বুদ্ধিমান ব্যক্তির ১৭টি লক্ষণ

প্রকাশ: ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২২ | ৬:০২ পূর্বাহ্ণ আপডেট: ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২২ | ৬:০২ পূর্বাহ্ণ

এই পোস্টটি 124 বার দেখা হয়েছে

বুদ্ধিমান ব্যক্তির ১৭টি লক্ষণ

. কেউ যদি আপনাকে সাহায্য করে এবং সে যদি একজন কুলি বা রিক্সাওয়ালাও হয় তাহলেও তাকে ধন্যবাদ দিবেন এবং দেওয়া উচিত। ধন্যবাদ দিলে আপনি তার কাছে ছোট হয়ে যাবেন না বরং এতে আপনার কি যোগ্যতা এবং উদারতা তা প্রকাশ পায়। আর ‘ধন্যবাদ’ বললে তো টাকাই লাগে না।
২. কেউ যখন কথা বলতে থাকে তখন তার কথা বলা অবস্থায় তাকে থামিয়ে আপনি কথা বলবেন না। তাতে সেই ব্যক্তির চোখে আপনি অনেকটা ছোট হয়ে যাবেন।
৩. কারো নিকট থেকে যদি আপনি টাকা ধার নিয়ে থাকেন তাহলে সেই টাকা নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে পরিশোধ করুন। এতে আপনার সততা এবং স্বচ্ছ মনের প্রকাশ পায়। যখন আপনি তাকে নির্দিষ্ট সময়ের আগে টাকা পরিশোধ করে দিবেন, নেক্সটাইম সেই ব্যক্তি আপনাকে কোন কিছু ধার দিতে একদম ইতঃস্তত বোধ করবে না।৪. আপনার কাছে ‘এই আছে’, ‘ওই আছে’ এইগুলো কাউকে কোনদিন বলবে না। পারলে নিজের জ্ঞান ও বুদ্ধি এগুলো নিয়ে শো আপ করুন।
৫. এক জনের গোপন কথা অন্য কারো কাছে বাড়িয়ে বলা উচিত নয়, এতে আপনি সেই ব্যক্তির কাছে অনেকটা নিচু হয়ে যাবেন। আর দ্বিতীয়বার সেই ব্যক্তি যার ব্যাপারে এবং যাকে বলেছেন তারা দুজনেই আর কখনো আপনাকে গোপন কথা বলবেনা
৬. অপরিচিত কাউকে ‘তুই’ বলে ডাকাটা অভদ্রতা। হোক না সে একজন হকার বা রিক্সাওয়ালা। অপরিচিত কাউকে কোনদিন ‘তুই’ বলে সম্বোধন করবেন না।
৭. যদি কেউ আপনাকে ট্রিট দিতে চায় তাহলে অর্ডার করার জন্য আপনি মেনু কার্ড তাকেই দিন যে ট্রিট দিচ্ছে এবং তাকে অর্ডার করতে দিন কারন এমনও তো হতে পারে যে আপনি এমন কিছু অর্ডার দিয়ে দিলেন যার জন্য সে প্রস্তুত নয়।
৮. অনেকদিন পর যদি আপনার কারো সাথে দেখা হয় প্রথমে আপনি তার ভালো-মন্দ জিজ্ঞেস করুন এবং তার পরিবারের লোকেরা কেমন আছে তা জিজ্ঞেস করুন। তাকে এলোমেলো বা পার্সোনাল প্রশ্ন করে লজ্জায় ফেলবেন না, যেমন: কাজকর্ম, সেলারি, লাভ, লাইফ ইত্যাদি।
৯. যদি আপনি চেয়ারে বসে থাকেন এবং পাশে যদি কেউ আপনার থেকে বেশি বয়সী দাঁড়িয়ে থাকে তাহলে আপনার চেয়ারটি তাকে দিন বসার জন্য। একই জিনিস আপনি বাস, মেট্রোতে করতে পারেন যদি আপনার গন্তব্য স্থান কাঁছে হয়।
১০. কোন জায়গায় খাওয়ার পর পরিবেশককে খুশি করার সময় এই কথাটিকে মাথায় রাখবেন যেন তার অপমান না হয়। সেরকম হলে আপনি দেবেন, না তাও ভাল। কিন্তু যদি দেন তাহলে অবশ্যই সম্মানজনকভাবে দেবেন।
১১. কোথাও বসলে নিজের পা এমন ভাবে রাখুন যেন তা কারও দিকে পয়েন্ট না করে। যদি কারো দিকে আপনার পা পয়েন্ট করে তাহলে সেটি সামনের ব্যক্তির জন্য অপমানজনক হয়। এই বিষয়টি অফিস, স্কুল, ইন্টারভিউ বা গুরুজনদের সামনে অবশ্যই মনে রাখবেন।
১২. যদি আপনার কোনো পোষা প্রাণী থেকে থাকে যাকে কিনা আপনি খুব ভালোবাসেন, তো তার মানে এই নয় সবাই তাকে আপনার মতই ভালোবাসবে। নিজের পোষা প্রাণীদের সব সময় নিজের নিয়ন্ত্রণে রাখুন।
১৩. হাঁটার সময় আপনি খেয়াল রাখবেন আপনার জুতোর যেন শব্দ না হয়। আর হাঁটার সময় পা ঘেষে হাঁটবেন না। এটি আপনার ষড়ি ংবষভ-বংঃববস কম আত্মসম্মানকে উবংপৎরনব করে।
১৪. কোনো অনুষ্ঠান বা সুন্দর জায়গায় গিয়ে আগেই ছবি তোলার জন্য ব্যস্ত হয়ে পড়বেন না। আপনি যেজন্য সেখানে এসেছেন সেটিকে আগে সামনাসামনি উপভোগ করুন। সামনাসামনি ইভেন্টটিকে এক্সপেরিয়েন্স করে আপনি যে আনন্দ পাবেন এর সমান আনন্দ আপনাকে আপনার মোবাইলের ছবিগুলো দিতে পারবেনা।
১৫. আপনি হয়তো অনেক ইন্টেলিজেন্ট। আপনার মনে বহু প্রশ্ন ঘুরতে থাকে কিন্তু তার মানে এই নয় যে, আপনি টিচারকে ক্লাস চলাকালীন সে কথাগুলি বলতেই থাকবেন। এতে টিচার এবং আপনার সহপাঠীরা বিরক্ত হয়ে যাবে। প্রয়োজন হলে ক্লাসের শেষে সেগুলির সমাধান আপনি টিচারের কাছ থেকে নিতে পারেন। দেখুন, প্রশ্ন করা ভালো কিন্তু বেশি প্রশ্ন করে ক্লাসের ডিসিপ্লিনকে নষ্ট করা ভাল না।
১৬. পাবলিক প্লেসে জোরে হাই তোলা, চুল আচঁড়ানো, নাকে হাত দেয়া, নখ কামড়ানো অভদ্রতা মনে করা হয়।
১৭. অন্যের পার্সোনাল পছন্দ এবং অপছন্দ হেসে উড়িয়ে দেবেন না। তাদের পছন্দ এবং অপছন্দকে ততটাই গুরুত্ব দিন যতটা আপনি নিজের ক্ষেত্রে দেন। আপনি একজন ব্যক্তি হিসেবে কতটা ভালো এবং কতটা সৎ তা নির্ভর করে আপনার ব্যবহার এবং অভ্যাসের উপর।


মাসিক চৈতন্য সন্দেশ সেপ্টেম্বর ২০২২ হতে প্রকাশিত
সম্পর্কিত পোস্ট

‘ চৈতন্য সন্দেশ’ হল ইস্‌কন বাংলাদেশের প্রথম ও সর্বাধিক পঠিত সংবাদপত্র। csbtg.org ‘ মাসিক চৈতন্য সন্দেশ’ এর ওয়েবসাইট।
আমাদের উদ্দেশ্য
■ সকল মানুষকে মোহ থেকে বাস্তবতা, জড় থেকে চিন্ময়তা, অনিত্য থেকে নিত্যতার পার্থক্য নির্ণয়ে সহায়তা করা।
■ জড়বাদের দোষগুলি উন্মুক্ত করা।
■ বৈদিক পদ্ধতিতে পারমার্থিক পথ নির্দেশ করা
■ বৈদিক সংস্কৃতির সংরক্ষণ ও প্রচার। শ্রীচৈতন্য মহাপ্রভুর নির্দেশ অনুসারে ভগবানের পবিত্র নাম কীর্তন করা ।
■ সকল জীবকে পরমেশ্বর ভগবান শ্রীকৃষ্ণের কথা স্মরণ করানো ও তাঁর সেবা করতে সহায়তা করা।
■ শ্রীচৈতন্য মহাপ্রভুর নির্দেশ অনুসারে ভগবানের পবিত্র নাম কীর্তন করা ।
■ সকল জীবকে পরমেশ্বর ভগবান শ্রীকৃষ্ণের কথা স্মরণ করানো ও তাঁর সেবা করতে সহায়তা করা।