লক্ষ্মীপতির ঐশ্বর্যধাম (পর্ব-২)

0
39

পৃথিবীর অন্যতম ঐশ্বর্যশালী তিরুপতি ধামের আবির্ভাব রহস্য!

চন্দনযাত্রা দাস


ভগবান শ্রীনিবাস বরাহদেবকে বললেন, “আমি বুঝতে পারছি যে এই স্থানের প্রকৃত মালিক হলেন আপনি। এমনকি আপনি একদা পৃথিবীকে উদ্ধার করেছিলেন। তাই আপনিই হলেন প্রকৃত অধীশ্বর। তাই আমি আপনার কাছে অনুরোধ করছি আপনি দয়া করে আমাকে এমন এক স্থান প্রদান করুন যেখানে আমি ভাড়ায় বসবাস করতে পারি। যেহেতু লক্ষ্মীদেবী আমাকে ছেড়ে চলে গেছেন তাই আমি এখন নির্ধনী। আমি জানি না ভাড়া হিসেবে আমি আপনাকে কি প্রদান করতে পারব।” বরাহদেব প্রতুত্তরে বললেন, “আমি অবগত আছি যে, ভবিষ্যতে হাজার হাজার, কোটি কোটি মানুষ আপনার দর্শন লাভ করতে এখানে আসবে। আপনি আমাকে ভাড়া হিসেবে এই বর প্রদান করুন যেই আপনাকে দর্শন করতে আসুক না কেন তাদের সর্ব প্রথম আমাকে দর্শন করতে হবে।” ভগবান শ্রীনিবাস এতে একমত হলেন, “হ্যাঁ আমার সকল ভক্তগণ ভবিষ্যতে আমাকে আরাধনা করার পূর্বে বরাহদেব রূপে আপনাকে আগে প্রার্থনা জানাবে এবং আরাধনা করবে।”
বরাহদেব ঘোষণা করলেন সেই পিঁপড়া পর্বতের আশেপাশের সমস্ত স্থান এখন থেকে ভগবান শ্রীব্যেঙ্কটশ্বরের। এছাড়াও বরাহদের শ্রীব্যেঙ্কটশ্বরকে একজন মাতা প্রদান করলেন যিনি শ্রীব্যেঙ্কটশ্বরের সেবা করতে পারেন । বিশেষতঃ শ্রীনিবাসের জখমকৃত মাথা দ্রুত নিরাময়ের জন্য তিনি ঔষধি তৈরি করতে পারবেন। শ্রীনিবাসের সেই মাতার নাম বকুলা মল্লিকা তথা বকুলাদেবী।

বকুলাদেবী

বকুলাদেবী হলেন কৃষ্ণ লীলায় যশোদা মাতা। কথিত আছে যে, ভগবান শ্রীকৃষ্ণ দশ বছর বয়সে বৃন্দাবন পরিত্যাগ করেন। যশোদা মাতা কৃষ্ণের তেমন বেশি সেবা করতে সক্ষম হননি। এছাড়াও প্রত্যেক পিতা-মাতার মতোই তার অভিলাষ ছিল সন্তানের বিবাহ দর্শন করা। এক্ষেত্রে দেবকী দেবী কৃষ্ণের বহু বিবাহের সাক্ষী ছিলেন। কিন্তু যশোদা মাতা সেই সুযোগ পাননি। তাই কৃষ্ণ যশোদা মাতাকে প্রতিজ্ঞা করেছিলেন, “আমার পরবর্তী অবতারে আপনি আমার বিবাহের আয়োজন করবেন।” বকুলা দেবী ভগবান শ্রীনিবাসকে তার নিজের সন্তানের মতোই ভাবতেন। তিনি সুন্দর ফলমূল ও শাক সবজি সংগ্রহ করতেন, দিনে কয়েকবার সুস্বাদু প্রসাদ রন্ধন করতেন, শ্রীনিবাসের জন্য ঔষধি তৈরি করতেন। তার মাতৃবৎ সেবায় সন্তুষ্ট হয়ে ভগবান শ্রীনিবাস সেই ব্যেঙ্কটাদ্রি পর্বতে বসবাস করতে লাগলেন।

পদ্মাবতির আবির্ভাব

আকাশরাজ নামে সে সময় একজন রাজা ছিলেন এবং তার পত্নী ছিলেন ধারিনী দেবী। তারা ভগবানের শুদ্ধ ভক্ত ছিলেন কিন্তু বহু প্রচেষ্টা সত্ত্বেও তাদের কোন সন্তান ছিল না। তারা বহু মুনি ঋষিদের শরণাপন্ন হলেন। যেহেতু রাজার কর্তব্য হল রাজ্যের কল্যাণে ভবিষ্যতের উত্তরাধিকারী প্রদান করা, যাতে তিনি অন্তিম সময়ে পুত্রকে রাজ্য ভার প্রদান করে ভগবানের আরাধনার জন্য বানপ্রস্থ আশ্রম গ্রহণ করতে পারেন। রাজা দশরথ এবং সে সাথে রাজা জনকও সন্তান লাভের উদ্দেশ্যে রাজসূয় যজ্ঞ করেছিলেন। তাই মহারাজ আকাশরাজ ও সেই প্রকারের যজ্ঞ সম্পাদন করতে চাইলেন। যজ্ঞের সমস্ত প্রস্তুতি শেষ হওয়ার পর রাজা নিজেই যজ্ঞস্থানে মাটি খনন করতে লাগলেন। এভাবে ষাঁড় দিয়ে লাঙ্গল চালানোর সময় এটি যজ্ঞস্থলী বারংবার প্রদক্ষিণ করছিল। ঠিক একসময় কোন এক স্থানে লাঙ্গলের ফলা একটি বস্তুতে আঘাত করে সেই স্থানে মাটি খুঁড়ে একটি স্বর্ণের বক্স পাওয়া গেল, যেটি আপনা আপনি খুলে গেল। বক্সের মধ্যে একটি বড় অপূর্ব সুন্দর পদ্ম ফুল ছিল। সেই পদ্ম ফুল থেকে এক অপূর্ব সুন্দরী সোনালী বর্ণের হাস্যোজ্জল এক বালিকা আবির্ভূত হলেন। রাজা অত্যন্ত খুশি হয়ে সেই ছোট্ট বালিকাটিকে রাণী ধরিনীর কাছে প্রদান করলেন। তারা তাকে নিজের কন্যা হিসেবে স্বীকৃতি দিলেন। রাজা যজ্ঞ সুসম্পন্ন করলেন এবং রাণী গর্ভবতী হলেন। পরে রাণী একজন পুত্র সন্তান প্রসব করলেন যার নাম বাসুধাম।

পদ্মাবতীর আবির্ভাবের ইতিহাস

সেই ছোট্ট বালিকার ইতিহাস খুবই আকর্ষণীয় । যখন তিনি আবির্ভূত হলেন তখন আকাশে এক দৈব বাণী হল যে, এই ছোট্ট বালিকাটি হলেন স্বয়ং লক্ষ্মীদেবী। ব্রাহ্মণেরা যখন দেখলেন যে লক্ষ্মীদেবী স্বয়ং পদ্মফুলে আবির্ভূত হয়েছিলেন তাই তার নাম রাখলেন পদ্মাবতী। পদ্মাবতীর পূর্ব জন্ম বৃত্তান্ত উল্লেখিত আছে রামায়ণে ও শ্রীচৈতন্যচরিতামৃতে।
একবার যখন চৈতন্য মহাপ্রভু দক্ষিণ ভারত ভ্রমণ করছিলেন তখন তিনি একজন ব্রাহ্মণের সাথে সাক্ষাৎ করলেন যিনি রাবণ কর্তৃক সীতাহরণ পাঠ করার পর অবিরতভাবেই ক্রন্দন করছিলেন। তিনি এতোই বিমর্ষ হয়েছিলেন যে তিনি আহার পরিত্যাগ করেছিলেন। যদিও প্রকৃত লীলাটি সংঘটিত হয়েছিল হাজারো বছর পূর্বে। তিনি মহাপ্রভুকে প্রসাদ গ্রহণের জন্য আমন্ত্রণ জানালেন কিন্তু সন্ধ্যা সন্নিকটে হলেও তিনি কিছুই রন্ধন করতে পারেননি। মহাপ্রভু তাকে জিজ্ঞেস করলেন, “আপনি কি রন্ধন করবেন?” ব্রাহ্মণ উত্তরে বলল, “ আমি কিভাবে রন্ধন করবো যখন রাবণ সীতাকে হরণ করেছে? এখন আমার উচিত অগ্নিতে প্রবেশ করে আত্মাহুতি দেওয়া। আমি কিভাবে বেঁচে থাকতে পারি যেখানে আমার আরাধ্য দেবী একজন রাক্ষস কর্তৃক অপহৃত হয়েছে।” মহাপ্রভু ব্যাখ্যা করলেন, রাবণ কখনোই সীতাকে স্পর্শ করতে পারেনি। রাবণ এক মায়া সীতাকে হরণ করেছিল তাই দয়া করে আমার বাক্য বিশ্বাস করুন এবং আহার গ্রহণ করুন। ব্রাহ্মণ একটি পাত্র নিলেন এবং মহাপ্রভুর সন্তুষ্টি বিধানার্থে প্রসাদ গ্রহণ করলেন। মহাপ্রভু এরপর মাদুরাই ভ্রমণ করলেন এবং সেখান থেকে রামেশ্বরম্ গেলেন। তিনি সেখানে কূর্ম পুরাণ নামে একটি শাস্ত্র উদ্ধার করলেন। সেই শাস্ত্রে এক সতী নারীর কাহিনি উল্লেখিত আছে, যেখানে বর্ণিত আছে রাবণ সীতা হরণের পূর্বেই অগ্নিদেব প্রকৃত সীতাদেবীকে অন্যত্র সড়িয়ে তার পরিবর্তে মায়া সীতাকে স্থাপন করলেন এবং রাবণ সেই মায়া সীতাকে হরণ করে লঙ্কায় গমন করেন। পরবর্তীতে সীতার অগ্নি পরীক্ষার সময় মায়া সীতা অগ্নিতে প্রবেশ করার পর অগ্নিদেব প্রকৃত সীতাকে ফিরিয়ে দিলেন।
অন্যান্য পুরাণের বর্ণনা কুশধ্বজ নামে একজন মহান সত্ত ছিলেন যিনি যজ্ঞ করতেন। একবার বৈদিক যজ্ঞ সম্পাদনের সময় তার বৈদিক মন্ত্র উচ্চারণের মুহূর্তে এক অপরূপ বালিকা আবির্ভূত হয়। তিনি ছিলেন লক্ষ্মীদেবীর পার্শ্বিয় অবতার। কুশধ্বজ সেই বালিকার নাম রাখলেন বেদবতী। কুশধ্বজ উপলব্ধি করলেন যে, একমাত্র ভগবান বিষ্ণু স্বয়ং ব্যতীত আর কেউ এই দেবীকে বিবাহ করতে পারবে না। তাই তিনি বেদবতীকে বললেন, “তোমার উচিত হিমালয়ের জঙ্গলে গমন করা এবং শুধুমাত্র ভগবান বিষ্ণুকে পতি রূপে লাভের জন্য মনকে একাগ্রীভূত করে তপস্যা করা।” বেদবতী এতই অপরূপ সৌন্দর্যের অধিকারী ছিলেন যে, বহু মহান মহান রাজা ও রাজ কুমার তাকে পত্নী রূপে লাভের জন্য তার কাছে ভিক্ষা নিবেদন করেছিল । কিন্তু তিনি সবাইকে বললেন, “আমার মনকে আমি ভগবান নারায়ণের শ্রীপাদপদ্মে দৃঢ়ভাবে নিবদ্ধ করেছি। আমি আর কাউকে পতিরূপে গ্রহণ করতে পারব না।” তিনি বহু বছর তপস্যা করলেন। একবার রাবণ বিমানে করে গগণ মার্গে বিচরণ করছিলেন হঠাৎ তিনি নীচে বেদবতীর সৌন্দর্য দর্শন করে মোহিত হলেন। তার বিমানকে তিনি সেই স্থানে অবতরণ করালেন এবং বেদবতীর সম্মুখে গিয়ে বললেন, “আপনি অপরূপ সুন্দরী এবং আমি এই বিশ্বের সর্বাপেক্ষা শ্রেষ্ঠতম ব্যক্তি। আমি আপনার কাছে প্রার্থনা করছি আপনি আমাকে বিবাহ করুন, আমি আপনাকে ছাড়া দেহে প্রাণ ধারণ করতে পারব না। আমি লঙ্কাধীশ্বর, আমি ইন্দ্রলোক জয় করেছি, সমস্ত দেব-দেবীগণ আমার সম্মুখে ভয়ে কম্পিত হয় । আমি আপনাকে সমগ্র জগতের প্রধান রাণীর স্থান প্রদান করব এবং আপনাকে আমার সমস্ত ঐশ্বর্য প্রদান করব। আমার সাথে চলুন এবং আমার পত্নী হোন।” বেদবতী অত্যন্ত সম্মানপূর্বক বললেন, “আমি অত্যন্ত দুঃখিত প্রভু, এটি আমার পক্ষে অসম্ভব। আমি আমার মনকে ভগবান শ্রীবিষ্ণুর শ্রীপাদপদ্মে অর্পণ করেছি এবং তাকে ব্যতীত অন্য কাউকে পতীরূপে স্বীকার করতে পারব না। যদি ভগবান আমাকে গ্রহণ না করেন তবে আমি এই দেহকে পরিত্যাগ করব।
রাবণের মতো অনেক লোক আমাদের জীবনে বারংবার আসতে থাকবে কিন্তু একজন ভক্ত হিসেবে আমাদের সর্বদাই ভগবান এবং ভগবানের সম্পত্তির প্রতি বিশ্বাসী হতে হবে। রাবণ কিংবা মায়া যেভাবেই আমাদের পতন ঘটাতে প্রচেষ্টা করুক আমাদের অবশ্যই সবকিছুর বিনিময়ে পরমেশ্বর ভগবানের সেবা পরিত্যাগ না করে চালিয়ে যেতে হবে।
রাবণ তাকে জিজ্ঞেস করলেন, “আপনি কে?” প্রত্যুত্তরে বললেন, আমার নাম বেদবতী এবং আমার পিতা মহান ব্রহ্মর্ষি কুশধ্বজ। রাবণ তাকে জানালেন, তাহলে আমাদের মধ্যে অনেক মিল রয়েছে কারণ আমার পিতা বিশ্রবা এবং মাতা কেশেনী। আমার প্রপিতামহ হলেন ব্রহ্মার পুত্র পুলস্থ মুনি। পুলস্থ মুনি হলেন একজন অতুলনীয় মহান ব্রাহ্মণ। তাছাড়া আপনি যদি আমার প্রস্তাবে সম্মত না হন তবে আপনাকে জোড়পূর্বক নিয়ে যাবো। পুনরায় বেদবতী জানালেন, “আমার জীবন বিষ্ণু এবং শুধুমাত্র বিষ্ণুর জন্যই ।

এই কাহিনি থেকে শিক্ষা

রাবণের মতো অনেক লোক আমাদের জীবনে বারংবার আসতে থাকবে কিন্তু একজন ভক্ত হিসেবে আমাদের সর্বদাই ভগবান এবং ভগবানের সম্পত্তির প্রতি বিশ্বাসী হতে হবে। রাবণ কিংবা মায়া যেভাবেই আমাদের পতন ঘটাতে প্রচেষ্টা করুক, আমাদের অবশ্যই সবকিছুর বিনিময়ে পরমেশ্বর ভগবানের সেবা পরিত্যাগ না করে চালিয়ে যেতে হবে। রাবণ যখন বেদবতীকে জোরপূর্বক হরণ করতে চেয়েছিলেন তখন বেদবতী অগ্নিদেবকে স্মরণ করলেন অগ্নিদেব তৎক্ষণাৎ আবির্ভূত হলেন। অগ্নিতে প্রবেশের পূর্বেই বেদবতী রাবণকে অভিশাপ দিলেন, “যদি আপনি কখনো কোন নারীর সতীত্ব নষ্ট করার চেষ্টা করেন তবে আপনি নিহত হবেন এবং আমার মতো একজন সতী হবেন আপনার সমগ্র বংশের ধ্বংসের মূল কারণ। তারপর তিনি অগ্নিতে প্রবেশ করলেন এবং অদৃশ্য হলেন। অগ্নিদেব তাকে নিজের তত্ত্বাবধানে নিজ লোকে নিয়ে গেলেন।
পরবর্তীতে রাবণ মারীচির সহায়তায় পঞ্চবটীতে সীতাকে অপরহণ করতে চাইলেন। রাবণ তার ভগ্নী শূর্পনখার নিকট থেকে সীতা দেবীর সৌন্দর্য সম্পর্কে জেনেছিলেন। তাই তিনি মারীচিকে একজন স্বর্ণ হরিণের রূপ পরিগ্রহ করে সীতাকে আকর্ষিত করে রাম ও লক্ষ্মণকে সীতাদেবী থেকে দূরে পাঠানোর ষড়যন্ত্র করলেন। তারপর রাবণ এক সাধুর ছদ্মবেশে সীতা দেবীর সন্নিকটে গিয়ে ভিক্ষা চাইলেন কেননা তিনি জানতেন যে সীতা দেবী সর্বদাই পীড়িতদের দুর্দশা লাঘবের জন্য কৃপাময়। রাবণ কর্তৃক সীতা হরণের পূর্বে ভগবান রামচন্দ্র যখন উপলব্ধি করলেন যে বিপদ সম্মুখবর্তী তখন তিনি অগ্নিদেবকে আহ্বান করলেন। তখন সীতা অগ্নিগর্ভে প্রবেশ করলেন এবং অগ্নিদেব সীতার স্থলে বেদবতীকে প্রদান করলেন যিনি দেখতে সীতার মতোই। তাই প্রকৃতপক্ষে এক বছর ব্যাপী বেদবতী রাবণ কর্তৃক ভয়ঙ্করভাবে নির্যাতিত হয়েছিলেন কিন্তু তথাপিও তিনি ভগবান রাম চন্দ্রের প্রতি তিনি সম্পূর্ণ বিশ্বস্ত ছিলেন। লঙ্কা যুদ্ধ সমাপনের পর যখন সীতার সতীত্ব পরীক্ষা হচ্ছিল তখন অগ্নিদেব বেদবতীর স্থলে প্রকৃত সীতাকে ফিরিয়ে দিলেন। এরপর অগ্নিদেব এবং সীতা উভয়ই ভগবান রামচন্দ্রকে বললেন, “হে প্রভু যেহেতু বেদবতী আপনার উদ্দেশ্যে মহৎ সেবা সম্পাদন করেছে তাই আপনি কৃপাপূর্বক তাকে পত্নীরূপে গ্রহণ করুন। আপনার কৃপা লাভের উদ্দেশ্যে বেদবতী বহু তপস্যা করেছে। আপনি তাকে পত্নীরূপে গ্রহণ করুন। বেদবতীকে রামের দ্বিতীয় পত্নীরূপে স্বীকার করার জন্য সীতাদেবী প্রার্থনা জানালে ভগবান রাম বললেন, “না! এই জীবনে আমি প্রতিজ্ঞাবদ্ধ হয়েছি আমি শুধুমাত্র একপত্নীই গ্রহণ করব। কিন্তু আমি প্রতিজ্ঞা বদ্ধ হচ্ছি আমার পরবর্তী অবতারে আমি অবশ্যই বেদবতীকে বিবাহ করব।

এপ্রিল-জুন ২০১৮ ব্যাক টু গডহেড

লক্ষ্মীপতির ঐশ্বর্যধাম (পর্ব-১)

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here