বিমান আবিষ্কারের প্রকৃত রহস্য কি?

0
32

১৯০৩ সালে ১৭ ডিসেম্বর, উইলভার রাইট ও অলভিল রাইট নামে খ্যাত রাইট ভ্রাতৃদ্বয় তাদের তৈরিকৃত বিমানটি আমেরিকার ‘কিটি হক’ নামক স্থানে আকাশের উপর ১২০ ফুট উঁচুতে নিয়ে গিয়ে সফলভাবে অবতরণ করেন । সেটিই মানব ইতিহাসের প্রথম সফল বিমান উড্ডয়ন। বিশ্বজুড়ে রাইট ভ্রাতৃদ্বয় পরিণত হলেন নায়কে। বিমানের যাবতীয় ধারণার উৎপত্তি তখন থেকে। অর্থাৎ মানুষের আকাশে সফলভাবে বিমান উড্ডয়নের ইতিহাস মাত্র ১০০ বছরের বিমান আবিষ্কারের প্রকৃত রহস্য কি? সামান্য বেশি। এটি কি আদৌ সঠিক ইতিহাস? বৈদিক শাস্ত্রে কিন্তু মানব ইতিহাসের ১০,০০০ বছরেরও পূর্বে বিমান উড্ডয়নের ইতিহাস লিপিবদ্ধ আছে। তাহলে আসুন আমরা বিশ্লেষণ করে দেখি যে, অভ্রান্ত বৈদিক শাস্ত্রের লেখা অনুযায়ী সত্যিই কি বৈদিক বিমানের অস্তিত্ব ছিল? আধুনিক বিজ্ঞানীদের আকাশে উড্ডয়নের ইতিহাসের বিপরীত দর্শন আমরা লক্ষ্য করব নিম্নোক্ত ঘটনাগুলোতে

কেস ১ :

১৮৯৮ সালে ইজিপ্টে প্রায় ৩০০০ বছর পূর্বের বিমানের একটি মডেল পাওয়া যায়। ড. খলিল মেসিহা এটি আবিষ্কার করেন। তিনি এবং অন্যান্য বিজ্ঞানীরা এই বিমানের গবেষণা সম্পাদন করেন। তাঁরা বলেন যে, এটি একটি ইঞ্জিন বিহীন বিমান এবং এটি বাতাসে ভাসমান থাকতে পারে এবং আশ্চর্যজনকভাবে এটি বোঝা বহন করতে সক্ষম। এমনকি এটিতে যদি একটি ছোট্ট ইঞ্জিনও বসানো হয় তবে এটি ঘন্টায় কমপক্ষে ৪৫ থেকে ৬৫ মাইল যেতে পারে। এই বিমানটি বর্তমানে মিশরের কায়রো যাদুঘরে সংরক্ষিত আছে।

কেস ২:

সম্পূর্ণ স্বর্ণের আবরণ যুক্ত এবং প্রায় আধুনিক বিমানের মত দেখতে একটি প্রাচীন বিমান পাওয়া গেছে দক্ষিণ আমেরিকায়। এটির সাথে বর্তমানের জেট বিমানের সাদৃশ্যতা পাওয়া গেছে। বিমানটির সঠিক নির্মাণকাল বের করা। কষ্টকর হলেও বিশেষজ্ঞরা বলছেন যে, এটি নূন্যতম ১০০০ বছরেরও পূর্বের হবে।

কেস ৩ :

ফিজিওলিস্ট ড. রুথ হোবার এবং তার স্বামী মিশরে পিরামিড দেখতে গিয়েছিলেন। সেখানে একটি মন্দিরের দেয়ালে তারা প্রাচীন বিমানের একটি নকশা দেখতে পান এবং বিমানের অনেক প্রত্মতাত্ত্বিক নিদর্শন ও সংগ্রহ করেন। এগুলো ছাড়াও প্রাচীন বিমানের অস্তিত্বের আরো বাস্তবিক প্রমান অনেক বিজ্ঞানীদের হাতে রয়েছে। অনেকগুলো বৈদিক শাস্ত্রে বিমানের বর্ণনা উপস্থাপিত হয়েছে যা বর্তমানে বিজ্ঞানীদের কাছে আশ্চর্যময় বলে মনে হচ্ছে। অনেক বিজ্ঞানী তাদের উন্নতর গবেষণার সুবিধার্থে এই সকল বৈদিক শাস্ত্রগুলোর ইংরেজী অনুবাদ সংগ্রহ | করছেন। সেগুলো হল ঃ

১। বৈমানিক শাস্ত্র,
২। সমরংগনা সূত্রধর,
৩। বেদ (উল্লেখ্য ঋগবেদ, যজুর্বেদ ও অথর্ববেদের প্রায় ১৫০টি স্তোত্র বৈদিক বিমানের বর্ণনা সম্পৃক্ত)
৪। রামায়ণ,
৫। মহাভারত,
৬। পুরাণ সমূহ,
৭। শ্রীমদ্ভাগবত বিদগ্ধ বিজ্ঞানীরা বর্তমানে মহাকাশ বিমানের উৎস খুঁজতে বৈদিক শাস্ত্রের
শরণাপন্ন হচ্ছেন।

ইটালীয় বিজ্ঞানী ড. রবার্তো পিনোটি এক বিশ্ব মহাকাশ সম্মেলনে বলেন, “ভারতীয় হিন্দু শাস্ত্রগুলো গবেষণা করে দেখা যাচ্ছে যে, সেগুলো শুধুমাত্র পৌরাণিক কাহিনী নয়, বরং তার কঠিন বাস্তবতা রয়েছে বিশেষ করে উড়ন্ত বিমানের ক্ষেত্রে। বৈদিক শাস্ত্র হতে বিমানের উৎস সম্পর্কে আরো গবেষণা দরকার”। বৈদিক বিমানের সত্যতা নিয়ে একটি প্রতিবেদন ছাপা হয়েছে টাইমস অব ইন্ডিয়ার ৮ এপ্রিল ১৯৯৯ তম সংখ্যায়। এছাড়া ২০০৬ সালে ভূতত্ত্ববিদগণ ভারতের গুজরাটের কুচ জেলায় এক পাহাড়ের নিকটে বিমানশালার অস্তিত্ব এবং প্রত্মতাত্ত্বিক নিদর্শন খুঁজে পেয়েছেন। বৈদিক শাস্ত্রে বিমান তৈরির এত উন্নত ও নিখুঁত বর্ণনা আছে যে, বর্তমানে বিশাল মহাকাশ গবেষক প্রতিষ্ঠান নাসা (NASA) তার সামান্যমাত্র অনুসরণ করছে। যেমন “বৈমানিক শাস্ত্রে” উল্লেখিত রূপার ভোরটেক্স ইঞ্জিনের গঠন কাঠামোর কিছু অংশ ব্যবহার করার মাধ্যমে নাসা অভূতপূর্ব দ্রুতগামী বিমান
তৈরি করতে সক্ষম হয়েছে। বৈদিক শাস্ত্রের বিজয় রথ ঃ শিবকর বাপুজী তালপাড়ে, এই নামটি হয়তো আপনাদের অপরিচিত। তিনি একজন বৈদিক শাস্ত্রজ্ঞ। তিনি ছোট বেলা থেকে মহাঋষি ভদ্ররাজ কর্তৃক প্রনীত “বৈমানিক শাস্ত্র” এর প্রতি আসক্ত ছিলেন। ১৮৯৫ সালে তিনি এই শাস্ত্রের নির্দেশাবলী অনুসরণ করে একটি বিমান তৈরি করেন যার নাম মরুৎশক্তি (বায়ুর শক্তি)। এটি আকাশে প্রায় ১৫০০ ফুট উচ্চতায় উড্ডয়ন করে। কিন্তু তৎকালীন ভারতবাসীদের অদূরদর্শিতা এবং ব্রিটিশদের ক্ষমতা বলে এই জোড়ালো অতিসত্য ঘটনাটি ঢাকা পড়ে যায়। বর্তমানে রাইট ভ্রাতৃদ্বয় বিশ্বব্যাপী যে সম্মান পাচ্ছেন তা পাওয়া উচিত ছিল তালপাড়ের। কারন তিনি রাইট ভ্রাতৃদ্বয়ের উড্ডয়নের ৮ বছর পূর্বেই এবং তাদের চেয়ে প্রায় ১৩৮০ ফুট বেশি উচ্চতায় বিমানকে নিয়ে গিয়েছিলেন ঐতিহাসিক ইভান কোসটকা সহ অনেকেই ইতিমধ্যেই তালপাড়েকে স্বীকৃতি দিয়েছেন আধুনিক প্রথম বিমান উড্ডয়নকারী হিসেবে।

সূত্রঃ ইন্টারনেট (চলবে…….)

 

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here