শ্রীকৃষ্ণের চিত্র সমন্বিত দুর্লভ

0
655

মুদ্রায় স্পষ্টভাবে শঙ্খ ও সুদর্শন চক্র শোভা পাচ্ছে, সেইসাথে ময়ুরপুচ্ছ সমন্বিত এক বালকের ছবি খোঁদাই করা। সম্প্রতি আফগানিস্তানের “আল খানুন” নামক স্থানে পাওয়া গেল মুদ্রাটি। ভূতত্ত্ববিদগণ একবাক্যে মেনে নিলেন মুদ্রাটিতে স্পষ্টতই পরমেশ্বর ভগবানের চিত্র খোদাই করা আছে। এই বর্গাকার মুদ্রাটি খ্রীস্টপূর্ব ১৮০ অব্দের, যার একপাশে কৃষ্ণ এবং অন্যপাশে বলরামের চিত্র খোঁদাই করা হয়েছে। “ইন্ডিয়ান সাইন্স মনিটর” এর প্রতিষ্ঠাতা পরিচালক ও বিশষ্ট ভূতত্ত্ববিদ টি.কে.ভি. রাজন বলেন “এই আবিস্কার দ্বারা স্পষ্টত বোঝা গেল যে, শ্রীকৃষ্ণ ভগবানরূপে পৃথিবীতে এসেছিলেন এবং মথুরার বাইরেও তাঁর উপাসনা ছড়িয়ে পড়েছিল। এটি সেই অস্তিত্বের সর্বাপেক্ষা প্রাচীন নিদর্শন। আর্কিয়োলজিক্যাল সার্ভে অব ইন্ডিয়া (ASI) বৃন্দাবনে প্রচুর গবেষণা সম্পাদন করেন এবং তারা তাদের প্রতিবেদনে উল্লেখ করেন যে, অধিকাংশ পারমার্থিক নগরী ধ্বংসপ্রাপ্ত হয়েছে। এছাড়া তারা তাঁদের এক্সিবিশনে এক যুগান্তকারী ঘটনা আবিস্কার করেন, যা চেন্নাইয়ে এক সম্মেলনে উপস্থাপন করেন।
গ্রীক বীর আলেকজান্ডার যেসব গ্রীকবাসীদের নিয়ে ভারতে এসেছিলেন (যাদের সংখ্যা প্রায় ১০,০০০) তাঁরা সবাই ছিলেন কৃষ্ণভক্ত। এছাড়া প্রাচীন গ্রীকশাস্ত্র “হেলিওডোরাস এ নীচের অক্ষরগুলো লিখিত আছে “দেবং দেব বাসুদেব”। কৃষ্ণ আমার ভগবান ভগবান এবং আমি এই গরুড় পিলারটিকে ব্যাস নগরে (বর্তমান বিহার রাজ্য) স্থাপন করলাম।” এছাড়াও দ্বারকা রাজ্যে খনন কার্য সম্পাদনের মাধ্যমে মহাভারত ও শ্রীমদ্ভাগবতে উল্লেখিত নানা বিষয়বস্তুর সত্যতা আবিস্কার করা হয়েছে। এ বিষয়ে বিস্তারিত বিশ্লেষণ ছাপা হয় “চৈতন্য সন্দেশ” পত্রিকায়। ভাগবতে উল্লেখিত ‘থোভিরা’ নামক স্থান আবিস্কৃত হয় বর্তমান দ্বারকার সন্নিকটে। এছাড়া টি.কে.ভি রাজন আরো উল্লেখ করেন যে, ভাগবতে উল্লেখিত বর্ণনার সাথে উক্ত স্থানটির মিল পাওয়া গেছে। ASI আশা করছে যে, এই বছরে তাঁরা তাদের শ্রীকৃষ্ণের লীলাবিলাসের আরো অধিক গবেষণায় প্রাপ্ত যুগান্তকারী আবিষ্কারসমূহ বিশ্ববাসীর কাছে উপস্থাপন করতে পারবে। চেন্নাইয়ের এলডামস্ রোডের সন্নিকটে অবস্থিত শ্রীপার্বতী গ্যালারীতে উক্ত এক্সিবিশন অনুষ্ঠিত হয়।

সূত্রঃ ইন্ডিয়া টাইমস।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here