স্বামী-স্ত্রী এক বিছানায় কতটা নিরাপদ?

0
593

বিবাহিত পুরুষ মানেই সম্পূর্ণ সুখী মানুষ এই ধারণা বোধ হয় আর টিকছে না। সাম্প্রতিক বৈজ্ঞানিক গবেষণায় দেখা গেছে, স্ত্রীর সাথে একই বিছানায় ঘুমানোর কারণে পুরুষের মানসিক সামর্থ্য বেশ কমে যায়। যত সুখী দাম্পত্য জীবনই থাক না কেন বিছনায় অন্য কারো উপস্থিতি এমন খারাপ প্রভাব সৃষ্টি করে পুরুষের মাঝে। অপরদিকে নারীদের ক্ষেত্রে ঘটে ঠিক উল্টোটি। যখনই নারীরা সঙ্গী হিসেবে বিছানায় তাদের স্বামীদের পায় তখন তারা নিশ্চিন্তে ঘুমায় আর এ কারণে তাদের মানসিক সামর্থ্য অনেকখানিই বাড়ে। অষ্ট্রেলিয়ার একদল গবেষক সম্প্রতি এই তথ্য জানিয়েছে।
নারীবাদীরা হয়ত চটে যাবেন। কিন্তু গবেষকরা এর পক্ষে বেশ জোড়ালো প্রমাণই হাজির করেছেন। তাদের মতে উষ্ণ দাম্পত্য সম্পর্ক থাকুক বা না থাকুক তাতে কিছু আসে যায় না। পুরুষরা যদি অন্য কারো সঙ্গে বিছানা ভাগ করে নেয় তবে তাদের স্ট্রেস হরমোন বেশ খানিকটা বেড়ে যায় ফলে পরের দিনের কাজে কর্মে তার প্রভাব পড়ে। ভিয়েনা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক গেরহার্ড ক্লোয়েশ এবং তার সহকর্মীরা দীর্ঘদিন ধরে আট জোড়া দম্পতির উপর গবেষণা চালিয়ে এই তথ্য পেয়েছেন। এদের গড় বয়স ছিল ২০ বছরের মধ্যে। গবেষণায় প্রত্যেক দম্পতিকে ১০ রাত একসাথে এবং ১০ রাত একা তিনি তোমাদের সেই শক্তি দেন। ব্যস। তা না হলে আগেকার যুগের মতো ব্রক্ষচর্য পালনের রীতিনীতি মেনে চলা খুবই কঠিন। একেবারেই অসম্ভব।
প্রথম জিনিস হল স্মৃতিশক্তি-সেটাই তো আজকাল দুর্বল হয়ে গেছে। আমরা মনে রাখতে পারি না। জীবনটাও খুব ছোট, তাও নানা রোগে দুঃখে ঝঞ্ঝাটে কত সময় কেটে যায়।
রোগশোকাদিভিঃ-এই শরীরটা রোগের যেন কারখানা। একে তো জীবনটা স্বল্পস্থায়ী, তাও আবার রোগে শোকে ভরা। তা হলে অভ্যাস করা সম্ভব কেমন করে?
তাই এই হরেকৃষ্ণ মহামন্ত্র জপের অভ্যাসটাই সবচেয়ে সহজ পদ্ধতি। জপ করো আর জপকীর্তন শোনো। ওটাই ভারি সুন্দর পদ্ধতি। আর ভগবান শ্রীকৃষ্ণের কাছে কেবলই প্রার্থনা জানাও “হে কৃষ্ণ, আমাকে শক্তি দাও, আমি পতিতজন, আমার কোন শক্তি নেই, আমাকে তোমার চরণে আশ্রয় দাও। ব্যস, তা হলেই হল। বলো, আমার কোনই যোগ্যতা নেই, আমি দুর্বল, আমি চেষ্টা করছি, কিন্তুু পারছি না।” এমন অনুনয় বিনয় প্রার্থনা জানাতে হবে। আর শ্রীকৃষ্ণ হলেন সর্বশক্তিমান, তিনি সব কিচুই করতে পারেন। আমরা আপ্রাণ চেষ্টা করেও যদি কিছুই করতে না পারি, যদি ব্যর্থ বিফল হই, তা হলে শ্রীকৃষ্ণ আমাদের সাহায্য করবেন। ঠিক যেমন শিশু আপ্রাণ চেষ্টা করেও কোন কাজ না পারলে, তার মা তাকে তুলে ধরেন, বলেন,“এসো, আমার সঙ্গে চল।” ঠিক তেমনি, তাই না? হরেকৃষ্ণ।

(মাসিক চৈতন্য সন্দেশ পত্রিকা জুলাই ২০১০ সালে প্রকাশিত)

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here