কাটা বনাম ফুল (পর্ব -৫) রথযাত্রা বন্ধ

প্রকাশ: ২৯ জুন ২০২০ | ৬:০৫ পূর্বাহ্ণ আপডেট: ২৯ জুন ২০২০ | ৬:০৫ পূর্বাহ্ণ

এই পোস্টটি 443 বার দেখা হয়েছে

কাটা বনাম ফুল (পর্ব -৫) রথযাত্রা বন্ধ

এখনো ঔরঙ্গজেব সন্তুষ্ঠ হলেন না। তিনি চাইলেন রথযাত্রা উৎসব যেন চিরতরে বন্ধ হয়ে যায়। তিনি বিলগ্রাম থেকে উড়িষ্যা যাওয়ার জন্য মীর সাঈদ মোহাম্মদকে নির্দেশ দিলেন। মীর সাঈদ উড়িষ্যাগামী সকল রাস্তার পথ বন্ধ করে তীর্থযাত্রীদের পুরী যাওয়ার সুযোগ বন্ধ করে দিলেন। এরপর ১৬৯১ থেকে ১৭০৩ সাল পর্যন্ত দীর্ঘ ১২ বছর পুরীতে জগন্নাথের আরাধনা চলল কোন ধরণের শংখ ঘন্টা শব্দ ব্যাতীত গোপনে। মন্দিরের সীমানা প্রাচীর সংলগ্ন একটি টানেলের ভেতর দিয়ে মন্দিরের পুরোহিত রাত্রিকালে গমন করতেন জগন্নাথের সেবার উদ্দেশ্যে। চন্দন যাত্রা, রুক্ষ্মনী হরণ সহ সকল উৎসব স্থগিত হয়। নিশ্চুপভাবে স্থানযাত্রা পালিত হয় জগন্নাথের সিংহাসনে এবং রথযাত্রা পালিত হয় ভোগ মন্ডপে যেখানে জগন্নাথের ভোগ নিবেদন করা হয়।
মীর সাঈদের বাধার কারণে তীর্থযাত্রীগণ পুরী যাত্রায় বিরত থাকতে বাধ্য হলেন। কঠক-রাজা-বংশাবলী গ্রন্থে উল্লেখ রয়েছে তীর্থযাত্রীদের বাধা দেওয়ার কারণে মন্দিরের অর্থ সংকট সৃষ্টি হয়। অন্যদিকে উড়িষ্যাবাসী ও জগন্নাথের ভক্তগণ দীর্ঘদিন যাবত তাদের প্রাণনাথ জগন্নাথের দর্শন না পেয়ে মর্মাহত হন। চৌকাঠপন্থি নামক একটি উড়িষ্যা ইতিহাস গ্রন্থে সেই সময়কালীন পুরীর অবস্থাকে একটি শবদাহ স্থান বলে কল্পনা করা হয়েছে।

 

মাসিক চৈতন্য সন্দেশ ও ব্যাক টু গডহেড এর ।। গ্রাহক ও এজেন্ট হতে পারেন

প্রয়োজনে : 01820-133161, 01758-878816, 01838-144699

সম্পর্কিত পোস্ট

‘ চৈতন্য সন্দেশ’ হল ইস্‌কন বাংলাদেশের প্রথম ও সর্বাধিক পঠিত সংবাদপত্র। csbtg.org ‘ মাসিক চৈতন্য সন্দেশ’ এর ওয়েবসাইট।
আমাদের উদ্দেশ্য
■ সকল মানুষকে মোহ থেকে বাস্তবতা, জড় থেকে চিন্ময়তা, অনিত্য থেকে নিত্যতার পার্থক্য নির্ণয়ে সহায়তা করা।
■ জড়বাদের দোষগুলি উন্মুক্ত করা।
■ বৈদিক পদ্ধতিতে পারমার্থিক পথ নির্দেশ করা
■ বৈদিক সংস্কৃতির সংরক্ষণ ও প্রচার। শ্রীচৈতন্য মহাপ্রভুর নির্দেশ অনুসারে ভগবানের পবিত্র নাম কীর্তন করা ।
■ সকল জীবকে পরমেশ্বর ভগবান শ্রীকৃষ্ণের কথা স্মরণ করানো ও তাঁর সেবা করতে সহায়তা করা।
■ শ্রীচৈতন্য মহাপ্রভুর নির্দেশ অনুসারে ভগবানের পবিত্র নাম কীর্তন করা ।
■ সকল জীবকে পরমেশ্বর ভগবান শ্রীকৃষ্ণের কথা স্মরণ করানো ও তাঁর সেবা করতে সহায়তা করা।