“মাই সুইট লর্ড” ও বিবিসির সাক্ষাৎকার

0
27

কমল রাধা দেবী দাসী: জর্জ হ্যারিসনের সবচেয়ে সফল একক গানের অ্যালবাম, “মাই সুইট লর্ড”-এর যুক্তরাজ্যে মুক্তির ৫০ বছর পূর্ণ হয়েছে। “হরে কৃষ্ণ মহামন্ত্র”-কে মূলধারায় জনপ্রিয় করার জন্য এই সফলতারই দরকার ছিলো। বিবিসি রেডিও ৪-এর রবিবারের অনুষ্ঠানের সঞ্চালক “বিশ্ব সামানী”, শ্যামসুন্দর দাসের সঙ্গে কথা বলেছিলেন, (যিনিই প্রথম বিটল্্সকে তাদের দর্শনের সাথে পরিচয় করিয়ে দিয়েছিলেন এবং কৃষ্ণকে জর্জ হ্যারিসনের সবচেয়ে বড় হিটের জায়গা খুঁজে পেতে সক্ষম করেছিলেন।
বিবিসি রেডিও ৪ থেকে:
জর্জ হ্যারিসন পরম সত্য সম্পর্কে জানতে চেয়েছিলেন। আদতে তিনি এর সবই চেয়েছিলেন, ৭৯ বছর বয়সী শ্যামসুন্দর দাস স্মরণ করেন , পূর্বে তিনি স্যাম স্পিয়ারস্ট্রা, যিনি ষাটের দশকে “হরে কৃষ্ণ আন্দোলন”-এর জন্য বিশ বছর বয়সে যৌনতা, মাদক এবং তিনি এবং তার সঙ্গী তরুণ আমেরিকানদের একটি দল, যারা বিপরীত-সংস্কৃতির অংশ ছিলেন এবং ১৯৬৮ সালে বিটল্্সকে “কৃষ্ণভাবনামৃত”-এর সাথে পরিচয় করিয়ে দেওয়ার দৃঢ় উচ্চাকাক্সক্ষা নিয়ে লন্ডন থেকে ভারতে একটি আশ্রমে ভ্রমণ করেছিলেন।
বিভিন্ন পন্থা অবলম্বন করার পর, শ্যামসুন্দর দাস লন্ডনে আসার কয়েক মাসের মধ্যে একটি পার্টিতে আমন্ত্রণ পান। সেখানে তার মুণ্ডিত মস্তক এবং ভারতীয় ধাঁচের পোশাক জর্জ হ্যারিসনের দৃষ্টি আকর্ষণ করে।
শ্যামসুন্দর প্রভুর মতে, ‘ভক্তি হলো এক নিখুঁত জীবনের মূল সূত্র’-এই ধারণার প্রতি জর্জ হ্যারিসন ক্রমবর্ধমানভাবে আকৃষ্ট হয়ে পড়েন। তিনি বলেছেন, “একজন বিখ্যাত সঙ্গীতশিল্পী হিসেবে তিনি এই সিদ্ধান্তে উপনীত হয়েছিলেন যে, তিনি কৃষ্ণের জন্য গান গাইবেন এবং তিনি সারা জীবন তাই করেছিলেন। তিনি জানতে পেরেছিলেন যে কৃষ্ণ হলো ভগবানের অন্য নাম।”

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here