বিগ্রহ কি কাঠ-পাথরের মূর্তি?

প্রকাশ: ৪ অক্টোবর ২০২৫ | ১:০৯ অপরাহ্ণ আপডেট: ৪ অক্টোবর ২০২৫ | ১:০৯ অপরাহ্ণ

এই পোস্টটি 158 বার দেখা হয়েছে

বিগ্রহ কি কাঠ-পাথরের মূর্তি?

অগাামী ১৯ মার্চ, শ্রী চৈতন্য মহাপ্রভুর আবির্ভাব তিথি উদ্যাপিত হবে সারাবিশ্বের প্রতিটি ইস্কন মন্দিরে। এ উপলক্ষে প্রতিটি মন্দিরেই ভগবানের শ্রী বিগ্রহকে মহা আড়ম্বরে অভিষেক করানো হয়। কিন্তু বর্তমান যুগের প্রেক্ষাপটে অনেকেই ভগবানের অপ্রাকৃত বিগ্রহকে নিছক খেলনার পুতুল হিসেবে দেখে ভগবানের অস্থিত্ব প্রসঙ্গে সন্দেহ প্রকাশ করে। তাদের জন্য এই বিশেষ প্রতিবেদন সকল সন্দেহের নিরসন ঘটাবে। বিগ্রহ প্রসঙ্গে মদন গোপাল দাস এবং মুরারী গুপ্ত দাসের যৌথ প্রতিবেদন Perfect questions perfect Answers থেকে নিম্নের প্রতিবেদনটি সংগৃহিত। কিছু প্রশ্ন এবং উত্তরের মাধ্যমে প্রতিবেদনটি তৈরি করা হয়েছে।আমাকে কি ভগবানকে দেখাতে পারেন? – অবশ্যই, তিনি বেদীতেই দাঁড়িয়ে আছেন। | আহ, এটি তো একটি পাথরের মূর্তি! আমাকে আসল ভগবানকে দেখাতে পারেন? – অনুগ্রহপূর্বক ধৈর্য্য ধরুন। বর্তমানে আমাদের ভগবানের প্রকৃত রূপকে দর্শন করার যোগ্যতা হয়নি। তাই তার অশেষ কৃপায় তিনি বিগ্রহরূপে এসেছেন। যাতে আমরা তাকে গ্রহণ করতে পারি। আমরা শুধুমাত্র জাগতিক জিনিস দেখতেই অভ্যস্ত এবং তাই তিনি কাঠ পাথরের এ রূপ গ্রহণ করেছেন। এই উপায়ে আমরা তাকে আরাধনা করতে পারি, দর্শন করতে পারি।


কিন্তু এসব তো মানুষের মনগড়া রূপ। এগুলোকে কিভাবে আমরা ভগবানের সত্যিকার রূপ মনে করতে পারি? কেউ কি ভগবানের এমন রূপ মানুষের মত রূপ দেখেছে নাকি?

– ভগবান হলেন একজন ব্যক্তি। যেমন কোন শিশু কোন আকৃতি সম্পন্ন পিতার মাধ্যমে জন্ম নেয়। অর্থাৎ যদি জন্ম নেয়ার পরই শিশুটিকে তার পিতার কাছ থেকে পৃথক করা হয় তখন সে জল্পনা কল্পনা করতে থাকে তার পিতা দেখতে কেমন? আমরাও পরম পিতার থেকে পৃথক হয়ে অনেকে ভাবি ভগবান দেখতে কেমন? তাই, যদি সে পিতার খোঁজ করে তবে তার মাতাই হল একমাত্র সম্বল। সেই মাতা হল বেদ শাস্ত্রসমূহ। আমাদের পরম পিতা দেখতে কেমন সে সম্পর্কে সেখানে যথাযথভাবে বর্ণিত আছে। তাই বিগ্রহ কোন মানুষের মনগড়া রূপ নয় বরং তা শাস্ত্রসম্মত। এমনকি বিগ্রহ খোদাই প্রসঙ্গেও শাস্ত্রপ্রদত্ত বিভিন্ন বিধিনিষেধ কঠোরভাবে অনুসরণ করা হয়।


মানলাম বিগ্রহগুলো ভগবানের মতই তৈরি করা হয়, কিন্তু আপনারা বিগ্রহকে পূজা করলেই কি ভগবান তা গ্রহণ করেন?

-ভগবান হল চিন্ময় এবং সবকিছু তারই শক্তি। তাই ভগবানের শক্তির সবকিছুই হল চিন্ময়। আমরা হয়ত ক্ষেত্রবিশেষে এটিকে জাগতিক বা কখনো পারমার্থিক বলি, কিন্তু বাস্তবতার প্রেক্ষিতে সবকিছুই একটি চিন্ময় শক্তি। যেমন-বিদ্যুৎ হল একটি শক্তি মাত্র। কোন কিছু ঠাণ্ডা করার জন্য রেফ্রিজারেটরে এটি ব্যবহার করা হয়, আবার কোন কিছু গরম করার জন্যও এটি শক্তি হিসেবে ব্যবহার করা হয়। একজন দক্ষ ইলেক্ট্রিসিয়ান এটিকে যে কোন কাজে ব্যবহার করতে পারেন। একইভাবে ভগবান সমস্ত শক্তির মালিক জড় পদার্থকে দিব্য শক্তিতে, আবার ঠিক উল্টোতে রূপান্তর করতে পারেন। অতএব, এমনকি যদি আমরা বিগ্রহকে শুধুই পাথরের একটি মূর্তি হিসেবে গ্রহণ করি, তবুও ভগবান তার অন্তরঙ্গ ভক্তদের সেবা নেয়ার জন্যে সেখানে প্রকাশিত হতে পারেন।


বেশ, যদি ভগবান পাথরের মধ্যেও অবস্থান করেন তবে মেঝের পাথরগুলোকেও চাইলে আমরা পূজা করতে পারি। এটাও পাথর, ওটাও পাথর। সেগুলোতো বিগ্রহের মত, তা নয় কি?

– বিগ্রহ এবং মেঝে একই জড় পদার্থ। তা ঠিকই। কিন্তু তাতে অনেক পার্থক্য রয়েছে। একটি হাজার টাকার নোট এবং একটি সংবাদপত্র নিঃসন্দেহে এক নয়। যদিও দুটোই কাগজের তৈরি। যদি কেউ এক সপ্তাহ পুরাতন কোন সংবাদপত্র ছিড়ে ফেলে তবে কেউ তেমন ভ্রুক্ষেপ করবে না। যদি সেই একই ব্যক্তি কারো একটি হাজার টাকার নোট ছিঁড়ে ফেলে কেউ কি তাকে ছাড়বে? কেন এটি হয়?কেননা ঐ টাকার কাগজটি সাধারণ কোন কাগজ নয় এবং এটি সরকার অনুমোদিত যেটি অনেক মূল্যবান। কিন্তু সংবাদপত্রটি ছিঁড়ে ফেলার ক্ষেত্রে সরকারি বা অন্য কোন অনুমোদনের প্রয়োজনীয়তা নেই যদিও তাও কাগজের তৈরি। একইভাবে বিগ্রহ হল বিশেষ কিছু, যা ভগবানের শুদ্ধ ভক্তদের দ্বারা প্রাণ প্রতিষ্ঠা বা অভিষেকের মাধ্যমে অনুমোদিত। শুদ্ধ ভক্তরা ভগবানকে বিগ্রহের মধ্যে প্রকটিত হওয়ার আমন্ত্রণ জানায় যাতে করে তারা ভগবানের প্রতি সেবা নিবেদন করতে পারে এবং যেহেতু ভক্তরা তার অত্যন্ত প্রিয়, তাই তিনি তাদের আমন্ত্রণে সাড়া দেন। পদ্মপুরানে ভগবান বলেন-

নাহং তিষ্ঠামি বৈকুন্ঠে যোগীণাং হৃদয়েষু বা। মদ্ভক্তাঃ যত্র গায়ন্তি তত্র তিষ্ঠামি নারদ ॥ 

নাহং তিষ্ঠামি বৈকুন্ঠে যোগীণাং হৃদয়েষু বা। মদ্ভক্তাঃ যত্র গায়ন্তি তত্র তিষ্ঠামি নারদ ॥ “হে নারদ, আমি বৈকুন্ঠে থাকি না, যোগীদের হৃদয়েও থাকি না। আমার ভক্তগণ যেখানেই আমার লীলাবিলাসের গুণকীর্তন করে, আমি সেখানেই থাকি।”


যদি ভগবান সর্বত্রই বিরাজমান হয় তবে আলাদাভাবে একটি মূর্তির মধ্যে তাকে আবদ্ধ রাখার কি প্রয়োজন?


– যদিও ভগবান সর্বত্রই বিরাজমান তবে তিনি বিগ্রহের মধ্যেই বিরাজমান এবং এই ছোট বিগ্রহের মধ্যেই তার সমস্ত শক্তি বিরাজ করতে পারে। এটি ভগবানের অশেষ কৃপা। রেডিও তরঙ্গ সর্বত্রই রয়েছে, কিন্তু আমাদের একটি রেডিও সেট দরকার, যার মাধ্যমে তরঙ্গকে শব্দে রূপ দিতে পারি। একইভাবে যদিও ভগবান সর্বত্রই বিরাজমান তবুও তিনি বিগ্রহ রূপে প্রকটিত হন আমাদের সেবা গ্রহণ করার জন্য।

যদি ভগবান কৃষ্ণ ও তাঁর বিগ্রহ স্বয়ং অভিন্ন, তবে কেন অতীতে অনেক মন্দির ও বিগ্রহের উপর আক্রমণ বা ধ্বংসকার্য ঘটলেও ভগবান নিজেকে রক্ষা করতে পারেন নি?

ভগবদ্গীতায় (৪/১১) ভগবান কৃষ্ণ বলেন, “যে যথা মাং প্রপদ্যন্তে” আমাদের বোঝা উচিত যে, তার ভক্তের অনুরোধেই শুধুমাত্র তিনি তার স্বইচ্ছায় বিগ্রহে প্রকটিত হন।একইভাবে তিনি তার স্ব-ইচ্ছায় একজন ঈর্ষাপরায়ন ব্যক্তিকে দেখতে দেখতে অপ্রকটিত হতে পারেন। আমরা দেখি যে, যারা একসময় বিগ্রহ ধ্বংসের কাজে লিপ্ত ছিল তারা অনেক শাস্তি পেয়েছিল এবং অনেকে অবর্ণনীয় কষ্ট পেয়ে পেয়ে মৃত্যুবরণ করেছিল। যেহেতু ভগবান কৃষ্ণ সবার মনোভাব গ্রহণ করেন। তাই তিনি তার ভক্তদের একটি মন্দির নির্মাণের অনুমোদন দেন যাতে করে ভক্তরা তার প্রতি সেবা নিবেদন করতে পারেন। যারা মন্দির ভেঙে ফেলার অভিপ্রায় করে তাদেরকে অবশ্যই এর চরম পাপের ফলাফল ভোগ করতে হয়।


বিগ্রহ কি স্বয়ং ভগবানের মতই দিব্য কার্যকলাপ করতে পারে?

– ভক্তরা যদি কৃষ্ণতত্ত্ব বিজ্ঞান উপলব্ধি করে এবং যারা প্রেমচক্ষু দ্বারা তাকে দর্শন করে তারা সরাসরি বিগ্রহের সঙ্গে কথা বলতে পারেন। তাদের প্রার্থনার প্রত্যুত্তর প্রদান বা তাদের নিবেদন খুব সহজেই গ্রহণ করেন। যদি কেউ মনে করে যে, বিগ্রহ হল একটি পাথরের মূর্তি। তখন তার কাছে এটি চিরদিন একটি পাথরের মূর্তিই হিসেবেই থাকবে। কিন্তু যদি কেউ কৃষ্ণভাবনার উচ্চতর সোপানে নিজেকে উপনিত করেন, তখন কৃষ্ণ তার সাথে কথা বলবেন। ভগবানের বিগ্রহ তখন তার প্রকৃত চিন্ময় রূপের মতই আচরণ করেন। যিনি ভালোবাসা ও বিশ্বাস সহকারে বিগ্রহের সেবা করেন, কৃষ্ণ তখন নিজেকে ধীরে ধীরে প্রকাশ করবেন এবং বুদ্ধিমত্তা দান করবেন। ভক্তরা মনে মনে বিগ্রহের সম্মুখে তাদের হৃদয়ের কথা প্রকাশ করেন এবং অনেক ক্ষেত্রেই তৎক্ষণাৎ বিগ্রহ তার হৃদয়ে এর প্রত্যুত্তর দেন। কিন্তু ভগবানের সাথে সরাসরি কথা বলতে হলে তাকে সেরকম উচ্চ সোপানে অধিষ্ঠিত হতে হবে। মাঝে মাঝে ভগবান ভক্তদেরকে স্বপ্নেও অনেক নির্দেশনা দেন, যেমনটি-শ্রীল বলদেব বিদ্যাভূষনের বেলায় হয়েছে যাকে আমরা গৌড়িয় বৈষ্ণব ভাষ্যের প্রবর্তক হিসেবে জানি। জয়পুরে অবস্থিত বর্তমান শ্রী গোবিন্দজীর শ্রীবিগ্রহ স্বয়ং তাঁর কাছে গৌড়িয় বৈষ্ণব ভাষ্যসমূহ প্রকাশ করেছিলেন। মূলতঃ বিগ্রহ সেবার মাধ্যমে ভক্তের শরীর, মন এবং ইন্দ্রিয়গুলো ধীরে ধীরে পরিশুদ্ধ হয় এবং তখন পরমেশ্বর ভগবান তার কাছে সম্পূর্ণরূপে প্রকাশিত হন।

কিভাবে ভগবানের বিগ্রহের ধ্যান করা উচিত-

-সর্বোত্তম উপায় হল এই উপলব্ধি থাকা যে, ভগবান কৃষ্ণ সত্যি সত্যিই বিগ্রহে অবস্থান করছেন। এভাবে তাকে দর্শন করা উচিত। আমাদেরকে তার পাদপদ্মের ধ্যান করার মাধ্যমে দর্শন শুরু করা উচিত এবং পর্যায়ক্রমে তার উরুদ্বয়, কোমর, বক্ষ, হস্তদ্বয় এবং সুসজ্জিত বস্ত্র। পরবর্তীতে তার মৃদু হাসি এবং তার দিব্য বাঁশি, সর্বশেষ শ্রীমতি রাধারাণী এবং পাশে অবস্থিত অন্যান্য গোপীদের ধ্যান করা উচিত। সেই সাথে কৃষ্ণ সম্পর্কে শ্রবণ অব্যাহত রাখা উচিত। এ দুটি প্রক্রিয়া যদি কেউ অবলম্বন করে তবে তার ভক্তি এমনভাবে বৃদ্ধি পাবে যে, তিনি আপনা-আপনিই একজন শুদ্ধ ভগবদ্ভক্ত হয়ে উঠবেন।

 সারা বিশ্বে যখন অনেক লোক দারিদ্রতায় ভুগছে তখন এত বিপুল অর্থ ব্যয় করে উৎসব করার কি প্রয়োজন?

-প্রথমত, আমাদের বোঝা উচিত যে, মন্দিরে ভগবানের উৎসবের জন্য অর্থ ব্যয় করার মাধ্যমে বিশ্বের দারিদ্র সমস্যা সহ নানাবিধ সমস্যা সৃষ্টির জন্য কোন প্রভাব রাখে না। কেননা এসব সমস্যা হচ্ছে বিশ্বের সঠিক ব্যবস্থাপনার অভাবে এবং লোকদের অতিরিক্ত লোভ, আগ্রাসী মনোভাব, উচ্চাকাঙ্খার কারণে। (যেমন-হাজার হাজার কোটি ডলার খরচ করা হচ্ছে মারণাস্ত্র তৈরির জন্য হাজার হাজার কোটি ডলারের চন্দ্রাভিযান, মঙ্গলঅভিযান জনগণের কি কল্যাণই বা করতে পেরেছে।) আজও পৃথিবী তার সমগ্র জনসংখ্যার জন্য খাদ্য সরবরাহ করতে সক্ষম।কিন্তু কিছু স্বার্থান্বেষী মহল সাধারণ জনগণের কাছে খাদ্য পৌছতে বাধা হয়ে আছে।প্রকৃতপক্ষে যদি মন্দির স্থাপন করা হয় এবং সেখানে লোকদেরকে বৈদিক কৌশলসমূহ শিক্ষা দেয়া হয়, যার ফলে দারিদ্রতা এমনিতেই নিরসন হবে। একজন ব্যক্তি মন্দিরে এসে যথার্থ ব্যক্তির কাছ থেকে শ্রবণের মাধ্যমে সে আপনা-আপনিই সৎ হয়ে উঠে। তাতে বিশ্বে সৎ লোকদের বিচরণ ঘটবে।আরেকটি ব্যাপার হল, ভগবানই হল সমস্ত কিছুর ভোক্তা এবং মালিক। ঠিক যেমন দেশের প্রথম শ্রেণীর নাগরিক, প্রেসিডেন্টের সেবায় অনেক অর্থ ব্যবহৃত হয়। যেখানে কোন দেশের অস্থায়ী কোন ব্যক্তির জন্য এরকম আয়োজন, তাহলে এই বিশ্বব্রহ্মাণ্ডের যিনি মালিক তার জন্য কিরকম আয়োজন করা উচিত?

যদি যুগধর্ম ভগবানের পবিত্র নাম জপ-কীর্তন হয়ে থাকে তবে বিগ্রহ পূজা কি প্রয়োজন?

– হ্যাঁ, আধ্যাত্মিক জীবনে সিদ্ধি অর্জনের জন্য পবিত্র নাম জপ-কীর্তনকে অনুমোদন করা হচ্ছে। বৈদিক শাস্ত্রানুসারে দুটি পদ্ধতি কথা বর্ণিত রয়েছে-ভাগবত বিধি এবং পঞ্চরাত্রিকা বিধি। এ দুটি পদ্ধতি হল দুটি পথ যার মাধ্যমে ভক্তি অগ্রসর হয়। শ্রীল প্রভুপাদের সিদ্ধান্ত অনুসারে উভয়েরই প্রয়োজনীয়তা রয়েছে। তাছাড়া বিগ্রহ সেবার মাধ্যমে একজন হরিনাম জপের প্রতি রুচি বর্ধনের সুযোগ লাভ করে। কেননা বিগ্রহ সেবার মাধ্যমে তার চেতনা শুদ্ধ হয়ে উঠে। তাই এ দুটির সমন্বয়ের প্রয়োজনীয়তা অপরিসীম। হরে কৃষ্ণ।

 

সম্পর্কিত পোস্ট

‘ চৈতন্য সন্দেশ’ হল ইস্‌কন বাংলাদেশের প্রথম ও সর্বাধিক পঠিত সংবাদপত্র। csbtg.org ‘ মাসিক চৈতন্য সন্দেশ’ এর ওয়েবসাইট।
আমাদের উদ্দেশ্য
■ সকল মানুষকে মোহ থেকে বাস্তবতা, জড় থেকে চিন্ময়তা, অনিত্য থেকে নিত্যতার পার্থক্য নির্ণয়ে সহায়তা করা।
■ জড়বাদের দোষগুলি উন্মুক্ত করা।
■ বৈদিক পদ্ধতিতে পারমার্থিক পথ নির্দেশ করা
■ বৈদিক সংস্কৃতির সংরক্ষণ ও প্রচার। শ্রীচৈতন্য মহাপ্রভুর নির্দেশ অনুসারে ভগবানের পবিত্র নাম কীর্তন করা ।
■ সকল জীবকে পরমেশ্বর ভগবান শ্রীকৃষ্ণের কথা স্মরণ করানো ও তাঁর সেবা করতে সহায়তা করা।
■ শ্রীচৈতন্য মহাপ্রভুর নির্দেশ অনুসারে ভগবানের পবিত্র নাম কীর্তন করা ।
■ সকল জীবকে পরমেশ্বর ভগবান শ্রীকৃষ্ণের কথা স্মরণ করানো ও তাঁর সেবা করতে সহায়তা করা।