছিলাম সে পরিবারের অভিভাবক হঠাৎ খুব অসুস্থ হয়ে পড়েছিল। ডাক্তারও কোন ভাল আশ্বাস দিতে পারছিল না। এর মাঝে ঘটনাক্রমে লোকটির ছেলের সঙ্গে একদিন আমার গুরুদেব শ্রীল ভগবান গোস্বামীর সঙ্গে দেখা হয়।

BTG: ছেলেটির বয়স কত ছিল?

জয়শ্রী: প্রায় উনিশ। শ্রীল গুরুদেবের সাক্ষাৎ লাভের পর তিনি পরামর্শ দিলেন যেন আমি ও ছেলেটির বাবা তাকে দেখার জন্য যায়। কিন্তু ছেলেটির বাবা তাতে সম্মত হল না এবং আমিও তাতে দ্বিমত পোষণ করিনি। কারণ হচ্ছে, এখানে অনেক গুরু রয়েছে যাদের বেশীর ভাগই হল ভণ্ড। সেসময় হরেকৃষ্ণ আন্দোলনের সঙ্গে শ্রীল গুরুদেবের সম্পর্কিত থাকা প্রসঙ্গে আমার কোন ধারণাই ছিল না।

তবুও আমি তাকে দেখতে গেলাম এবং আমি উনাকে কিছু প্রশ্ন জিজ্ঞেস করলাম এবং তিনি সেগুলোর যথাযথ উত্তর দিলেন। আমার মনে হয়েছিল উনার উত্তরগুলো ছিল পরিপূর্ণ। আমার সব প্রশ্নের উত্তরগুলো এত সুন্দরভাবে পেলাম যে, আমার পূর্বের জানা দর্শনগুলোও যেন একে একে খণ্ডন হচ্ছিল। এসব উত্তরগুলিই আমি এত বছর খুঁজছিলাম। আমি তখন বুঝলাম যে, কৃষ্ণভাবনা ছিল আমার জন্য সারাজীবন ভগবানকে সেবা করার একটি পথ যেটি পূর্বে আমি কোথাও পাইনি। পূর্বের সমস্ত বিদ্যালয়গুলোতে শুধুমাত্র নিজের উন্নয়ন কিংবা তথাকথিত মানবসেবা ইত্যাদি বিষয়ে জোর আরোপ করত। কিন্তু তাদের মানব জীবনের প্রকৃত উদ্দেশ্য সম্পর্কে কোন ধারণাই ছিল না। কেন আমরা এ জগতে এসেছি? কেন এই জগতে কষ্ট পাচ্ছি? কোথা হতে আসলাম? কোথায় যাব? কি করা উচিত আমাদের? কিভাবে বাস্তবে ভগবানকে প্রেম ভক্তি দিয়ে সেবা করতে পারি এসব বিষয় তারা কখনো ব্যাখ্যা করেনি।
শ্রীল গুরুদেব আমাকে মন্দিরে প্রায়ই আসার পরামর্শ দিল এবং আমিও তা সানন্দে মেনে নিলাম। যখন আমি উনার রুম ছেড়ে যাচ্ছিলাম তখন মনে হচ্ছিল, ভগবানই আমাকে নিয়ে এসেছেন। কেননা আগের রাতে যীশুর কাছে কেঁদে কেঁদে প্রার্থনা করেছিলাম আমাকে একটি পথ দেখানোর জন্য। মনে হচ্ছিল ভগবান আমার প্রার্থনা শুনে আমাকে পরদিন সকালেই গুরুদেবের কাছে নিয়ে আসলেন। আমি সিদ্ধান্ত নিলাম আমি এই কৃষ্ণভাবনা একটু চেষ্টা করে দেখি। এরপর আমি নিয়মিত মন্দিরে যেতাম এবং আমাকে যেসব সেবা করতে বলা হতো আমি তার সবকিছুই করতাম এবং এর ফলাফল সম্পর্কে নিশ্চিত হয়েছিলাম।

BTG: ঐ মুহূর্ত থেকে আপনার জীবনে আর কি ঘটেছিল?

জয়শ্রী: আমি অনুভব করেছিলাম আমি সম্পূর্ণরূপে পরিবর্তিত হয়েছি। ধুমপান এবং মদ্যপানের মত কিছু খারাপ অভ্যাস ছিল আমার। দিনে আমি দেড় প্যাকেটের মত সিগারেট খেতাম। আশ্চর্য হলেও সত্য যে, গুরুদেবের কৃপায় মাত্র এক সপ্তাহের মধ্যেই আমি এই জঘন্য অভ্যাস ত্যাগ করেছিলাম।

BTG: সত্যিই?

জয়শ্রী: আসলে সত্যি কথা বলতে কি, গুরুদেবের সাথে সাক্ষাতের পূর্বে প্রতি রাতে আমি মাংস খেতাম। অবশ্য প্রাকৃতিক খাবারের প্রতি আমার আগ্রহ ছিল। কিন্তু সেসময় আমি যে নিরামিশাষী হব এ ধরনের কোন আগ্রহ ছিল না। কিন্তু যখন জানলাম, মাংসাহার একটি হিংস্র আচরণ তখন আমি তা পরিত্যাগ করেছিলাম। কৃষ্ণভাবনা অনুশীলন শুরুর পূর্বে এসমস্ত পাপ আচরণের কারণে নিজেকে নোংরা, কলুষিত মনে হত। সেগুলো যখন বন্ধ করলাম তখন হঠাৎ নিজের মধ্যে পরিবর্তন লক্ষ্য করলাম। আমি ধুমপান না করার জন্য অনেক বছর চেষ্টা করেছি। কিন্তু কোন কিছু ত্যাগ করা সম্ভব নয় যদি না, এর থেকে উন্নত স্বাদ পাওয়া যায়। আমি অনুভব করলাম, যখন থেকে হরেকৃষ্ণ মহামন্ত্র জপ এবং ভক্তিমূলক সেবা শুরু করি তখন আমি অন্যরকম এক নির্মল আনন্দ পেতে শুরু করি।

BTG: এরপর মডেলিংয়ের কি হয়েছিল? কিভাবে সেটি কৃষ্ণভাবনায় মানিয়ে গেল?

জয়শ্রী: আমার পেশা অনুসারে গুরুদেব পরামর্শ দিল মডেলিং চালিয়ে যাওয়ার জন্য কেননা সেটিও ভক্তিমূলক সেবা হবে। তিনি ব্যাখ্যা করছিলেন, সৌন্দর্য্য, খ্যাতি, সম্পদ ইত্যাদি সাধারণ উদ্দেশ্যে ব্যবহার না করে সেগুলোকে ভক্তিমূলক সেবায় ব্যবহার করার জন্য। সবকিছুই কৃষ্ণের জন্য ব্যবহার করা যেতে পারে। এবং আপনারা জানেন যে, হঠাৎ করেই আমার ক্যারিয়ার প্রস্ফুটিত হয়ে গেল। পূর্বের চেয়ে ভক্ত হওয়ার প্রথম বছরই আমি অনেক অর্থ আয় করেছিলাম। পারিপার্শ্বিক কারণে যদিও আমি মডেলিং-এ জড়িয়ে পড়েছিলাম কিন্তু আমার মন কখনো কৃত্রিম, বাহ্যিক তথাকথিত চাকচিক্যময় বিশ্বের লোকদের সঙ্গে মিশতে স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করেনি।

BTG: মডেলিং সাধারণত শিক্ষা দেয় যে, এটি গ্ল্যামারস্ ও উত্তেজকও। এ ব্যাপারে আপনার মন্তব্য জানতে চাই।

জয়শ্রী: হ্যাঁ, আসলে আমি সবসময়ই এটিকে বিরক্তিকর হিসেবে দেখতাম। কিন্তু তবুও সেটিকে ছাড়িনি, কেননা এটি সমগ্র বিশ্ব ভ্রমণের একটি সুযোগ ছিল। তারপরও কেন জানি আমার উপলব্ধি হত এখানে কোন সুখ নেই, যা আছে তা কৃত্রিম। যেসব লোকদের সাথে মিশতাম তাতে কখনোই সন্তুষ্টি পাইনি। অন্যদিকে বলতে গেলে, পাশ্চাত্যে মডেলিংয়ের একটা গ্রহণযোগ্যতা আছে বিদায় অনেক নামিদামী ব্যক্তিদের কাছে এ কৃষ্ণভাবনা প্রচার করারও একটি সুযোগ সৃষ্টি হল।

BTG: যখন আপনি ভক্ত হন, তখন আপনার বন্ধু-বান্ধবদের প্রতিক্রিয়া কেমন ছিল?

জয়শ্রী: শট নেয়ার মাঝে যখন সময় পেতাম তখন আমি জপ করতাম। তখন অন্যান্য মডেলরা আমার প্রতি আগ্রহ হয়ে দেখত এবং জিজ্ঞেস করত আমি কি করছি? যদিও আমি শুধু মডেলদের সাথে মিশতাম তা নয়। ইউরোপের অনেক প্রভাবশালী ধনী ব্যক্তি, বিশিষ্ট রাজনীতিবিদ, আর্টিস্টদের সাথেও আমার সুসম্পর্ক ছিল। এটি কৃষ্ণের কৃপা যে, আমি এসমস্ত ধনাঢ্য ব্যক্তিদের মাঝে কৃষ্ণের বাণী প্রচার করতে পারতাম।
তারা দেখত, আমি খুব খুশী ছিলাম এবং তাই তারা আমার প্রতি কৌতুহলী হত কেননা তারা নিজেরা খুব অসুখী ছিল। বিশেষত যে সমস্ত লোকদের জড় জাগতিক সবকিছুই পরিপূর্ণ ছিল তাদের বেশীরভাগই অসুখী ছিল। তাদের জীবন অর্থহীন এবং যার যত বেশি আছে তার আরও বেশি চাই ভাব ছিল। আমি দেখতাম, এ সমস্ত লোকরা ড্রাগন্স গ্রহণ করে এবং অবৈধ যৌন সঙ্গ করে। যেগুলো তাদের আরো অখুশী করে এবং পরিবার ভেঙ্গে যায়।
ভক্ত হওয়ার পূর্বে সবসময় অনুভব করতাম যে, সফলতা, ধন-প্রতিপত্তি, খ্যাতি ইত্যাদির মাধ্যমে সন্তুষ্টির মধ্যে ছিল একটি চির শূন্যতা। এটির কোন গভীরতা ছিল না। আমার প্রকৃত অনুসন্ধানের সাথে এর কোন সম্পর্ক নেই। প্রথমদিকে আমার নিউজিল্যান্ড ছাড়ার অনেকগুলো কারণের মধ্যে এটিও ছিল।

BTG: কিন্তু এখন আপনি নিউজিল্যান্ডে ফিরে এসেছেন কেন?

জয়শ্রী: ভক্ত হিসেবে কিছু সময় মডেল করার পর আমি মন্দিরে বসবাস করা ও সেখানে ভক্তিমূলক সেবা করার প্রয়োজনীয়তা অনুভব করলাম। শ্রীল গুরুদেব আমার অনুরোধে সম্মত হল তিনি আমাকে নিউজিল্যান্ডে পাঠিয়ে দেন। আমি কৃষ্ণভাবনার দর্শন খুব ভালভাবে জানতে চাই এবং তাই এখানে আবার ফিরে আসি এবং উদ্দেশ্য ছিল কৃষ্ণ ও গুরুদেবের কৃপায় যে সমস্ত ব্যক্তিদের আমি চিনি তাদের সবার কাছে এ কৃষ্ণভাবনা সত্যিকারভাবে প্রচার করা।

BTG: আমাদের সময় দেওয়ার জন্য ধন্যবাদ। হরে কৃষ্ণ।

মাসিক চৈতন্য সন্দেশ,  মে – ২০১১ইং

সম্পর্কিত পোস্ট

‘ চৈতন্য সন্দেশ’ হল ইস্‌কন বাংলাদেশের প্রথম ও সর্বাধিক পঠিত সংবাদপত্র। csbtg.org ‘ মাসিক চৈতন্য সন্দেশ’ এর ওয়েবসাইট।
আমাদের উদ্দেশ্য
■ সকল মানুষকে মোহ থেকে বাস্তবতা, জড় থেকে চিন্ময়তা, অনিত্য থেকে নিত্যতার পার্থক্য নির্ণয়ে সহায়তা করা।
■ জড়বাদের দোষগুলি উন্মুক্ত করা।
■ বৈদিক পদ্ধতিতে পারমার্থিক পথ নির্দেশ করা
■ বৈদিক সংস্কৃতির সংরক্ষণ ও প্রচার। শ্রীচৈতন্য মহাপ্রভুর নির্দেশ অনুসারে ভগবানের পবিত্র নাম কীর্তন করা ।
■ সকল জীবকে পরমেশ্বর ভগবান শ্রীকৃষ্ণের কথা স্মরণ করানো ও তাঁর সেবা করতে সহায়তা করা।
■ শ্রীচৈতন্য মহাপ্রভুর নির্দেশ অনুসারে ভগবানের পবিত্র নাম কীর্তন করা ।
■ সকল জীবকে পরমেশ্বর ভগবান শ্রীকৃষ্ণের কথা স্মরণ করানো ও তাঁর সেবা করতে সহায়তা করা।