জীবন্ত ভাগবত শ্রীল প্রভুপাদ

0
51

হরিশৌরি দাস

শ্রীমদ্ভাগবতে এবং বিভিন্ন পারমার্থিক কাব্যগ্রন্থে কৃষ্ণভক্তির পূর্ণ বিবরণ প্রদান করা হয়েছে। সেই সমস্ত গ্রন্থ পাঠ করলে মনে হবে যে, কৃষ্ণভক্তির এই ব্যাপক বিষয়বস্তুসমূহ হৃদয়ঙ্গম করতে অনেক সময় লাগবে। কিন্তু প্রতিটি মুহূর্তে শ্রীল প্রভুপাদের জীবনধারার মধ্যে সেই সমস্ত দিব্য পারমার্থিক গ্রন্থের সবকিছুই প্রত্যক্ষভাবে দর্শন করা যেত।
একবার বৃন্দাবনে শ্রীল প্রভুপাদের সঙ্গে টানা দশদিন আমি তাঁর কক্ষে থাকতে পেরেছিলাম। সারাদিন আর সারা রাত, সর্বক্ষণ তিনি কি কি করছেন, কি কি বলছেন, তাঁর সমস্ত আচরণই প্রত্যক্ষভাবে দর্শন করার সুযোগ আমি লাভ করেছিলাম। শ্রীল প্রভুপাদের একান্ত সেবক হিসেবে তিনি আমাকে প্রথম যে নির্দেশ প্রদান করেছিলেন সেটি হল “এখন সারা দিন চব্বিশ ঘণ্টাই আমার সঙ্গে থাকা—এই হবে তোমার একমাত্র কাজ।” একমাত্র ঘুমানোর সময় ছাড়া আমি অবশ্যই সেই নির্দেশ আক্ষরিক অর্থেই গ্রহণ করেছিলাম। সেই সময়ে একটি বিষয়ই আমি সব থেকে স্পষ্টভাবে হৃদয়ঙ্গম করেছিলাম যে, শ্রীল প্রভুপাদ এক জীবন্ত শ্রীমদ্ভাগবতের মতো। এই বিষয়টি উপলব্ধি করে আমি স্থির করেছিলাম যে, যতদূর সম্ভব শ্রীল প্রভুপাদের সঙ্গে বৃন্দাবনে এই দশদিন থাকবার সুযোগের সদ্ব্যবহার করতে হবে। তিনি কিভাবে কি করছেন, কিভাবে সবকিছু পরিচালনা করছেন, কিভাবে কথা বলছেন, কিভাবে হাঁটছেন কিভাবে  বিশ্রাম করছেন এবং ভিন্ন ভিন্ন ব্যক্তির সঙ্গে তিনি কিরকম আচরণ করছেন এই সমস্ত কিছুই হল বিশেষভাবে লক্ষ্য করার মতো কৃষ্ণভক্তির শ্রেষ্ঠ উদাহরণ।
শ্রীল প্রভুপাদের মধ্যে এমন এক অতুলনীয় দিব্য ক্ষমতা ছিল যে, তিনি সর্বক্ষেত্রেই শ্রীকৃষ্ণকে দর্শন করতেন। আমাদের নিকট সেসব তিনি বর্ণনা করলে বা আমাদের বোঝার জন্য ব্যাখ্যা করলে আমরাও সেই দর্শনাভূতি লাভ করতাম। প্রতিটি মুহূর্তেই তিনি আমাদের যথার্থ শিক্ষা প্রদান করে গেছেন। শ্রীল প্রভুপাদের জীবনে গোপন করার মতো কিছু ছিল না। কেননা তাঁর প্রাত্যহিক জীবনচর্যা ছিল একজন আদর্শ আচার্যের। অর্থাৎ প্রতিদিন, প্রতি মূহূর্তে শ্রীল প্রভুপাদ আমাদের দৃষ্টান্তের মাধ্যমে শিক্ষা প্রদান করতেন।
শ্রীল প্রভুপাদের খাওয়া দাওয়াও ছিল খুব সাধারণ। যখন তিনি বিদেশে থাকতেন, তখন তাঁর প্রাতঃরাশের মধ্যে থাকতো কয়েকটি ফলের টুকরো, আর সদ্য ভেজে দেয়া কাজু বাদাম। কিন্তু তিনি যখন ভারতবর্ষে থাকতেন তখন তাঁর প্রাতঃরাশ ছিল এক বাটি মুড়ি আর একটি সন্দেশ। মধ্যাহ্নে তাঁর জন্য থাকতো ডাল আর চাপাটি (হাত রুটি), স্বল্প অন্ন, একটি শুকনো সবজী আর একটি রসালো সবজী এবং মাঝে মাঝে একটি মিষ্টি। এই কয়েকটি পদ তাঁর জন্য আবশ্যিকভাবে নির্দিষ্ট ছিল। তবে কখনো কোথাও রাঁধুনি ভালো থাকলে শ্রীল প্রভুপাদ তাঁর পছন্দ মতো আরো দু’একটি পদ যোগ করতেন।
শ্রীল প্রভুপাদ গরম হাতরুটি খুব পছন্দ করতেন। উনি যখন প্রসাদ সেবায় বসতেন তখন তাঁর প্রসাদ গ্রহণের স্থানে একটি ঘণ্টা রাখা থাকতো। প্রথমে প্রসাদের থালা আনার সময় তাতে একটি গরম হাতরুটি থাকতো। সেটি খাওয়া শেষ হলেই তিনি ঘণ্টাটি বাজাতেন আর আমি সঙ্গে সঙ্গে উনোন থেকে নামানো ফুলে ওঠা আরো একটি গরম রুটি নিয়ে হাজির হতাম।
আমি যখন শ্রীল প্রভুপাদের সঙ্গে থাকতাম তখন লক্ষ্য করেছিলাম যে, ওনার মধ্যাহ্ন ভোজনের নির্ধারিত সময় ছিল দুপুর দেড়টা। তাতে তাঁর মালিশ বা অন্যান্য সেবা যখনই শেষ হোক না কেন। দুপুর দেড়টায় ওনার প্রসাদ সেবা ছিল নির্ধারিত। তিনি বলতেন, নির্ধারিত সময়ে নিয়মিত খাওয়া উচিত। কেননা খাওয়ার চিন্তা অনুসারে


শ্রীল প্রভুপাদ প্রায়ই ব্যাখ্যা করে বোঝাতেন, মানুষকে কৃষ্ণভক্ত করার একটি পদ্ধতি হচ্ছে প্রচুর পরিমাণে প্রসাদ বিতরণ করা। তিনি বলতেন, যে “মানুষের জীবনযাত্রা প্রায় পশুর মতো। দেহ ছাড়া ওরা আর কিছুই বোঝে না। কমপক্ষে প্রসাদ পাক, সেটিও তো কৃষ্ণই” ।


পাকস্থলীতে পাচকরস নিঃসৃত হয়। আর তখন সেই অনুযায়ী খাবার খেতে হবে। অন্যথায় শরীরে ব্যাধির সৃষ্টি হবে। এটি চিকিৎসা বিজ্ঞানের সিদ্ধান্ত। শ্রীল প্রভুপাদ এ বিষয়ে অত্যন্ত সচেতন ছিলেন। তাছাড়া শ্রীল প্রবুপাদের কখনো কখনো হজমের সমস্যা হতো। তাই তাঁকে নিয়মিতভাবে উচ্চমানের প্রসাদ পাওয়ানো ছিল অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। দুঃখের বিষয়, আমি রান্নাতে মোটেও ভাল ছিলাম না।
একবার অস্ট্রেলিয়া থেকে শ্রীল প্রভুপাদের সঙ্গে নিউজিল্যান্ডে গেলাম। কিন্তু ওখানে কিভাবে বৈদিক পদ্ধতিতে রান্না করতে হয় কেউই তা জানতো না। তাই সেই প্রথমবার আমাকেই সবকিছু করতে হলো। আমি কুকারে সবকিছু সাজিয়ে সেটি উনানে বসিয়ে শ্রীল প্রভুপাদকে মালিশ করতে গেলাম। মালিশ শেষে কুকারের কাছে ফিরে এসে দেখলাম, সব শেষ হয়ে গেছে। কুকারে আগুন খুব জোরে দেওয়া ছিল। ফলে ডালটা তলায় শুকিয়ে গেছে, অন্নগুলো হয়েছে কাঁদার মতো, সবজিগুলোও গলে শেষ। নতুন করে রান্না করার মতো আর কিছু অবশিষ্টও নেই। সুতরাং নিরুপায় হয়ে যা হয়েছে সেটাই শ্রীল প্রভুপাদকে পরিবেশন করতে হল। প্রসাদ গ্রহণ করতে বসে শ্রীল প্রভুপাদ সেসব দেখে অত্যন্ত অসন্তুষ্ট হয়ে আমাকে প্রশ্ন করলেন-‘এসব কী হয়েছে?’ আমি মাথা নথ করে বললাম-‘কুকারে আগুন বেশী দেয়াতে এমন হয়েছে।” শ্রীল প্রভুপাদ আমাকে বললেন, “তুমি একটি আস্ত বোকা। তোমার দ্বারা রান্না হবে না।” বলা বাহুল্য সেটিই ছিল আমার প্রথম রান্নার করার বিধ্বংসী প্রচেষ্টা। আমার খুব খারাপ লাগছিল এই ভেবে যে, যেহেতু শ্রীল প্রভুপাদের খাবার যথাযথভাবে হয়নি, হজমের গণ্ডগোল হয়ে হয়তো তাঁর শারীরিক অসুস্থতা হতে পারে। কিন্তু কৃষ্ণ রক্ষা করেছিলেন ।
শ্রীল প্রভুপাদ সব ব্যাপারেই নিয়মানুবর্তিতা পছন্দ করতেন। একবার কলকাতায় শ্রীল প্রভুপাদের পালিকা নামের এক শিষ্যা প্রভুপাদের জন্য রান্না করেছিল। প্রভুপাদ প্রসাদ সেবার জন্য বসেছেন। কিন্তু তাঁর প্রসাদ আনতে প্রায় দশ মিনিট দেরী হয়ে গেছে। শ্রীল প্রভুপাদ ক্রুদ্ধ হয়ে পালিকাকে কঠোরভাবে ভর্ৎসনা করলেন। তাঁর অন্য কোনো শিষ্যাকে আমি কখনো ঐভাবে ভর্ৎসনা করতে দেখিনি । শ্রীল প্রভুপাদ ব্যাখ্যা করে বলেছিল “ক্ষিধে পেলে অবশ্যই খেতে হবে। অন্যথায় শরীরে ব্যাধির উপদ্রব বেড়ে যাবে”।
শ্রীল প্রভুপাদের উপস্থিতি আমার কাছে ছিল অত্যন্ত আনন্দদায়ক। আমাদের সঙ্গে শ্রীল প্রভুপাদের নিয়মিত সম্পর্কটি ছিল গুরু শিষ্যের। সেটি যাতে লঙ্ঘিত না হয় সে জন্য আমাদের সর্বদা সাবধান থাকতে হতো। তা সত্ত্বেও নানা ঘটনায় শ্রীল প্রভুপাদ সবকিছুই মানিয়ে নিতেন। তিনি ছিলেন সকলের প্রতি অপূর্ব স্নেহমণ্ডিত ও বিনীত এক ব্যক্তি। প্রকৃতপক্ষে বলা যায়ম তিনিই আমাদের সেবা করেছিলেন। পারমার্থিক জীবনের সুযোগ প্রদান করার জন্য তিনি আমাদেরকে বিভিন্নভাবে সহায়তার হাত বাড়িয়ে দিয়েছিলেন। আর তার বিনিময়ে আমরা তাঁর সেবা করতে অনুপ্রাণিত হয়েছি মাত্র। সেই সেবার প্রেরণা শক্তিও ছিলেন শ্রীল প্রভুপাদ স্বয়ং। শ্রীল প্রভুপাদের স্নেহ আর করুণা, এই দুটি গুণ আমাকে সব থেকে বেশী প্রভাবিত করেছে। শ্রীল প্রভুপাদের সঙ্গে থাকলে আপনি তৎক্ষণাৎ উপলব্ধি করতে পারবেন যে, আপনার কল্যাণের জন্য তিনি যথার্থই সদা সর্বদা সচেতন। সর্বদাই তিনি আনন্দের সমাদর করতেন। আমার যে কোনো না কোনোভাবে গুরুত্ব রয়েছে, সে বিষয়টি তিনি সর্বদা স্মরণ করিয়ে দিতেন। তিনি আমাদের উৎসাহিত করতেন। ভুল করলে, বিভিন্ন সময়ে তিরস্কারও করতেন, কিন্তু সেই সমস্ত তিরস্কার ছিল প্রশংসা করারই মতো আর তাতে আমাদের কৃষ্ণচেতনা বর্ধিত হয়েছে। আমরা বুঝতে পারতাম যে, আমাদের প্রতি শ্রীল প্রভুপাদের আচরণ, সমস্তটাই ছিল আত্যন্তিক কল্যাণের জন্য উদ্দিষ্ট। কোনোভাবেই তা কখনো জাগতিক উদ্দেশ্য প্রণোদিত ছিল না।
শ্রীল প্রভুপাদও আমাদের সঙ্গে থাকতে ভালোবাসতেন। সর্বদাই তিনি আমাদের প্রশংসা করে বলতেন যে, এই সমস্ত যুবক যুবতীরা কৃষ্ণভাবনামৃত আন্দোলন প্রচারের জন্য তাদের জীবনের সর্বশ্রেষ্ঠ সময়টাই উৎসর্গ করেছে।
আমি পূর্বেই উল্লেখ করেছি যে, তাঁর জীবন ছিল লক্ষ্য করার মতো সুশৃঙ্খল এবং তিনি ছিলেন কঠোর নিয়মানুবর্তী। এই বিষয়টি আমাকে সর্বদাই চমৎকৃত করতো। আমরা সারা বিশ্বে ভ্রমণ করেছিলাম, কিন্তু শ্রীল প্রভুপাদ সর্বত্রই একভাবে কার্যক্রম বজায় রাখতেন। সারা দিন, রাত তিনি একইভাবে কাজ করতেন। তিনি ছিলেন সম্পূর্ণ অবিচলিত। সহজে বিরক্ত হতেন না। মাঝ রাত্রে জেগে উঠে তিনি গ্রন্থ অনুবাদ করতেন। প্রাতঃভ্রমণে যেতেন। শরীরে মালিশ করাতেন। যা কিছুই হোক না কেন, তিনি সবকিছুই সময় মতো করতেন। রোজ একই সময়ে আহার করতেন। আমরা বিশ্বের কোথায় যাচ্ছি তাতে কিছু আসে যায় না। ভ্রমণ করতে করতে আমি ক্লান্ত হয়ে পড়তাম। কিন্তু শ্রীল প্রভুপাদকে দেখে মনে হতো, তিনি এই সমস্ত থেকে সম্পূর্ণ উর্ধ্বে। এই সমস্ত ব্যাপার তাঁকে মোটেও প্রভাবিত করতে পারতো না। কখনো তাঁর মধ্যে আমি ক্লান্তি বা বিরক্তি দেখতে পাইনি।
শ্রীল প্রভুপাদ ছিলেন সমস্ত দিকেই অত্যন্ত দক্ষ। যে কোনো লোকের মতবাদের ভিত্তি তিনি তৎক্ষণাৎ ধরে ফেলতেন। ভারতবর্ষে শ্রীমদ্ভগবদ্‌গীতার বিভিন্ন প্রকার ভাষ্য, ভুল ধারণা এবং বিকৃতার্থ সর্বদাই ছিল। মানুষকে পরম পুরুষোত্তম ভগবান শ্রীকৃষ্ণ সম্বন্ধে সচেতন করে রাখতে শ্রীল প্রভুপাদ ছিলেন সর্বদা সুনিপুণ ।
একবার শ্রীল ভক্তিসিদ্ধান্ত সরস্বতী ঠাকুরের তিরোভাব তিথির সময়ে আমরা মুম্বাইতে ছিলাম। ঐদিন বিকেলে জনৈক ভদ্রমহিলা ছিলেন এক বিখ্যাত মায়াবাদী গুরুর অনুগামিনী। কথোপকথনের সময়ে ভগবদগীতার দর্শন নিয়ে আলোচনা হচ্ছিল। ঐ ভদ্রমহিলা কৃষ্ণের কথা বিষয়ে তাঁর গুরুর ভাষ্য উত্থাপন করলেন। ভদ্রমহিলা বললেন, তাঁর গুরুদেব লিখেছেন কৃষ্ণ মানে অন্ধকার। অন্ধকার মানে অজ্ঞাত। তাই পরম-তত্ত্ব হচ্ছে জ্ঞানাতীত, পরম অব্যক্ত। শ্রীল প্রভুপাদ সঙ্গে সঙ্গে ঐ ভদ্রমহিলাকে বললেন, “বেশ, অন্ধকার মানে যদি অজ্ঞাত হয়, আর কৃষ্ণ যদি অজ্ঞাতব্য হন, তাহলে তিনি নিশ্চয়ই কৃষ্ণকে জানতে পারেন নি। তাহলে তিনি কৃষ্ণের কথা, ভগবদগীতার ওপর ভাষ্য রচনা কেন করেছেন?” শ্রীল প্রভুপাদ আরো বললেন, “শ্রীকৃষ্ণ বলেছেন, কেবল তাঁর ভক্তই তাঁকে জানতে পারেন। এই ব্যক্তি যেহেতু ভক্ত নন তাই তিনি কৃষ্ণকে জানতে পারেন না। ভক্তরাই কেবল ভগবদ্‌গীতার ভাষ্য করতে পারেন।”
শ্রীল প্রভুপাদ কৃষ্ণপ্রসাদের ওপর অত্যন্ত গুরুত্ব আরোপ করতেন। শ্রীল প্রভুপাদ প্রায়ই ব্যাখ্যা করে বোঝাতেন, মানুষকে কৃষ্ণভক্ত করার একটি পদ্ধতি হচ্ছে প্রচুর পরিমাণে প্রসাদ বিতরণ করা। তিনি বলতেন, যে “মানুষের জীবনযাত্রা প্রায় পশুর মতো। দেহ ছাড়া ওরা আর কিছুই বোঝে না। কমপক্ষে প্রসাদ পাক, সেটিও তো কৃষ্ণই”। তিনি আরো বলতেন, আমাদের কার্যক্রম হচ্ছে মানুষকে ক্রমশ কৃষ্ণভক্ত হতে সাহায্য করা। কেবল প্রসাদ পাওয়ার মাধ্যমে ওরা ধীরে ধীরে কৃষ্ণের প্রতি আকর্ষণ বোধ করবে। আর তা হলেই, কেবলমাত্র কৃষ্ণপ্রসাদ গ্রহণ করে ওরা কৃষ্ণভক্তির দর্শন হৃদয়ঙ্গম করতে সক্ষম হবে।” মানুষের পারমার্থিক অগ্রগতি লাভের জন্য তাই কৃষ্ণপ্রসাদ বিতরণ হচ্ছে একটি সুনিশ্চিত পন্থা।


 

জানুয়ারি-মার্চ ২০১৫ ব্যাক টু গডহেড

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here