ইতালির পার্লামেন্টে ইসকন ভক্ত

প্রকাশ: ১৩ জুন ২০১৯ | ১২:৪৮ অপরাহ্ণ আপডেট: ১৩ জুন ২০১৯ | ১২:৪৮ অপরাহ্ণ

এই পোস্টটি 3526 বার দেখা হয়েছে

ইতালির পার্লামেন্টে ইসকন ভক্ত

মাধবীপ্রিয়া দেবী দাসীঃ দয়া এবং অহিংসার বার্তা পৌঁছে গেল ইতালির পার্লামেন্টে।এই অভূতপূর্ব দৃশ্যটি দেখা গেল গত ২৪ জুন,শুক্রবার। ইতালিয়ান পার্লামেন্টের ডেপুটিদের আমন্ত্রণে ইসকন ভক্ত শ্রীমান মৎস্যাবতার প্রভু( মার্কো ফেরিনি)”Prevention and Education on Nourishment “শীর্ষক বিষয়ে প্রবচন প্রদান করেন। এই কনফারেন্সে উপস্থিত ছিলেন বহু উচ্চ যোগ্যতা সম্পন্ন বিজ্ঞানী ও বিশেষজ্ঞ ব্যক্তি,তারা সকলেই স্বাস্থ্য ও পরিবেশ সম্পর্কিত বিবিধ আলোচনা করেন।
শ্রীমান মৎস্যাবতার প্রভু তার আলোচনায় ভক্তিযোগের বৈজ্ঞানিক দর্শন উপস্থাপন করেন।
তিনি ব্যাখা করেন”খাবার গ্রহণের মাধ্যমে একজন ব্যক্তি শুধুমাত্র খাবারের পুষ্টিকর উপাদানই শোষণ করেন তা নয়,বরং খাবারে থাকা আধ্যাত্মিক গুণ গ্রহণ করেন যা তার শারিরীক ও পারমার্থিক সচেতনতা বৃদ্বিতে সহায়তা করে।কিছু বিশেষ প্রকৃতির খাবার হিংসা ও দ্বেষ ছড়িয়ে দেয় যার পরিণতিতে হত্যাযজ্ঞ বেড়ে যায়।
খাবারের প্রকৃতি অনুসারে তিনগুণ সম্পন্ন খাদ্য রয়েছে।যেমন সত্ত্বগুণ,রজোগুণ,তমোগুণ সম্পন্ন খাদ্য।এমন খাবার গ্রহণ করা উচিত যাতে যার মাধ্যমে অহিংসা,ভাতৃত্ববোধ জন্মায় এবং যাতে কোনো পশুপাখি হত্যা করতে না হয়।
” আমি কি খাচ্ছি?”প্রশ্ন না করে আমাদের প্রশ্ন করা উচিত”আমি কাকে খাচ্ছি “?শ্রীমদ্ভগবদ গীতা অনুসারে ভগবানকে নিবেদিত খাদ্য তথা নিরামিষ খাবার গ্রহণ করা উচিত।
অনুষ্ঠানে ২০০ জন গণ্যমান্য ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন এবং সকলে মৎস্যাবতার প্রভুর আলোচনায় মুগ্ধ হন।

সম্পর্কিত পোস্ট

‘ চৈতন্য সন্দেশ’ হল ইস্‌কন বাংলাদেশের প্রথম ও সর্বাধিক পঠিত সংবাদপত্র। csbtg.org ‘ মাসিক চৈতন্য সন্দেশ’ এর ওয়েবসাইট।
আমাদের উদ্দেশ্য
■ সকল মানুষকে মোহ থেকে বাস্তবতা, জড় থেকে চিন্ময়তা, অনিত্য থেকে নিত্যতার পার্থক্য নির্ণয়ে সহায়তা করা।
■ জড়বাদের দোষগুলি উন্মুক্ত করা।
■ বৈদিক পদ্ধতিতে পারমার্থিক পথ নির্দেশ করা
■ বৈদিক সংস্কৃতির সংরক্ষণ ও প্রচার। শ্রীচৈতন্য মহাপ্রভুর নির্দেশ অনুসারে ভগবানের পবিত্র নাম কীর্তন করা ।
■ সকল জীবকে পরমেশ্বর ভগবান শ্রীকৃষ্ণের কথা স্মরণ করানো ও তাঁর সেবা করতে সহায়তা করা।
■ শ্রীচৈতন্য মহাপ্রভুর নির্দেশ অনুসারে ভগবানের পবিত্র নাম কীর্তন করা ।
■ সকল জীবকে পরমেশ্বর ভগবান শ্রীকৃষ্ণের কথা স্মরণ করানো ও তাঁর সেবা করতে সহায়তা করা।