শ্রীল প্রভুপাদের ১২৫, ১০ ও ১০ হাজার বছর (১ম পর্ব)

0
69

বিশ্বজুড়ে উদ্‌যাপিত হচ্ছে শ্রীল প্রভুপাদের ১২৫ তম আবির্ভাব উৎসব। মাত্র ১০ বছরে শ্রীল প্রভুপাদ শ্রীচৈতন্য মহাপ্রভুর বাণী প্রচারের জন্য যে অসামান্য ও অবিস্মরণীয় অবদান রেখেছিলেন তা ১২৫ বছরে এসে আরো প্রসারিত হয়েছে এবং আগামী ১০ হাজার বছরও তা অব্যাহত থাকবে।

১. ১৯৬৮ থেকে ১৯৭৭ সালের মধ্যে তিনি মোট ২২০০০ পৃষ্টা রচনা করেন।
২. তিনি শ্রীমদ্ভাগবতের ১৮০০০ শ্লোকের অনুবাদ করে এবং প্রতিটি শ্লোকের তাৎপর্য প্রদান করেন।
৩. প্রতিদিন যদি পাঠক একটি শ্লোক এবং সেই শ্লোকের তাৎপর্য পড়েন তাহলে ১৮০০০ শ্লোক পড়তে সময় লাগবে ৪৯.৩১২ বছর
৪. তিনি শ্রীমদ্ভগবদ্গীতার ৭০০ শ্লোকের অনুবাদ এবং তাৎপর্য রচনা করেছেন।
৫. প্রতিদিন যদি পাঠক গীতার একটি শ্লোক এবং সেই শ্লোকের তাৎপর্য পড়েন তাহলে ৭০০ শ্লোক পড়তে সময় লাগবে প্রায় ২ বছর।
৬. তিনি ১৭ খণ্ডে রচিত শ্রীচৈতন্যচরিতামৃতের ১১,৫৫৫ শ্লোকের অনুবাদ করেছেন এবং প্রতিটি শ্লোকের তাৎপর্য প্রদান করেছেন যা মোট ২১৭০ পৃষ্টায় রচিত।
৭. প্রতিদিন যদি পাঠক শ্রীচৈতন্যচরিতামৃতের একটি শ্লোক এবং সেই শ্লোকের তাৎপর্য পড়েন তাহলে ১,৫৫৫ শ্লোক পড়তে সময় লাগবে প্রায় ৩১.৬ বছর। প্রতিদিন এক পৃষ্ঠা পড়তে সময় লাগবে ৫.৯ বছর।
৮. তিনি চৈতন্য মহাপ্রভুর শিক্ষা অমৃতের সন্ধানে, ভক্তিরসামৃতসিন্ধু, কপিলদেবের শিক্ষা, শ্রী ঈশোপনিষদ প্রভৃতি গ্রন্থ ও রচনা করেছেন।
৯. তিনি ব্যাক টু গডহেড পত্রিকা সৃষ্টি করেছেন যেটি মাসে ১ লক্ষ কপি পঠিত হয়েছিল।
১০. তিনি তাঁর শিষ্যদের উদ্দেশ্য ৭০০০ পৃষ্ঠার পত্র রচনা করেছিলেন যা পরবর্তীতে ৫ খন্ড গ্রন্থ আকারে প্রকাশিত হয়।
১১.তাঁর দেওয়া শ্রীমদ্ভাগবতের ওপর ভাষণ ১১ খণ্ডের পুস্তক আকারে প্রকাশিত হয়েছে।
১২. তাঁর দেওয়া শ্রীমদ্ভগবদ্গীতার ওপর ভাষণ ৭ খন্ডের পুস্তক আকারে প্রকাশিত হয়েছে।
১৩.তাঁর কথোপকথন ৪২ খণ্ডের গ্রন্থ আকারে প্রকাশিত হয়েছে।
১৪. তাঁর অসংখ্য প্রবচন রেকর্ডিং আকারে ধারণ করা হয়েছে।
১৫. এসবের পাশাপাশি তিনি ৫০০০ ব্যক্তিকে কৃষ্ণভাবনামৃতে দীক্ষা প্রদান করেছেন।
এই সমস্ত অবিশ্বাস্য মহৎ কাজ তিনি করেছিলেন মাত্র ১০ বছরে, ৭০-৮০ বছর বয়সের মধ্যে।

আন্তর্জাতিক কৃষ্ণভাবনামৃত সংঘ (ইস্‌কন) এর প্রতিষ্ঠাতা আচার্য কৃষ্ণকৃপাশ্রীমূর্তি শ্রীল অভয়চরণারবিন্দ ভক্তিবেদান্ত স্বামী প্রভুপাদের অনবদ্য জীবনের সারসংক্ষেপ

১৯৬৬ থেকে ১৯৭৭ সাল পর্যন্ত

১. ৪৯০ টি প্রাতঃভ্রমণ
২. ১৯১৪ টি প্রবচন
৩. ৯০৭টি কথোপকথন
৪. ৬২টি সাক্ষাৎকার
৫. ৬৫৭৯টিরও অধিক চিঠি
৬. ১০৮টি মন্দির প্রতিষ্ঠা
৭. ৩৬টি প্রবন্ধ
৮. ৮০টিরও অধিক গ্রন্থ
৯. ১৩০টি ব্যাক টু গডহেড ম্যাগজিন

১৯৬৫ থেকে ১৯৭৭ সাল পর্যন্ত

১. বছরে সমগ্র পৃথিবী ১৪ বার পরিক্রমা করেন সর্বমোট ২৪টি দেশে
২. অস্টেলিয়া-৬
৩.কেনিয়া-৩
৪. নেদারল্যান্ডস- ১
৫. সুুইডেন-১
৬. জার্মানি-৩
৭. মেক্সিকো-২
৮. ইরান- ২
৯. ফিলিপাইন- ১
১০. সোভিয়েত ইউনিয়ন-১
১১. দক্ষিণ আফ্রিকা-১
১২. যুক্তরাষ্ট্র- ১৭
১৩. কানাডা
১৪. ভেনেজুয়েলা- ১
১৫. মালয়েশিয়া- ১
১৬. ইতালি- ১
১৭. ফিজি-২
১৮. সুইজারল্যান্ড- ১
১৯. জাপান- ৪
২০. মরিশাস- ২
২১. ইন্দোনেশিয়া-১
২২. ফ্রান্স- ৬
২৩. হংকং- ৩
২৪. নিউজিল্যান্ড- ৩
২৫. যুক্তরাজ্য-১৩

শ্রীল প্রভুপাদের আবির্ভাব সম্পর্কে শ্রীচৈতন্য মহাপ্রভুর ভবিষ্যদ্বাণী

যারি পাপী চারি ধর্ম দূর দেশে যারা মোর সেনাপতি-ভক্ত। যাইবে তথায় – “হরেকৃষ্ণ মহামন্ত্র সংকীর্তনের সুতীক্ষ্ম তলোয়ারের সাহায্যে আমি বদ্ধ জীবাত্মাদের হৃদয়ের সমস্ত আসুরিক মানসিকতার শিকড় উপাঠান ও ধ্বংস করব। যদি কিছু পাপী ব্যক্তি ধর্মীয় আদর্শ পরিত্যাগ করে দুরদেশে চলে যায়, তবে তাদেরকে কৃষ্ণভাবনা প্রদান করতে আমার সেনাপতি ভক্ত আবির্ভূত হবেন।”
চৈতন্য মঙ্গল, সুত্রখন্ড লোচন দাস ঠাকুর “পৃথিবীতে যত আছে নগরাদি গ্রাম, সর্বত্র প্রচার হবে মোর নাম।” –চৈতন্য ভাগবত, অন্ত্যঃ ৪/১২৬

ভাগবত মাহাত্ম্যে নারদ মুনির উদ্দেশ্যে স্বয়ং ভক্তিদেবীর ভবিষ্যদ্বাণী

ইদং স্থানং পরিত্যজ্য বিদেশাং জ্ঞান্যতে ময়া – আমি এই দেশ ভারতবর্ষ ছেড়ে দূর দেশে গমন করব।”

দশ লক্ষেরও বেশী

তিনি মাসিক ব্যাক টু গডহড ম্যাগজিন প্রকাশ করেছিলেন। যেটিকে তিনি বলেছিলেন, তার আন্দোলন মেরুদণ্ড স্বরূপ। ‘৭০ এর মাঝামাঝিতে এর প্রচার এত উচ্চতায় চলে গিয়েছিল যে, প্রতি সংখ্যা দশ লক্ষের বেশী বিক্রি হতো। ১৯৪৪-৭৭ পর্যন্ত মোট ১৩০ সংখ্যা ব্যাক টু গডহেড তিনি প্রকাশ করেছিলেন।

৩২ বছরের প্রস্তুতি!

১৯৩৩ সালে শ্রীল ভক্তিসিদ্ধান্ত সরস্বতী ঠাকুরের কাছ থেকে দীক্ষা লাভের পর শ্রীল প্রভুপাদ পশ্চিমা বিশ্বে ভ্রমণের জন্য দীর্ঘ ৩২ বছর প্রস্তুতি গ্রহন করেছিলেন।

কৃতিত্ব

ভক্ত : প্রভুপাদ তারা বলছিল, চৈতন্য মহাপ্রভু যদি পশ্চিমা বিশ্বে প্রচার করতে চাইতেন, তবে তিনি নিজে কেন করলেন না?
প্রভুপাদ : তিনি আমার জন্য সেই দায়িত্বটি রেখে দিয়েছিলেন। (হাসি)

প্রাতঃভ্রমণ, নিলোর, জানুয়ারি ৪, ১৯৭৬

শ্রীল ভক্তিবিনোদ ঠাকুরের ভবিষ্যদ্বানী

“কখন সে দিন আসবে যখন সাদা চামড়ার বিদেশীরা শ্রীমায়াপুর ধামে আসবে এবং বাঙালী বৈষ্ণবদের সাথে সম্মিলিত হয়ে জয় শচীনন্দন, জয় শচীনন্দন বলে জপ কীর্তন করবে, কখন সেদিন আসবে।”

৭০টি গ্রন্থ!

প্রভুপাদ কৃষ্ণভাবনার বিজ্ঞানের ওপর প্রায় ৭০টি গ্রন্থ রচনা করেছিলেন এবং এজন্য তিনি প্রত্যহ মাত্র কয়েক ঘন্টা ঘুমাতেন। তিনি জীবনের শেষ ২০ বছরের মধ্যে ৬০ খন্ডেরও বেশী বৈদিক শাস্ত্র ইংরেজিতে অনুবাদ করেছিলেন। যার মধ্যে ছিল, শ্রীমদ্ভগবদ্গীতা ও শ্রীমদ্ভাগবত।

৩৫ দিন ভ্রমণ

জলদূতে ভ্রমণের সময় তার সঙ্গে ছিল ভারতীয় মুদ্রায় ৪০ রুপি এবং কয়েকটি গ্রন্থ। তাঁর সেসময় দুদিনে দু’বার হার্ট অ্যাটাক হয়েছিল। অবশেষে দীর্ঘ ৩৫ দিনের দীর্ঘ ভ্রমন শেষে তিনি সর্বপ্রথম আমেরিকার ব্রুকলিন জেটিতে পৌঁছান।

একটি স্বপ্ন

ত্রিবিক্রম : তারপর আপনি একটি স্বপ্ন দেখেছিলেন?
প্রভুপাদ : হ্যাঁ
হরিসৌরি : সেটি কি ছিল প্রভুপাদ
প্রভুপাদ : সেটি … (হাসি) স্বপ্নটি ছিল, আমাকে অবশ্যই এখানে আসতে হবে।
হরিসৌরি : আপনি কি কোনো নির্দেশনা পেয়েছিলেন?
প্রভুপাদ : স্বপ্নটি ছিল যে কৃষ্ণ তাঁর অনেক রূপে জলদূত জাহাজকে বয়ে নিয়ে যাচ্ছিল।

কৃষ্ণভাবনামৃত আন্দোলনের বৈশিষ্ট্য

“এরকম অনুষ্ঠানগুলোকে আমি অত্যন্ত স্বাগত জানাই। যেগুলো আমাদেরকে নানান বৈচিত্র্যের সুফল ও মূল্যবোধ উদ্‌যাপনে সহায়তা করে … তদুপরি ধর্মীয় বিশ্বাসের ক্ষেত্রে ইতিবাচক প্রকাশও প্রদর্শন করে থাকে, যেটি হলো কৃষ্ণভাবনামৃত আন্দোলনের বৈশিষ্ট্য।”

টনি ব্লেয়ার, প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী, যুক্তরাজ্য

হরেকৃষ্ণ বৃক্ষ

ভক্তদের জন্য যোগীপীঠের নিমবৃক্ষ এবং জগন্নাথ পুরীর সিদ্ধবকুল যেরকম অতীব তাৎপর্যপূর্ণ তেমনি টম্পকিন্স স্কয়ার পার্কে Elm বা বেদারুজাতীয় বৃক্ষটিও সম তাৎপর্যপূর্ণ। যেরকম মহাপ্রভু নিমবৃক্ষের নীচে আবির্ভূত হয়েছিলেন, তেমনি হরেকৃষ্ণ বৃক্ষটির নীচে আবির্ভূত হয়েছিল ইস্‌কন। সিদ্ধবকুলতলে যেরকম হরিদাস ঠাকুর হরিনাম জপ করেছিলেন তেমনি শ্রীল প্রভুপাদ এই বৃক্ষতলে হরিনাম জপ কীর্তন করেছিলেন।

১০৮টিরও বেশী স্থান

১৯৬৬-১৯৭৭ সাল পর্যন্ত প্রভুপাদ বিশ্বের প্রায় ১০৮টিরও বেশী স্থান পরিদর্শন করেন।

৬৫৭৯টিরও বেশি পত্র

শ্রীল প্রভুপাদ সারা বিশ্বে ইস্‌কনকে দক্ষতার সাথে ব্যবস্থাপনা করেছিলেন শুধুমাত্র পত্র আদান-প্রদান, ব্যক্তিগত সাক্ষাৎ এবং প্রায় টেলিফোন ব্যবহার ছাড়াই। তিনি ১৯৪৭-১৯৭৭ পর্যন্ত ৬,৫৭৯টিরও বেশী পত্র লিখেন।

৯০৭টি কথোপকথন

১৯৬৭-১৯৭৭ সাল পর্যন্ত শ্রীল প্রভুপাদ শিষ্যসহ বিভিন্ন জনের সাথে ৯০৭টি কথোপকথন করেন।

মাসে প্রায় ৩টি মন্দির

শ্রীল প্রভুপাদ ৬টি মহাদেশে ১০৮টি কৃষ্ণমন্দির প্রতিষ্ঠা করেছিলেন। প্রতিটি কেন্দ্রে রাধাকৃষ্ণ বিগ্রহ প্রতিষ্ঠা করে তিনি শিষ্যদেরকে বিগ্রহ অর্চন সম্পর্কে প্রশিক্ষণ দিয়েছিলেন। শুধুমাত্র ১৯৭০-৭১ এর মধ্যে অর্থাৎ ১ বছরে ৩২ টি নতুন মন্দির (মাসে প্রায় ৩টি) স্থাপন করেন।

টপচার্টে হরেকৃষ্ণ মন্ত্র

১৯৬৯ সালে প্রভুপাদ তার শিষ্যদেরকে লন্ডনে পাঠিছিলেন জর্জ হ্যারিসনের সাথে হরেকৃষ্ণ মন্ত্র নামে একটি রেকর্ডিংয়ের জন্য। এই রেকর্ডটি অ্যাপল কর্পোরেশনের সবচেয়ে দ্রুততম বিক্রির রেকর্ড গড়ে।
চেকোশ্লোভাকিয়াতে এটি টপচার্টের ৩ নম্বর,বৃটেনে ৯নম্বর এবং জার্মানি, জাপান, অস্ট্রেলিয়া, দক্ষিণ আফ্রিকা, যুগোস্লাভিয়াসহ আরো বিভিন্ন দেশে এটি সেবা দশের মধ্যে অবস্থান করে।

২০টিরও বেশি এলবাম

শ্রীল প্রভুপাদ সমগ্র জীবনে ভক্তিমূলক গানের ওপর ২০টিরও বেশী অ্যালবাম রেকর্ড করেন।

৫,৫০,০০,০০০!

১৯৭৬ সালে ২৫টি ভাষায় ৫ কোটি ৫০ লক্ষেরও অধিক গ্রন্থ প্রকাশিত হয় এবং প্রায় প্রতিটি দেশে সেগুলো বিতরণ হয়। ফলে বিবিটি হলো ভারতীয় ধর্ম ও দর্শনমূলক গ্রন্থের বিশ্বের সর্ববৃহৎ প্রকাশক।

৭৬টি ট্রেন কার!

শুধুমাত্র ভগবদ্গীতা যথাযথ গ্রন্থটি একবার ছাপাতে প্রয়োজন হয় ৭৬টি ট্রেন কার (মালবাহী ট্রেনের বগি) সমপরিমান কাগজ।

মাত্র ২মাস

১৯৭৪ সালে প্রভুপাদ বিবিটিকে নির্দেশ দেন মাত্র ২ মাসের মধ্যে ৭০ খণ্ডের গ্রন্থ প্রকাশের জন্য।

বার্ষিক ১০ লক্ষ ডলার!

১৯৭৬ সালে তিনি শিষ্যদের মন্দিরে অর্থ সহায়তার জন্য ১ম বারের মতো ধূপকাটির ব্যবসা শুরু করতে নির্দেশনা দেন। চার বছরের মধ্যে স্পিরিচুয়্যাল স্কাই লক্ষ ডলার করে আয় করে (যা ২০০৪-এ ৪৬ লক্ষ ডলারের সমান)।

ফুড ফর লাইফ

বর্তমানে ফুড ফর লাইফ ২১০টি প্রজেক্ট দৈনিক ২ মিলিয়ন প্যাকেট প্রসাদ সরবরাহ করছে। এটি এখন বিশ্বের সর্ববৃহৎ ফুড রিলিফ কার্যক্রম যেটি এমনকি জাতিসংঘের বিশ্ব খাদ্য কর্মসূচীকেও অতিক্রম করছে।

মাত্র ১৮ মাস

প্রভুপাদ সমগ্র চৈতন্য চরিতামৃতের পাণ্ডুলিপি (১৭ খণ্ডের) সম্পন্ন করেছিলেন মাত্র ১৮ মাসে।

৬২টি ইন্টারভিউ

১৯৬৮-৭৭ পর্যন্ত প্রভুপাদ মিডিয়াসহ বিভিন্ন জনের কাছে মোট ৬২টি ইন্টারভিউ দেন।

৩৬টি প্রবন্ধ

১৯৩৬-৭২ পর্যন্ত প্রভুপাদ বিবিধ বিষয়ের ওপর মোট ৩৬টি প্রবন্ধ লেখেন।

ছবি ও ডকুমেন্টারি

প্রভুপাদের বিভিন্ন মুহুর্ত নিয়ে প্রায় ৩০ হাজার ছবি এবং ৭০ ঘন্টার অধিক ডকুমেন্টারি ফিল্ম ফুটেজ সংরক্ষিত রয়েছে।

১৯১৪টি প্রবচন

 

প্রভুপাদ সারা বিশ্বের বিভিন্ন মন্দির কলেজ, বিশ্ববিদ্যালয়, জনসমাবেশসহ বিভিন্ন স্থানে মোট ১,৯১৪টি প্রবচন প্রদান করেন।

ইস্‌কনের ৭টি উদ্দেশ্য বাস্তবায়নে

১ম উদ্দেশ্য

সুসংবদ্ধ মানব-সমাজ ভগবৎ-তত্ত্বজ্ঞান প্রচার করা এবং সমস্ত মানুষকে পারমার্থিক জীবন যাপনে অনুপ্রাণিত হতে শিক্ষা দেওয়া, যার ফলে জীবনের যথার্থ উদ্দেশ্য সম্বন্ধে বিভ্রান্তি প্রতিহত হবে এবং জগতে যথার্থ সাম্য ও শান্তি প্রতিষ্ঠিত হবে।

প্রথম বৈদিক শিক্ষা প্রতিষ্ঠান

• শ্রীল প্রভুপাদ ইস্‌কনের প্রথম বিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা করেন ১৯৭২ সালে আমেরিকার ডালসে।
• প্রভুপাদ ইস্‌কনের বিজ্ঞান গবেষণামূলক শাখা ‘ভক্তিবেদান্ত ইনষ্টিটিউট’ প্রতিষ্ঠা করেন ১৯৭৩ সালে। শ্রীল প্রভুপাদের অনুপ্রেরণায় গরুর গাড়ির মাধ্যমে পদযাত্রার সূচনা ঘটে ১৯৭৩ সালে ভারতে।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here