বই পেয়ে শিক্ষার্থীদের আনন্দের সীমা নেই

0
118

সুলোচন কানু দাস: সিলেট প্রতিনিধি বছরের শুরুতেই বই হাতে পেয়ে সিলেট ভক্তিবেদান্ত ইন্টারন্যাশনাল স্কুলের (রেজি.নং ৬০২০১১৯০২) শিক্ষার্থীদের আনন্দের সীমা নেই। বই বিতরণ উৎসবে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সিলেট ইস্‌কন মন্দিরের সাধারণ সম্পাদক শ্রীমান ভাগবত করুণা দাস ব্রহ্মচারী, বিশেষ অতিথি ছিলেন দ্বিজেন্দ্র পাল (বীর মুক্তিযুদ্ধা ও অবঃপ্রাপ্ত শিক্ষক), সিলেট ইস্‌কন ইয়ুথ ফোরামের কো-অর্ডিনেটর শ্রীমান দেবর্ষি শ্রীবাস দাস ব্রহ্মচারী, বাংলাদেশ ব্যাংকের যুগ্ম পরিচারক সমীরণ দাস, ডা: বিশ্বনাথ পাল, শিক্ষক-শিক্ষিকা,অভিভাবক প্রমুখ। স্কুলটি ২০২০ সালে যাত্রা শুরু করে নার্সারী ওয়ান থেকে পঞ্চম শ্রেণি পর্যন্ত জাতীয় পাঠ্যক্রমের ভিত্তিতে শিশুদের যত্ন সহকারে পাঠদান করছে। গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের নির্দেশানুসারে আনন্দের সাথে গড়ে দিচ্ছে জীবনের ভিত্তি। লক্ষ্য ছাত্র-ছাত্রীদের মহৎ ব্যক্তি এবং দেশ ও জাতির শ্রেষ্ঠ সদস্য হিসেবে গড়ে উঠতে সহায়তা করা।
লক্ষ্য পূরণের জন্য এখানে একটি প্রাতিষ্ঠানিক, পারমার্থিক, সৃজনশীল ও প্রগতিশীল শিক্ষার উপযুক্ত পরিবেশ রয়েছে। যথার্থ জীবনের ভিত্তিস্বরুপ ছাত্র-ছাত্রীদেরকে চারিত্রিক গুণাবলী যেমন- বিনম্রতা, নিরহংকার, সদাচার, সহানুভূতি সততা, কর্তৃপক্ষের প্রতি শ্রদ্ধা ইত্যাদি বিষয়ে উন্নতি সাধনের জন্য প্রশিক্ষণ দিচ্ছে, যাতে শিক্ষার্থীরা ব্যক্তিত্ব বিকাশের ক্ষেত্রগুলোতে পূর্ণ সামর্থ নিয়ে এগিয়ে যেতে পারে।
এখানে ছাত্র-ছাত্রীরা আত্ম-উন্নয়নমূলক কর্মকান্ড প্রদর্শনের সুযোগ পাচ্ছে। পড়ালেখার অভ্যাস, সুন্দর ব্যবস্থাপনা, ব্যক্তিত্ব উন্নয়ন, ইতিবাচক চিন্তা, লক্ষ্য নির্ধারণ, মন নিয়ন্ত্রণ, জনসমক্ষে কথা বলা, মানসিক চাপ নিয়ন্ত্রণ, শৃঙ্খলা, সফল হওয়ার উপায়, ইত্যাদি বিষয়ে শিক্ষা লাভের সুযোগ পাচ্ছে।
ভক্তিবেদান্ত ইন্টারন্যাশনাল স্কুল ছাত্র-ছাত্রীদের জন্য সব ধরনের সুযোগ প্রদান করছে, যাতে করে তারা শ্রেণিকক্ষে মনোযোগ নিবদ্ধ করতে পারে এবং প্রতিটি ক্ষেত্রে স্বাচ্ছন্দ্য এবং আনন্দ অনুভব করতে পারে।
তাছাড়া রয়েছে – মনোরম ক্যাম্পাস, প্রশিক্ষিত ও অভিজ্ঞতাসম্পন্ন শিক্ষক, ডিজিটাল পাঠদান ব্যবস্থা, সার্বক্ষণিক নিরাপত্তা ব্যবস্থা, সুস্বাদু ভেজিটেবল টিফিনের ব্যবস্থা, যাতায়াতের জন্য যানবাহন সুবিধা, সার্বক্ষণিক বিদ্যুৎ সুবিধাসহ সুলভ শিক্ষা খরচ, চিত্তবিনোদনের জন্য বিবিধ উপকরণ এবং প্রশস্ত খেলার মাঠ। পড়ালেখার পাশাপাশি বিনোদনের জন্য রয়েছে সংগীত, নৃত্য, চিত্রাংকন, নাটক, বিতর্ক প্রতিযোগিতা ইত্যাদি কার্যক্রম। শিক্ষক ও ছাত্র-ছাত্রীদের সংখ্যার গড় অনুপাত ১:১৫। বিদ্যালয়টি নার্সারি থেকে পঞ্চম শ্রেণী পর্যন্ত, ক্রমান্বয়ে S.S.C পর্যন্ত পাঠদান করা হবে।
ভর্তির জন্য আবশ্যক- একটি স্ট্যাম্প সাইজ রঙ্গীন ছবি। শিক্ষার্থীর জন্মনিবন্ধনের ফটোকপি, অভিভাবক ও বাহকের জাতীয় পরিচয়পত্রের ফটোকপি, এককপি মূল ট্রান্সক্রিপ্ট বা প্রশংসাপত্র বা ছাড়পত্র। আপনার সন্তানের ভবিষ্যতের জন্য হৃদয় উজাড় করে দিন। সজীব পরিবেশে তাদের বেড়ে উঠতে সহায়তা করুন। তখন আপনার এ কৃতকর্মের জন্য আপনিই হবেন মহিমান্বিত।


 

চৈতন্য সন্দেশ ফেব্রুয়ারী ২০২২ প্রকাশিত

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here