পাটনায় ইস্‌কন মন্দিরের শুভ উদ্বোধন

প্রকাশ: ১৮ জুন ২০২২ | ১২:১৬ অপরাহ্ণ আপডেট: ১৮ জুন ২০২২ | ১২:১৬ অপরাহ্ণ

এই পোস্টটি 178 বার দেখা হয়েছে

পাটনায় ইস্‌কন মন্দিরের শুভ উদ্বোধন

নিজস্ব প্রতিবেদক: ৩ মে অক্ষয় তৃতীয়ার পূণ্যলগ্নে বিহার রাজ্যে শ্রীশ্রী রাধাবঙ্কুবিহারী মন্দির প্রতিষ্ঠিত হয়। এটি বৈদিক সংস্কৃতি চর্চার জন্য বিহারের সবচাইতে বড় মন্দির। এই উপলক্ষে পাচঁদিন ব্যাপী বিভিন্ন মাঙ্গলিক অনুষ্ঠান আয়োজিত হয়। সমগ্র বিশ্ব হতে আগত সন্ন্যাসী এবং বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গেরা এই দিনে উপস্থিত ছিলেন। প্রায় ১৫০০ জন দশনার্থী উক্ত অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন। এছাড়া, উক্ত অনুষ্ঠানকে আলোকিত করেন ইস্‌কন জিবিসি ও দীক্ষা গুরু শ্রীমৎ জয়পতাকা স্বামী মহারাজ, শ্রীমৎ গোপালকৃষ্ণ গোস্বামী মহারাজ, শ্রীমৎ লোকনাথ স্বামী মহারাজ, শ্রীমৎ ভক্তিপুরুষোত্তম স্বামী মহারাজ এবং শ্রীমান নাড়ুগোপাল দাস (জিবিসি প্রতিনিধি)। ৮৪টি পিলারের উপর নির্মিত এই মন্দির এক অদ্ভুত নিদর্শন। বিহারে আধ্যাত্মিক বিষয়ে চর্চার জন্য এটি এক বিরাট কেন্দ্র। মন্দিরটি বুদ্ধমার্গ এলাকায় দুই একর জমিতে প্রতিষ্ঠিত। এটি ১০৮ ফুট উঁচু এবং ৪ তলা বিশিষ্ট, এতে প্রায় ১০০ কোটি টাকা ব্যয় হয়েছে। এর ভেতরের অপূর্ব নকশা তৈরি হতে প্রায় ১২ বছর লেগেছে। রাজস্থান হতে আসা মার্বেল পাথরে এখানে অপূর্ব নকশা করা হয়েছে। এই নকশায় নাগশৈলী উপস্থাপন করা হয়েছে। এসব নকশা গুজরাটের বিশিষ্ট শিল্পীরা করেছেন। রাজস্থানের বেলে পাথর এখানে ব্যবহৃত হয়েছে। মার্বেলসমূহ মাকরানা হতে আনা হয়েছে। এখানে অপূর্ব কারুকাজ সমন্বিত প্রায় ৭০টি অতিথিশালা আছে। এখানে আলো বাতাসের সুব্যবস্থা আছে।
এখানে শীতাতাপ নিয়ন্ত্রিত ব্যবস্থাও আছে। কিন্তু এগুলো না থাকলেও মন্দিরে শীতল পরিবেশ সর্বদা বিরাজ করবে। এই মন্দির খুব পরিবেশবান্ধব। এখানে তিন দরজা বিশিষ্ট গেইটের যে প্রধান গেইট, সেটি দেখলেই বোঝা যায় ভেতরটা আরো কতটা সুন্দর হতে পারে। এখানে তিনটি আলাদা আলাদা বেদী আছে। সবচেয়ে ডানে শ্রীরামচন্দ্র, লক্ষ্মণ, সীতাদেবী ও হনুমান, মাঝখানে শ্রী বঙ্কুবিহারী সর্ববামে গৌর নিতাই রয়েছে।


চৈতন্য সন্দেশ জুন-২০২২ প্রকাশিত
সম্পর্কিত পোস্ট

‘ চৈতন্য সন্দেশ’ হল ইস্‌কন বাংলাদেশের প্রথম ও সর্বাধিক পঠিত সংবাদপত্র। csbtg.org ‘ মাসিক চৈতন্য সন্দেশ’ এর ওয়েবসাইট।
আমাদের উদ্দেশ্য
■ সকল মানুষকে মোহ থেকে বাস্তবতা, জড় থেকে চিন্ময়তা, অনিত্য থেকে নিত্যতার পার্থক্য নির্ণয়ে সহায়তা করা।
■ জড়বাদের দোষগুলি উন্মুক্ত করা।
■ বৈদিক পদ্ধতিতে পারমার্থিক পথ নির্দেশ করা
■ বৈদিক সংস্কৃতির সংরক্ষণ ও প্রচার। শ্রীচৈতন্য মহাপ্রভুর নির্দেশ অনুসারে ভগবানের পবিত্র নাম কীর্তন করা ।
■ সকল জীবকে পরমেশ্বর ভগবান শ্রীকৃষ্ণের কথা স্মরণ করানো ও তাঁর সেবা করতে সহায়তা করা।
■ শ্রীচৈতন্য মহাপ্রভুর নির্দেশ অনুসারে ভগবানের পবিত্র নাম কীর্তন করা ।
■ সকল জীবকে পরমেশ্বর ভগবান শ্রীকৃষ্ণের কথা স্মরণ করানো ও তাঁর সেবা করতে সহায়তা করা।