শব্দের বিজ্ঞান

0
169

জড় শব্দ নিয়ে বহু প্রকারের ন্বেষণ করা হলেও পারমার্থিক
শব্দের আধ্যাত্মিক দৃষ্টিভঙ্গির জ্ঞান হল সর্বাধিক গুরুত্বপূর্ণ।

ডা. দিপঙ্কর দেব (দামোদর নিত্যানন্দ দাস)


শব্দ হলো একটি শক্তি যেটি কম্পনের মাধ্যমে সৃষ্টি হয় এবং আমাদের কানে আঘাতের মাধ্যমে শ্রবণের অনুভূতি সৃষ্টি করে। শব্দের তরঙ্গ নির্ভর করে এর উৎস এবং শক্তিমত্তার ওপর। শব্দ পরিবহনের জন্য একটি মাধ্যম প্রয়োজন যেমন গ্যাসীয়, জলীয়, কিংবা কঠিন পদার্থ। এটি কঠিন পদার্থের মধ্যে দিয়ে অতি দ্রুত পরিবাহিত হতে পারে, কেননা কঠিন পদার্থে অণুসমূহ দৃঢ়ভাবে আবদ্ধ থাকে এবং কম্পনের জন্য বেশি দূরত্ব অতিক্রম করতে হয় না। তাই শব্দের গতিবেগ সবচেয়ে বেশি থাকে কঠিন পদার্থে, তরল পদার্থে আরো কম এবং সর্বোপেক্ষা কম থাকে গ্যাসীয় পদার্থে।
আলোর মতো শব্দও পৃষ্ঠতলে আঘাত পেয়ে ফিরে আসে অর্থাৎ প্রতিফলন ঘটে। যদি প্রতিফলন কোণ এবং আপতন কোণ সমান হয় তবে প্রতিফলিত তরঙ্গ একই সমানতলে অবস্থিত হবে। তখন আমরা যে শব্দটা শ্রবণ করি তাকে প্রতিধ্বনি বলে। প্রতিধ্বনির তীব্রতা নির্ভর করে শব্দের উৎস এবং এর অতিক্রান্ত দূরত্ব এবং প্রতিফলিতরশ্মির ওপর । এক কথায় কখনো যদি একাধিক প্রতিধ্বনি শোনা যায় যদিও শব্দের উৎস একই, তখন বুঝতে হবে, শব্দটি উৎস থেকে কোনো প্রতিফলিত তলে বিভিন্ন কোণে প্রতিসারিত হয়েছে। এই ধরনের কিছু শব্দ প্রতিধ্বনির ব্যবহার প্রচলিত আছে চিকিৎসা যন্ত্রপাতিতে এবং ডাক্তারগণ এই প্রক্রিয়ায় রোগীর হৃদস্পন্দন শ্রবণ করে আমাদের দেহের অভ্যন্তরের রোগ নির্ণয় করেন।
মানুষের বাকযন্ত্র শব্দ সৃষ্টি করে যা কর্ণ দিয়ে শ্রবণ করা যায়। মানুষের কান তিনটি অংশ নিয়ে গঠিত- ১. বহিকর্ণ ২. মধ্যবর্তীকর্ণ ৩. অন্তকর্ণ। বহিকর্ণের একটি অঙ্গ হলো কর্ণ পর্দা যেটি শব্দ গ্রহণে সহায়তা করে। মধ্যকর্ণে রয়েছে একটি তরঙ্গ ঝিল্লি যেটি একটি প্রসারিত রাবার সদৃশ পর্দা এবং রয়েছে একটি অন্তনালী যেটি বাঁকানো থাকে। এটি শব্দকে প্রশস্ত করতে সাহায্য করে। এছাড়াও অন্তকর্ণে রয়েছে একটি শ্রবণেন্দ্রিয় যেটি শব্দকে বৈদ্যুতিক সংকেতে রূপান্তরিত করে আমাদের মস্তিষ্কে প্রেরণ করে শব্দটি ভালভাবে উপলব্ধি করার জন্য। মানুষের শ্রবণেন্দ্রিয়টি এতই জটিল যে, একটি নির্দিষ্ট তরঙ্গ দৈর্ঘ্যেও শব্দ শ্রবণ করার জন্য এর মধ্যে রয়েছে উন্নত বুদ্ধিমত্তাসম্পন্ন শ্রবণেন্দ্রিয়। কিভাবে আমরা বলতে পারি যে, কোনো উন্নত বুদ্ধিমত্তাসম্পন্ন ব্যক্তি (ভগবান) এই জটিল শ্রবণেন্দ্রিয়ের উদ্ভাবন করেননি? আমাদের এই ক্ষুদ্র শ্রবণেন্দ্রিয় নকশা করার জন্য যদি উন্নত বুদ্ধিমত্তার প্রয়োজন হয় তবে এই সমগ্র মহাবিশ্ব সৃষ্টির পেছনে কতই না বুদ্ধিমত্তা ও পরিকল্পনা কাজ করছে!
শ্রুতি হল একটি বৈদিক সাহিত্য শ্রবণ পন্থা। শুদ্ধ ভক্তের মুখনিঃসৃত শ্লোক শ্রবণের মাধ্যমে মনে রাখার পন্থাই হলো শ্রুতি। এই পদ্ধতি এতই শক্তিশালী যে, এটি বদ্ধ জীবের সাথে পরমেশ্বর ভগবানের নিত্য সম্পর্কের কথা স্মরণ করিয়ে দেয়। যখন কোনো শুদ্ধ ভক্ত কিছু বলেন তখন শব্দটিকে এই জড় জগতের অন্তর্গত মনে হলেও সেই শব্দ তরঙ্গে রয়েছে অসীম আধ্যাত্মিক শক্তি। একজন জড় জগতে আবদ্ধ জীবের উচিত শুদ্ধ ভক্তের উপদেশ শ্রবণ করা এবং জড় জাগতিক ইচ্ছা, জড় কর্মে আসক্তি এবং জল্পনা-কল্পনা থেকে বিরত হয়ে পরমেশ্বর ভগবানের শ্রীপাদপদ্মে নিজেকে সম্পূর্ণরূপে আত্মসমর্পণ করা। একজন শুদ্ধভক্তের গুণাবলি উপলব্ধির জন্য সেতার-এর উপমা দিয়ে থাকি। সেতার-এর দু’টি তার রয়েছে প্রধান তার, সমবেদী তার। প্রধান তার অনুরণন সৃষ্টি করে এবং সমবেদী তার কম্পন সৃষ্টির মাধ্যমে শব্দের তীব্রতা বৃদ্ধি করে। প্রধান তার বহুমাত্রিক শব্দ তৈরি করে এবং সমবেদী তার সেই স্বরসমূহের ভঙ্গির পরিবর্তন সাধন করে। একইভাবে একজন শুদ্ধভক্ত কৃষ্ণভাবনামৃতকে এমন ভাব অনুরণন করে যাতে বিভিন্ন সংস্কৃতির এবং বিচিত্র দৃষ্টিভঙ্গির মানুষ কৃষ্ণভাবনামৃতে আকৃষ্ট হন।
শব্দের দুই প্রকারভেদ সংকীর্তন হলো এমন একটি অপ্রাকৃত শব্দ যা জড় শব্দ অপেক্ষা অধিক গুরুত্বপূর্ণ। জড় শব্দসমূহ সর্বদাই পারমার্থিক শব্দের চেয়ে ভিন্নতর। সংকীর্তন এই জড় জগতে আবির্ভূত হয়েছে পারমার্থিক জগৎ থেকে যার উদ্দেশ্য হলো পরমেশ্বর ভগবানের অপ্রাকৃত নাম শ্রবণ ও বিতরণের মাধ্যমে আমাদের ইন্দ্রিয়সমূহকে শুদ্ধ করা। পরমেশ্বর ভগবানের কৃপার শক্তি এই জগতে আধ্যাত্মিক শব্দ তরঙ্গ তথা হরিনাম রূপে আবির্ভূত হয়েছে। আমরা ভগবানকে এই অপ্রাকৃত শব্দ তরঙ্গ দ্বারা উপলব্ধি করতে পারি। স্বয়ং ভগবান শ্রীকৃষ্ণ এবং তার নাম, রূপ, গুণ এবং লীলার মধ্যে কোনো প্রকার পার্থক্য নেই এবং সেইগুলো সর্বদাই চিন্ময়। যখন কোনো শুদ্ধভক্তের মাধ্যমে সেই অপ্রাকৃতশব্দ তরঙ্গ শ্রবণ করা হয় তখন সেই গুরুত্বপূর্ণ শব্দ তরঙ্গ আমাদের চেতনার মধ্যে আবদ্ধ হয়ে যায়।
শব্দের গুণাবলী একটি উচ্চতর গুরুত্ব বহন করে কেননা শব্দ আমাদের চেতনাকে প্রভাবিত করে। যেহেতু ভগবানের কোনো জড় গুণাবলী নেই তাই তার শ্রীনাম কোনো জড় শব্দনয়। শ্রবণম্ ভগবানের অপ্রাকৃত নাম ও গুণ মহিমা শ্রবণের মাধ্যমে স্বয়ংক্রিয় ভাবেই আমাদের হৃদয়ের কলুষতা দূর হয়ে যায় এবং আমরা প্রকৃত পারমার্থিক স্থিতিতে পর্যবসিত হই। সঠিক এবং পর্যাপ্তভাবে শ্রবণ না করলে ভক্তিযোগে উন্নতি সাধন অসম্ভব। শুধুমাত্র মনোযোগের সাথে শ্রবণ করার সুবিধা প্রদানের উদ্দেশ্য শ্রীল ব্যাসদেব সমস্ত বৈদিক শাস্ত্রসমূহ লিপিবদ্ধ করেছেন। শ্রীমদ্ভাগবতে বলা হয়েছে যে, নামসংকীর্তন হল এই কলিযুগের যুগধর্ম এবং সমগ্র বৈদিক সাহিত্যর সারাতিসার। পরমেশ্বর ভগবানের প্রেমে মগ্ন হয়ে যে মধুর শব্দচয়ন ও ধ্বনির মাধ্যমে ভগবানকে স্মরণ করা হয় তা হলো প্রেমসংকীর্তন।
সরাসরি অধ্যয়ন কিংবা দর্শনের চেয়ে শ্রবণ অধিক গুরুত্বপূর্ণ। যদি কেউ সঠিক উৎস থেকে মনোযোগের সহিত শ্রবণ করে, তবে সে যথাযথ জ্ঞান লাভ করতে পারবে। এই প্রকার পদ্ধতিকে বলা হয় শ্রুতপন্থা, অর্থাৎ যথাযথ কর্তৃপক্ষের কাছ থেকে শ্রবণের মাধ্যমে দিব্যজ্ঞান আহরণ করা। বৈদিক জ্ঞান আহরণের পন্থা হলো একজন পারমার্থিক সদগুরুর সন্ধান করে তার কাছ থেকে বেদ আদি সমস্ত বৈদিক শাস্ত্রের জ্ঞান আহরণ করা। একজন সদ্গুরুর কাছ থেকে যথাযথভাবে জ্ঞান অর্জনের জন্য অধিক বিদ্বান হতে হয় না, শুধুমাত্র ভাল শ্ৰবণ করার গুণ থাকতে হবে। এটি হলো অবরোহ পন্থা, অর্থাৎ গুরু-শিষ্য পরম্পরার মাধ্যমে জ্ঞান বিতরণ। কিভাবে শ্রবণের মাধ্যমে ভক্তিলতার বীজ বপন করা যায়? শ্রীচৈতন্যচরিতামৃত (মধ্য ১৯/১৫২) তে বলা হয়েছে—

মালী হঞা করে সেই বীজ আরোপণ।
শ্রবণ-কীর্তন – জলে করয়ে সেচন –

শ্লোকার্থ : সেই বীজ লাভ করার পর, মালী হয়ে সেই বীজটিকে হৃদয়ে রোপন করতে হয়, এবং শ্রবণ, কীর্তন রূপ জল তাতে সিঞ্চন করতে হয় । বদ্ধজীবের শ্রবণের ক্ষমতা ভগবানের চেয়ে বহুঅংশে কম । শ্রীমদ্ভাগবতে (২/৬/৩) শ্লোকে ব্রহ্মা বলেছেন, “কর্ণৌ দিশাঞ্চ তীৰ্থানাং শ্রোত্রমাকাশশব্দয়োঃ”- “তাঁর কর্ণদ্বয় দিকসমূহ এবং সমস্ত বেদের উৎপত্তি স্থান, এবং তাঁর শ্রবণেন্দ্রিয় আকাশ এবং সর্বপ্রকার শব্দের উৎপত্তিস্থল।” যদিও বিরাট পুরুষের তুলনায় আমাদের শ্রবণেন্দ্রিয়ের ক্ষমতা সীমিত তথাপিও, যেহেতু হরেকৃষ্ণ মহামন্ত্র হলো পরম সত্য, তাই আমাদের শ্রবণ ইন্দ্রিয়ের সীমিত ক্ষমতা থাকলেও আমরা মহামন্ত্রের শক্তিবলে আমাদের ভক্তিজীবনের পরিপূর্ণতা লাভ করতে পারি। হরেকৃষ্ণ মহামন্ত্র কীর্তন শ্রবণের মাধ্যমে শুদ্ধ ভক্তের কৃপাধারা আমাদের ওপর বর্ষিত হয়। শ্রবণের মাধ্যমে কৃপা লাভের পন্থা হলো, শ্রোতাকে অবশ্যই মনপ্রাণে কৃপা লাভের জন্য অভিলাষী হতে হবে এবং গৃহিত শিক্ষাকে অনুশীলনের মাধ্যমে রপ্ত করতে হবে। জড় জগতে শব্দ এবং বস্তু আলাদাভাবে চিহ্নিত করা হয়। যেমন আমরা যদি জল, জল বলতে থাকি তবে আমাদের তৃষ্ণা মিটবে না, কেননা জল শব্দটি এবং বস্তু জল হলো সম্পূর্ণ আলাদা। কিন্তু আধ্যাত্মিক জগতে শব্দ এবং বস্তু একই। যা হোক, জড় এবং পারমার্থিক শব্দের মধ্যে একটি গুরুত্বপূর্ণ পার্থক্য রয়েছে। কঠিন মাধ্যমে শব্দের গতি গ্যাসীয় মাধ্যমের চেয়ে বেশি। কিন্তু ভগবদধামে প্রত্যাবর্তন করার (যেটি নির্ভর করে সরাসরি পারমার্থিক শব্দ গ্রহণের মাধ্যমে) সময়কাল হবে দ্রুত যখন আমাদের কোমল হৃদয়ে ভক্তিযোগের নিয়মকানুন কঠোরভাবে অনুশীলনের মাধ্যমে এবং কৃষ্ণ আসক্তির ফলে। একজন ব্রজবাসী গোপীদের কোমল হৃদয়কে তুলনা করেছেন মাখনের সাথে, যা ভগবান শ্রীকৃষ্ণের খুবই প্রিয়। হৃদয় যত পবিত্র হবে, এটি তত বেশি পারমার্থিক শব্দ সুসংগত করতে পারবে। পবিত্র হৃদয় মাখনের মতো আর অপবিত্র হৃদয় পাথরের মত কঠিন ।

অন্যান্য অপ্রাকৃত শব্দ

নকুলের শঙ্খের নাম সুঘোষ যার অর্থ যা মধুর শব্দ উৎপন্ন করে। সুন্দর শব্দ তৈরি করার জন্য বহু প্রকারের সংগীত বাদ্যযন্ত্র ব্যবহার করা হয়। ঝিল্লি কম্পনের মাধ্যমে কিছু কিছু বাদ্যযন্ত্রের শব্দ উৎপন্ন হয়, কিছু উৎপন্ন হয় তারের মাধ্যমে, আবার কিছু উৎপন্ন হয় বায়ুর চাপ পরিবহনের মাধ্যমে। সেতার, বীণা (যেগুলো নারদ মুনি বহন করেন), ভায়োলিন, গিটার এবং একতারার মাধ্যমে শব্দ উৎপন্ন করে। তবলা, করতাল এবং মৃদঙ্গ ঝিল্লি কম্পনের মাধ্যমে শব্দ উৎপন্ন করে। অন্যদিকে বাঁশি, শঙ্খ ও শিঙ্গা বাজানো হয় মুখের বায়ু নিঃসরণের মাধ্যমে। (১/১২-১৯) কুরুক্ষেত্রের যুদ্ধে একে অপরকে বার্তা প্রদানের জন্য বিভিন্ন ধরনের বাদ্যযন্ত্রের ব্যবহারের উল্লেখ করা হয়। ভীষ্ম এমনভাবে শঙ্খ বাজিয়েছেন যেন তা কোনো সিংহের গর্জনস্বরূপ। এরপর ড্রাম, শিঙ্গা প্রভৃতি বাদ্যযন্ত্রের মিলিত শব্দ এক আবেগঘন পরিস্থিতির সৃষ্টি করেছিল। এরপর ভগবান শ্রীকৃষ্ণ তার অপ্রাকৃত শঙ্খ পাঞ্চজন্য বাজালেন। এরপর অর্জুন তার দেবদত্ত শঙ্খ, ভীম পুণ্ড্র, যুধিষ্ঠির অনন্তবিজয় শঙ্খ, নকুল এবং সহদেব যথাক্রমে সুঘোষ ও মণিপুস্পক শঙ্খ বাজালেন। এই সকল শব্দে দুর্যোধনের হৃদয় দূর্বল হতে লাগল ।
এই ধরনের যন্ত্রের মাধ্যমে ভগবানকে স্মরণ করা হয়। যেমন- যখন পরমেশ্বর ভগবান শ্রীকৃষ্ণ এই জড় জগৎ ছেড়ে যাচ্ছিলেন, তখন মৃদঙ্গ, ঢোল, নাগ্রা, ধুন্দুভী ইত্যাদির বাজনা বাজছিল।
শব্দ হচ্ছে আমাদের ইন্দ্রিয়ের অতীত একটি বিষয়। বেদকে বলা হয় শব্দব্রহ্ম, কেননা বেদের জ্ঞানের মাধ্যমে পরমেশ্বর ভগবানকে জানা যায়। শব্দব্রহ্ম জ্ঞানের মূল ভিত্তি হল হরে কৃষ্ণ মহামন্ত্র জপকীর্তন। এই অপ্রাকৃত শব্দ শ্রবণকীর্তনের ফলে জাগতিক ও পারমার্থিক উভয়ক্ষেত্রে আমাদের উদ্দেশ্য সম্বন্ধে জানা যায়। এই অন্ধকারময় কলিযুগ থেকে মুক্তির জন্য আমাদের সদ্‌গুরুর কাছ থেকে শাস্ত্র বিষয়ে বিস্তারিত জানতে হবে।

লেখক পরিচিতি : দামোদর নিত্যানন্দ দাস (ডা.দিপঙ্কর দেব) হলেন শ্রীমৎ ভক্তিবিকাশ স্বামী মহারাজের শিষ্য। তিনি ইউনিভার্সিটি অব ভার্জিনিয়া থেকে ইলেকট্রিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং এ পিএইচডি সম্পন্ন করেন। তিনি Science, Nescience & Perfect Design গ্রন্থের রচয়িতা।


 

অক্টোবর – ডিসেম্বর ২০১৬ ব্যাক টু গডহেড

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here