মহান আত্মত্যাগ করেছেন শ্রীল প্রভুপাদ

প্রকাশ: ২১ ফেব্রুয়ারি ২০২২ | ৮:১০ পূর্বাহ্ণ আপডেট: ২১ ফেব্রুয়ারি ২০২২ | ৮:১০ পূর্বাহ্ণ

এই পোস্টটি 159 বার দেখা হয়েছে

মহান আত্মত্যাগ করেছেন শ্রীল প্রভুপাদ

শ্রীমৎ জয়পতাকা স্বামী


আমরা আশা করছি যে শ্রীমদ্ভাগবত, শ্রীচৈতন্য-চরিতামৃত এবং অন্যান্য যে সমস্ত গ্রন্থ শ্রীল প্রভুপাদ আমাদের জন্য রেখে গেছেন সমস্ত ভক্তবৃন্দ সেগুলি মনোযোগ সহকারে পড়বেন। একদিন আমি আমার সব সেক্রেটারিকে জিজ্ঞেস করেছিলাম, তারা কোন্‌ কোন্‌ গ্রন্থগুলি পড়েছে? আমার প্রায় ৩০-৪০ জন সেবক রয়েছে। আমি তাদের মধ্যে কেবল ১০ জনকে জিজ্ঞেস করেছিলাম। হয়তো অন্যরা আরেকটু বেশি পড়েছিলো। কিন্তু এই ১০ জনের মধ্যে ১ জনই কেবল শ্রীল প্রভুপাদের সকল গ্রন্থাবলী পড়েছিল। তাদের মধ্যে আরেকজন কেবল ৮ম স্কন্ধ পর্যন্ত পড়েছিল এবং অন্যরা কেবল ব্রাহ্মণ দীক্ষা পাওয়ার জন্য যতটুক প্রয়োজন, ঠিক ততটুকুই পড়েছিল। এব্যতীত তারা আর পড়েনি। আমি ব্যক্তিগতভাবে নিজের চোখে দেখেছি শ্রীল প্রভুপাদ প্রতিরাত জেগে কঠোর প্ররিশ্রম করে সকল গ্রন্থ লিখতেন এবং তার সামনে থাকতো সংস্কৃত ভাষায় সাতজন আচার্যের সমস্ত টীকা। তিনি আমাদের সবার জন্য এক মহান আত্মত্যাগ করেছেন। যাতে আমরা তার গ্রন্থগুলি পড়তে পারি। সেজন্যই তিনি এসমস্ত পরীক্ষার সূচনা করেছেন। যেমন: ভক্তিশাস্ত্রী, ভক্তিবৈভব, ভক্তিবেদান্ত, ভক্তি সার্বভৌম ইত্যাদি। মনে হয় না যে এখনো পর্যন্ত গোবিন্দ ইনস্টিটিউট বা মায়াপুর ইনস্টিটিউট ভক্তি সার্বভৌম কোর্স প্রণয়ন করেছেন। কিন্তু শ্রীচৈতন্য-চরিতামৃত অবশ্যই পড়া উচিত। আমরা প্রয়াস করছি বিভিন্ন গ্রন্থ থেকে চৈতন্য লীলা সংকলন করে একটি ‘কৃষ্ণ চৈতন্য’ গ্রন্থ সংকলন করার।


 

চৈতন্য সন্দেশ ফেব্রুয়ারী ২০২২ প্রকাশিত
সম্পর্কিত পোস্ট

‘ চৈতন্য সন্দেশ’ হল ইস্‌কন বাংলাদেশের প্রথম ও সর্বাধিক পঠিত সংবাদপত্র। csbtg.org ‘ মাসিক চৈতন্য সন্দেশ’ এর ওয়েবসাইট।
আমাদের উদ্দেশ্য
■ সকল মানুষকে মোহ থেকে বাস্তবতা, জড় থেকে চিন্ময়তা, অনিত্য থেকে নিত্যতার পার্থক্য নির্ণয়ে সহায়তা করা।
■ জড়বাদের দোষগুলি উন্মুক্ত করা।
■ বৈদিক পদ্ধতিতে পারমার্থিক পথ নির্দেশ করা
■ বৈদিক সংস্কৃতির সংরক্ষণ ও প্রচার। শ্রীচৈতন্য মহাপ্রভুর নির্দেশ অনুসারে ভগবানের পবিত্র নাম কীর্তন করা ।
■ সকল জীবকে পরমেশ্বর ভগবান শ্রীকৃষ্ণের কথা স্মরণ করানো ও তাঁর সেবা করতে সহায়তা করা।
■ শ্রীচৈতন্য মহাপ্রভুর নির্দেশ অনুসারে ভগবানের পবিত্র নাম কীর্তন করা ।
■ সকল জীবকে পরমেশ্বর ভগবান শ্রীকৃষ্ণের কথা স্মরণ করানো ও তাঁর সেবা করতে সহায়তা করা।