এক নজরে শ্রীমতি রাধারাণী

0
55

শ্রীমতি রাধারাণীর তিনটি অমৃতের সাগর রয়েছে
১. করুণামৃত- অমৃতময় কৃপা
২. তরুণামৃত – অমৃতময় যৌবন
৩. লাবণ্যমৃত – অমৃতময় সৌন্দর্য

চন্দ্রপ্রভা সদৃশ রাধাকৃষ্ণের মিলন স্থানসমূহ:
১. বৃন্দাবন – যমুনার তীরে সুবিশাল কল্পবৃক্ষের নীচে
২. যাবৎ – রাধিকার প্রাসাদের পেছনের বন
৩. রাধাকুণ্ড – রাধিকার কুণ্ডের তীর
৪. গোবর্ধন পর্বত – পর্বতের শীর্ষে
৫. বর্ষাণা – রাধারাণীর পিতার প্রাসাদের সন্নিকটে
৬. নন্দগ্রাম – নন্দ মহারাজের আলয়ের সন্নিকটে
৭. সংকিত – নন্দগ্রাম ও বর্ষাণার মধ্যবর্তী স্থান
রাধারাণী পোষ্য প্রাণী:
১. বহু গাভী – সুনন্দা (যে সুন্দর শব্দ সৃষ্টি করতে সক্ষম), যমুনা, বহুলা (কালো গাভী) ইত্যাদি
২. বাছুর – টুঙ্গি (সবচেয়ে লম্বা)
৩. একটি বৃদ্ধ নারী বানর – কাখাটি
৪. একটি নারী হরিণ – রঙ্গিনী (সুন্দর দেহ)
৫. চকোরী পাখী – চারু চন্দ্রিকা (চন্দ্র প্রভার মত যার দেহ)
৬. একটি রাজহংসী – তুন্ধীকারী (রাধাকুণ্ডে অবস্থান করেন)
৭. একটি ময়ূরী – তুন্ধিকা (যার রয়েছে সুন্দর পালক)
৮. ২টি কথা বলা টিয়া পাখী – সুক্সুমাধী (যার প্রখর বুদ্ধিমত্তা), সুভা (মঙ্গলজনক)

রাধাকৃষ্ণের ৮ টি যোগপীঠ:
(ভক্তিরত্মাকর হতে উদ্ধৃত)
১. চন্দ্রাবলী দুর্দয়ং – যেখানে চন্দ্রাবলীকে দূরে নিক্ষেপ করা হয়েছিল
২. রাধা-সৌভাগ্য-মন্দিরং – রাধারাণী বিবাহ পরবর্তী রূপের মন্দির
৩. শ্রীরত্ন মন্ডপম – দিব্য রত্নের তাম্বু (পটমণ্ডপ/ আচ্ছাদন)
৪. শ্রীরঙ্গ মন্ডপম – দিব্য অলঙ্করণ তাম্বু
৫. সৌভাগ্য-মন্ডপম – দিব্য সৌভাগ্যের তাম্বু
৬. মহা মাধুর্য্য মন্ডপম – মহা মাধুর্য্যময় তাম্বু
৭. সোমরাজ্য মণ্ডপম – বৈশি^র সার্বভৌমত্বের তাম্বু
৮. সুরত মন্ডপম – প্রণয়ী প্রেমের তাম্বু

শ্রীমতি রাধারাণীর ১৬টি বিশেষ নাম:
১. রাধা – যিনি পরম আশির্বাদ প্রদায়ক
২. রসেশ্বরী – যিনি রাসনৃত্যের দেবী
৩. রস ভাসিনী – যিনি রাসনৃত্যর অভ্যন্তরে অবস্থান করেন
৪. রসিকাশ্বেরী – তিনি সকল দিব্য সুরের দেবী
৫. কৃষ্ণ প্রাণাধিকা – কৃষ্ণের নিজের জীবনের চেয়ে অধিক প্রিয় যিনি
৬. কৃষ্ণপ্রিয়া – কৃষ্ণের প্রিয়তম সঙ্গী
৭. কৃষ্ণ স্বরূপিনী – তিনি কৃষ্ণের স্বরূপ
৮. কৃষ্ণবামঙ্গ সম্ভুত- যিনি কৃষ্ণের বাম অঙ্গ থেকে প্রকাশিত
৯. পরমানন্দরূপীনি- যিনি পরমানন্দ প্রদান করেন।
১০. কৃষ্ণ – যিনি পরমমুক্তি প্রদায়তা
১১. বৃন্দাবনী – যিনি সবর্দাই বৃন্দাবনে অবস্থান করেন
১২. বৃন্দা – যিনি সবর্দাই গোপী ও সখী পরিবৃত্ত থাকেন
১৩. বৃন্দাবন-বিনোদিনী – যিনি সবর্দাই বৃন্দাবনে লীলা আস্বাধন করেন
১৪. চন্দ্রাবলী – যিনি সহস্র চন্দ্রের শোভা বর্ধিনী
১৫. চন্দ্রকান্ত – যিনি চন্দ্রের আভা উৎগীরণ করেন।
১৬. সারক চন্দ্র প্রবোধন – যার মুখমণ্ডল পূর্ণিমার চন্দ্রের ন্যায়।
রাধাকৃষ্ণ এক:
শ্যামা-রহস্যপনিষদ অনুসারে :
“আদিপুরুষ ভগবান ছিলেন কেবলি একজন। কিন্তু সময়ের পরিক্রমায় যখন তিনি নিজেই নিজেকে আরাধনা করার অভিলাষ করলেন, তৎক্ষণাৎ তিনি দুইজন হয়ে গেলেন। তারা হলেন রাধা-কৃষ্ণ।”
রাধা-তাপনী উপনিষদ অনুসারে:
“রাধাকৃষ্ণ হলেন কৃপার সাগর। তারা আলাদা নন। তারা লীলাবিলাসের উদ্দেশ্যে ভিন্ন অবয়বে উপস্থিত হন।”

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here