কেনিয়ায় প্রাচীন মানুষের পায়ের ছাপ

প্রকাশ: ১৭ জুন ২০১৮ | ৯:৩২ পূর্বাহ্ণ আপডেট: ১৭ জুন ২০১৮ | ৯:৩৪ পূর্বাহ্ণ

এই পোস্টটি 819 বার দেখা হয়েছে

কেনিয়ায় প্রাচীন মানুষের পায়ের ছাপ

এই পৃথিবীতে মানুষ নামক এই জীবের অস্তিত্ব ঠিক কত আগে এই নিয়ে বিভ্রান্তি বহু দিনের। বিজ্ঞানের জন্যও এ বিষয়টি একটি ধাঁধাঁর জন্ম দিয়েছিল। অনেক অংক কষে প্রয়োজনীয় প্রমাণাদি চূলছেঁড়া বিশ্লেষনের পর অবশেষে তারা ঘোষণা করেছিল আসলে আমাদের মত মানব জাতির অস্থিত্ব আজ থেকে ১.৫ মিলিয়ন অর্থ্যাৎ ১ লক্ষ ৫০ হাজার বছর আগে ছিল না। অর্থ্যাৎ হিসাব অনুযায়ী তাদের মতামত হল মানবজাতির অস্থিত্ব ১ লক্ষ বা তারও ঊর্ধ্বে এরকম একটি সীমার মধ্যে ছিল। যদিও বৈদিক শাস্ত্র থেকে আমরা জানতে পারি চতুর্যুগে অর্থ্যাৎ লক্ষ লক্ষ বছর যাবৎকাল আগেও মানুষের অস্থিত্ব ছিল। কিন্তু পারমার্থিক শাস্ত্রের সিদ্ধান্তের উপর অনীহাকারীদের কাছে এসব উক্তি নিতান্তই কদর্যহীন। আর এরই পরিপ্রেক্ষিতে কেনিয়ায় আবিস্কৃত মানুষের নতুন পায়ের ছাপ বিজ্ঞানীদের হিসাব নিকাশ পাল্টে দেয়। সাম্প্রতিক অর্থ্যাৎ গত ২৬ ফেব্রূয়ারি কেনিয়ার গবেষকরা গুটি কয়েক পাথরের উপর বহু প্রাচীন মানুষের পায়ের ছাপ আবিষ্কার করে। পরবর্তীতে কৌতুহল উদ্দীপক এই পায়ের ছাপের বয়সসীমা নির্ধারণ করার জন্য উন্নত লেজার রশ্মি ব্যবহার করে জানা যায় এ পায়ের ছাপের বয়স ১.৫ মিলিয়ন বছরেরও বেশি। কেনিয়ায় গবেষকদের সাম্প্রতিক এ আবিষ্কার বিজ্ঞানীদের বিশ্বাস করাতে বাধ্য করাচ্ছে প্রকৃতপক্ষে মানব সমাজের অস্থিত্ব আজ থেকে বহু বছর আগের। সাম্প্রতিক আবিষ্কৃত ইলেকেট গ্রামের নিকটবর্তী উত্তর কেনিয়ায় বিজ্ঞানীদের মতে এ সমস্ত পায়ের ছাপগুলো গড়ে পাঁচ ফুট ৭ ইঞ্চি লম্বা। সাম্প্রতিক এ আবিষ্কার বৈদিক শাস্ত্রের নিগূঢ় বাণীর অভ্রান্ততাকে আরও মহিমান্বিত করেছে। হরে কৃষ্ণ।

(মাসিক চৈতন্য সন্দেশ নভেম্বর ২০০৯ সালে প্রকাশিত)

সম্পর্কিত পোস্ট

‘ চৈতন্য সন্দেশ’ হল ইস্‌কন বাংলাদেশের প্রথম ও সর্বাধিক পঠিত সংবাদপত্র। csbtg.org ‘ মাসিক চৈতন্য সন্দেশ’ এর ওয়েবসাইট।
আমাদের উদ্দেশ্য
■ সকল মানুষকে মোহ থেকে বাস্তবতা, জড় থেকে চিন্ময়তা, অনিত্য থেকে নিত্যতার পার্থক্য নির্ণয়ে সহায়তা করা।
■ জড়বাদের দোষগুলি উন্মুক্ত করা।
■ বৈদিক পদ্ধতিতে পারমার্থিক পথ নির্দেশ করা
■ বৈদিক সংস্কৃতির সংরক্ষণ ও প্রচার। শ্রীচৈতন্য মহাপ্রভুর নির্দেশ অনুসারে ভগবানের পবিত্র নাম কীর্তন করা ।
■ সকল জীবকে পরমেশ্বর ভগবান শ্রীকৃষ্ণের কথা স্মরণ করানো ও তাঁর সেবা করতে সহায়তা করা।
■ শ্রীচৈতন্য মহাপ্রভুর নির্দেশ অনুসারে ভগবানের পবিত্র নাম কীর্তন করা ।
■ সকল জীবকে পরমেশ্বর ভগবান শ্রীকৃষ্ণের কথা স্মরণ করানো ও তাঁর সেবা করতে সহায়তা করা।