চিকিৎসার চারটি স্তম্ভ

0
52

রোগ ব্যাধির চিকিৎসার ক্ষেত্রে যে চারটি বিষয় সম্পর্কে প্রাচীন চিকিৎসা বিজ্ঞান খ্যাত আয়ুর্বেদ শাস্ত্রে উল্লেখ রয়েছে।

শ্রীমৎ প্রহ্লাদানন্দ স্বামী


প্রাচীন আয়ুর্বেদ শাস্ত্র, চক্র সংহিতায় চিকিৎসার চারটি আবশ্যিক স্তম্ভ সম্পর্কে উল্লেখ করা হয়েছে, যেগুলো হলো: চিকিৎসক, নার্স, ঔষধ ও রোগী। এই স্তম্ভগুলোর বৈশিষ্ট্য চিকিৎসার ক্ষেত্রে বিস্তৃত প্রভাব রাখে। এক্ষেত্রে আরো একটি অধিক গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো পরমেশ্বর ভগবান। এ বিষয়ে প্রহ্লাদ মহারাজ বলেন যে, কারো সুরক্ষা বিধানের জন্য পিতা মাতার সুরক্ষা বিধান, একটি মজবুত নৌকা কিংবা একজন ভালো ডাক্তারই যথেষ্ট নয়। চরমে সবকিছুরই পরম আশ্রয় হলেন পরমেশ্বর ভগবান শ্রীকৃষ্ণ এবং শুধুমাত্র ভগবান যদি ইচ্ছা প্রকাশ করেন তবেই একজন ব্যক্তি সুরক্ষা লাভ করেন। পরমেশ্বর ভগবানের ইচ্ছার মাধ্যমে উপরোক্ত চারটি স্তম্ভের অস্তিত্বও নির্ধারিত হয়। প্রথমে একজন কার্যকরী চিকিৎসকের মৌলিক গুণাবলী সম্পর্কে আলোকপাত করা যাক।
একজন চিকিৎসকের আয়ুর্বেদ শাস্ত্র সম্পর্কে জ্ঞান থাকা উচিত (কিংবা ঔষধ সম্পর্কে পূর্ণ জ্ঞান থাকা উচিত।) তাদের মধ্যে ব্যবহারিক অভিজ্ঞতাও থাকতে হবে। যেহেতু আরোগ্যবিধান যুক্তির মাধ্যমে প্রভাবিত হয় কিংবা বিভিন্ন বিষয়কে যথাযথভাবে সম্মিলিত করা হয়, সেক্ষেত্রে তত্ত্বগত জ্ঞানই শুধুমাত্র যথেষ্ট নয়। চিকিৎসকদের অভিজ্ঞতার আলোকে বিভিন্ন রোগ ব্যাধির কারণ এবং সেগুলো থেকে আরোগ্য লাভের জন্য যে ভিন্ন ভিন্ন পন্থা রয়েছে সে সম্পর্কে সচেতন থাকা প্রয়োজন।
এমনকি মনোভাবের ক্ষেত্রেও চিকিৎসকের শুদ্ধ হওয়া উচিত। অর্থাৎ তাদেরকে সত্ত্বগুণী হওয়া উচিত এবং সত্যবাদিতা, পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা, ইন্দ্রিয় ও মন নিয়ন্ত্রণ ও শাস্ত্র সম্পর্কে অবগত থাকা এমন সব গুণাবলীর অধিকারী হওয়া উচিত।
তমোগুণ ও রজোগুণে অধিষ্ঠিত চিকিৎসকের রয়েছে অলসতা মনোভাব ও মাত্রাতিরিক্ত ব্যবসায়িক চিন্তা। এক্ষেত্রে গরীব রোগীদের যথাযথভাবে চিকিৎসা করার ক্ষেত্রে সদিচ্ছার অভাব থাকে।
দ্বিতীয়ত, নার্স বা সেবিকাদের অবশ্যই চিকিৎসকদের নির্দেশাবলী উত্তমভাবে বুঝে যথাযথ পালন করতে হবে। একজন সেবিকাকে অবশ্যই রোগীর প্রতি দায়িত্বপরায়ন ও সহানুভূতিশীল হতে হবে এবং সে সাথে তাদের দায়িত্ব ও সচেতনতা সর্বক্ষেত্রে স্বচ্ছ ও শুদ্ধ থাকতে হবে।
তৃতীয়ত, স্থান, কাল ও পাত্রভেদে রোগের প্রতিকার হওয়া উচিত শুদ্ধ ও প্রবলভাবে কার্যকরী এবং সঠিক। এটি অবশ্যই সঠিক সময়ে ও যথাযথ ভোজনের মাধ্যমে প্রতিপালন করতে হবে। বিবিধ উপায়ে এই আরোগ্য বিধান সম্পাদিত হওয়া উচিত। দৃষ্টান্তস্বরূপ, আমাদের উপলব্ধি করা উচিত যে, হজম শক্তিকে নিয়ন্ত্রণ করার জন্য ও ভারসাম্য প্রদানের জন্য যা কিছু রয়েছে তা হলো ঔষধ স্বরূপ; যা হজম অগ্নিকে বিচলিত করে তা হলো বিষ স্বরূপ; এবং যা সহজে হজম হয় তাই হল সঠিক খাদ্য। যা হোক, “প্রকৃতপক্ষে একজন মানুষের খাদ্য, অন্য একজন মানুষের জন্য বিষ হতে পারে।” ঠাণ্ডা (একটি কফের ভারসাম্যহীনতা) থেকে উৎপন্ন দুর্ভোগ লাঘব হতে পারে গরম মসলার মাধ্যমে, যা শরীরের হজমশক্তি বৃদ্ধি করে অথবা শ্লেস্মা বর্জন করে। অপরদিকে, একজন আলসারে (একটি পিত্তজনিত অবস্থা) আক্রান্ত ব্যক্তির ক্ষেত্রে তা অত্যন্ত ভিন্ন প্রতিক্রিয়া প্রদর্শন করবে। কেননা গরম মসলা সেই পিত্তজনিত অবস্থার প্রকোপ বৃদ্ধি করে।
চতুর্থত, একজন রোগীকে রোগের আরোগ্য বিধানের জন্য যা কিছু প্রয়োজন তা করার জন্য ইচ্ছুক হতে হবে। তাদেরকে অবশ্যই নার্স ও চিকিৎসকের দিক-নির্দেশনা উপলব্ধি করার চেষ্টা করতে হবে এবং সেগুলো সতর্কভাবে অনুসরণ করতে হবে। তারা যেন অবশ্যই ভয় ও উদ্বিগ্নতায় আতঙ্কিত না হন। রোগীদের মধ্যে নেতিবাচক আবেগ আরো জটিলতার সৃষ্টি করতে পারে।


চক্র সংহিতায় চার প্রকার লোকের কথা বলা হয়েছে যাদের রোগের আরোগ্য বিধান হবে না তাদের মধ্যে অন্যতম হলো যারা স্বাস্থ্যের পূর্বে ক্যারিয়ারকে অগ্রাধিকার দেয় এবং ধর্মান্ধ। এরকম ব্যক্তিরা তাদের সমস্যার প্রতিকার হবে তা প্রত্যশা করতে পারে না এবং তারা সাধারণত শুধুমাত্র রোগ-ব্যাধিগুলোর লক্ষণসমূহকে প্রচ্ছন্ন রাখার মাধ্যমেই সন্তুষ্টি লাভ করে।


মাঝে মাঝে, রোগীরা প্রকৃতই আরোগ্য বিধান হচ্ছে কিনা সে বিষয়ে খুব একটা আন্তরিক হয় না। অন্যান্য বাধ্যবাধকতা তাদের শারীরিক বা মানসিক অসুস্থতার ওপর প্রাধান্য বিস্তার করতে পারে।
চক্র সংহিতায় চার প্রকার লোকের কথা বলা হয়েছে যাদের রোগের আরোগ্য বিধান হবে না তাদের মধ্যে অন্যতম হলো যারা স্বাস্থ্যের পূর্বে ক্যারিয়ারকে অগ্রাধিকার দেয় এবং ধর্মান্ধ । এরকম ব্যক্তিরা তাদের সমস্যার প্রতিকার হবে তা প্রত্যশা করতে পারে না এবং তারা সাধারণত শুধুমাত্র রোগ-ব্যাধিগুলোর লক্ষণসমূহকে প্রচ্ছন্ন রাখার মাধ্যমেই সন্তুষ্টি লাভ করে।
রোগ-ব্যাধির চিকিৎসার ক্ষেত্রে উপরোক্ত এই চারটি বিষয়ের কথা প্রাচীন চিকিৎসা বিজ্ঞান খ্যাত আয়ুর্বেদ শাস্ত্রে উল্লেখ রয়েছে। যদিও একসময় আয়ুর্বেদ শাস্ত্র ছিল একটি পরিপূর্ণ বিজ্ঞান যাতে অন্তর্ভুক্ত ছিল সার্জারি ও মনোরোগবিদ্যা সংক্রান্ত বিস্তৃত জ্ঞানভাণ্ডার। তবে শাস্ত্রের অধিকাংশই বিভিন্ন কারণবশত কালের গর্ভে হারিয়ে গেছে। এ সমস্ত কারণসমূহের মধ্যে অন্যতম হলো ভারতে বিভিন্ন বাহ্য সংস্কৃতির অনুপ্রবেশ। তাই বিশেষত ভারতের বাইরে শারীরিক বা মানসিক রোগ-ব্যাধির বিভিন্ন ক্ষেত্রে আয়ুর্বেদ শাস্ত্রের ওপর নির্ভর করাটা সর্বদা ব্যবহারিক বা কার্যকরি হয় না। আবার
অনেক ধরনের মেডিকেল চিকিৎসা পদ্ধতি রয়েছে যা আয়ুর্বেদ শাস্ত্রের সাথে সঙ্গতি রাখে এবং নীতি আদর্শের ভিত্তিতে কাজ করে।
চাইনিজ ঔষধ, আয়ুর্বেদ শাস্ত্রের সঙ্গে অনেক সাদৃশ্যপূর্ণ এবং মনঃস্তাত্ত্বিক ও চিকিৎসা বিদ্যার অনেক নীতির সঙ্গে সঙ্গতি প্রকাশ করে। যেমন বাত, পিত্ত ও কফের ক্ষেত্রে সঙ্গতিসূচক চাইনিজ ঔষধ হিসেবে রয়েছে ইন, ইয়াং ও রক্ত।
যদি দুরারোগ্যজনিত কোনো সমস্যার জন্য কারো এলোপ্যাথিক ঔষধের চেয়ে আয়ুর্বেদকেই অধিক কার্যকরি বলে বিশ্বাস থাকে তবে সেক্ষেত্রে তিনি চাইনিজ ঔষধের ওপর আস্থা রাখতে পারেন। এই শাস্ত্রের অনুরূপ বিজ্ঞানগুলোও একই সমস্যা নিরাময়ের ক্ষেত্রে কার্যকরী হতে পারে।
শ্রীল প্রভুপাদের কাছে আয়ুর্বেদ শাস্ত্র হলো অধিক প্রাধান্যযোগ্য কিন্তু কোনো কোনো ক্ষেত্রে তিনি এলোপ্যাথিক ঔষধও গ্রহণ করেছিলেন, কিন্তু তিনি সর্বদা চিকিৎসকের নির্দেশনা অনুসারে গ্রহণ করতেন না। এ বিষয়ে তিনি এক পত্রে লিখেছিলেন-
“আমি তোমাকে এ বিষয়ে অবগত করতে পারি যে, আমি আয়ুর্বেদ চিকিৎসার দিকে মনোযোগী হয়েছি। তুমি বৃন্দাবনে আয়ুর্বেদিক ডাক্তারের সাথে আলোচনা করতে পারো, তিনি একজন গৌড়ীয় বৈষ্ণব। গুরুত্বপূর্ণ চিকিৎসকের সাথে পরামর্শ করে আমাকে জানাও কি করতে হবে। মথুরাতে নিঃসন্দেহে অনেক আয়ুর্বেদিক চিকিৎসক রয়েছে এবং সে সাথে অনেক হাতুড়ে চিকিৎসকও রয়েছে। তবে হাতুড়ে চিকিৎসকদের বর্জন করতে হবে।” (নিউইয়র্ক থেকে শ্রীকৃষ্ণ পণ্ডিতকে পত্র, ১ জুন ১৯৬৭)
শ্রীল প্রভুপাদ মাঝে মাঝে উল্লেখ করতেন যে, একজন ভালো চিকিৎসক অবশ্যই পথ্য ও ঔষধ উভয়ই দিবেন। যা বার্ধক্য, রোগ-ব্যাধি ও মৃত্যুর পুনরাবর্তনকে নিরাময় করে। সেই কৃষ্ণভাবনায়ও রয়েছে নির্দিষ্ট চিকিৎসা পদ্ধতি। এ বিষয়ে চৈতন্য চরিতামৃতে শ্রীল প্রভুপাদ লিখেছেন; “একজন রোগীর যথাযথ ঔষধ ও পথ্য উভয়ই প্রয়োজন এবং এজন্যে কৃষ্ণভাবনা জাগতিকভাবে দুর্দশাগ্রস্থ লোকদের জন্য প্রদান করছে পবিত্র নাম বা হরেকৃষ্ণ মহামন্ত্র জপ-কীর্তনরূপ ঔষধ এবং প্রসাদরূপ পথ্য।”
প্রকৃতপক্ষে একজন বিজ্ঞ চিকিৎসকের অবশ্যই নিন্মোক্ত বিষয়সমূহ জানা উচিত : রোগীর ওপর খাদ্যের প্রভাব ও সে সাথে তার বিবিধ কার্যাবলীর প্রভাব, পারিপার্শ্বিক পরিবেশ ও চেতনা।
এই বিষয়গুলো অবশ্যই বিশ্লেষণ করতে হবে; বিশেষত কিভাবে সেগুলো রোগীর হজম শক্তির ওপর প্রভাব বিস্তার করে। আয়ুর্বেদ শাস্ত্রে, গ্যাস্ট্রো-ইন্টেস্টাইনাল (পাকস্থলী ও অন্ত্র সম্বন্ধীয়) ট্র্যাক্টকে বিবেচনা করা হয় সুস্বাস্থ্য ও রোগ-ব্যাধির উৎস হিসেবে।
রোগ-ব্যাধির শুরু হয় শরীর, মানসিক ভারসাম্যহীনতার মাধ্যমে যা হজমে ব্যাঘাত ঘটায়। এর ফলে বদহজম হয়। এই অবরুদ্ধ অবস্থা খাদ্য থেকে আগত পুষ্টি উপাদানগুলোকে টিস্যু ও কোষে পৌঁছতে প্রতিরোধ সৃষ্টি করে এবং বর্জ্য পদার্থগুলোকে শরীর থেকে বর্জন হতে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করে। যদি কোনো চিকিৎসা বিজ্ঞান এই সমস্ত কর্যকলাপ বা প্রক্রিয়াসমূহকে বিবেচনায় না রাখে তবে তা একটি অসম্পূর্ণ বিজ্ঞান এবং তা শারীরিক ও মানসিক গলযোগের মূল কারণকে সমাধান করতে সামান্যই সুফল নিয়ে আসে।
চিকিৎসার ক্ষেত্রে মুখ্য বিষয় হিসেবে বিবেচনা করা হয় চিকিৎসককে। আয়ুর্বেদ বিজ্ঞানে চিকিৎসকরা অনুধাবন করে যে, রোগ ও রোগী উভয়ই কতটা বলশালী এবং এক্ষেত্রে তাদের অবশ্যই বিবেচনায় রাখতে হবে যে, রোগের সম্ভাব্য কারণ কি হতে পারে, যেমন-রোগীর দোষসমূহ বর্জ্য, পারিপার্শ্বিক ও রোগীর মানসিক অবস্থার ভারসাম্য। সমস্ত বিষয়গুলোর মধ্যে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হলো রোগীর মানসিক অবস্থা। নিরাময় প্রক্রিয়া তখনই স্থায়ী হবে যখন রোগী প্রকৃতির আইনসমূহ মেনে চলতে সম্মত হয়।
একজন ডাক্তারকে অবশ্যই রোগ ব্যাধির পূর্বাভাষ সম্পর্কেও অবগত থাকতে হবে। রোগ ব্যাধি সম্বন্ধে চার ধরনের পূর্বাভাষ রয়েছে : যে রোগ-ব্যাধি সহজেই নিরাময়যোগ্য; যেগুলো কিছুটা প্রতিবন্ধকতার সহিত নিরাময়যোগ্য; যেগুলো একেবারে নির্মূল করা যেতে পারে এবং যেগুলো অনিরাময়যোগ্য।
চক্র সংহিতায় উল্লেখ রয়েছে, যিনি সুস্বাস্থ্যের চেয়ে নিজের ক্যারিয়ারকে প্রাধান্য দেয় তিনি পুনঃ পুনঃ অসুস্থতার শিকার হবেন। শ্রীল প্রভুপাদ সুস্বাস্থ্যের ক্ষেত্রে সাধারণত ব্যবহারিক ও শাস্ত্রীয় প্রেক্ষাপট তুলে ধরতেন। একবার তিনি এক শিষ্যের কাছে লিখেছিলেন “যখনই শারীরিক সমস্যা হবে তখনই আমরা চিকিৎসা বিজ্ঞানের যথাবিহিত পন্থা অবলম্বন করতে পারি এবং সেসাথে কৃষ্ণের ওপর নির্ভরশীল হতে পারি। শুধু শ্যামদাসীর জন্যই নয়, সবার জন্যই সর্বোত্তম প্রতিকার পন্থা হল কোনো অনুমোদিত ডাক্তারের সঙ্গে পরামর্শ করা। কিন্তু চরমে আমাদেরকে ভগবানের কৃপার ওপরই নির্ভর করতে হবে। এজন্যে আমাদের উচিত প্রত্যহ পবিত্র হরিনাম জপ কীর্তন করা, কৃষ্ণের কাছে তার সেবার জন্য প্রার্থনা করা এবং যদি প্রয়োজন হয়, আমরা অনুমোদিত চিকিৎসা পদ্ধতি অবলম্বন করতে পারি।” (কীর্তনানন্দকে পত্র, লস এঞ্জেলেস, ১৪ ফেব্রুয়ারি ১৯৬৯)

লেখক পরিচিতি : শ্রীমৎ প্রহ্লাদানন্দ স্বামী ১৯৪৯ সালে নিউইয়র্কের বাফেলোতে জন্মগ্রহণ করেন। ১৯৬৯ সালে বাফেলো ইউনিভার্সিটিতে অধ্যয়নকালে শ্রীল প্রভুপাদের সাথে সাক্ষাৎ হলে সে বছরই প্রভুপাদের গুরুরূপে বরণ করেন। ১৯৮২ সালে তিনি সন্ন্যাস আশ্রম গ্রহণ করেন। ১৯৮৯ সালে তিনি বৃন্দাবনের বৈষ্ণব ইনস্টিটিউট ফর হায়ার এডুকেশনের সম্মানিত সদস্য হন। বর্তমানে তিনি জিবিসিতে দায়িত্বরত আছেন।


 

এপ্রিল – জুন ২০১৬ ব্যাক টু গডহেড

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here