পুরী রথের বর্ণনা

প্রকাশ: ২১ মে ২০২২ | ১২:৫৭ অপরাহ্ণ আপডেট: ২১ মে ২০২২ | ১২:৫৭ অপরাহ্ণ

এই পোস্টটি 140 বার দেখা হয়েছে

পুরী রথের বর্ণনা

শ্রীনীলাচল পুরীধামের সর্বপ্রধান উৎসব হিসাবে শ্রীজগন্নাথদেবের রথযাত্রা উদযাপিত হয়। রথযাত্রা উদযাপনের জন্য প্রতিবছরই নতুন আঙ্গিকে রথ তৈরী করা হয় । পুরীধামের শ্রীশ্রীজগন্নাথদেবের রথ তৈরি করার জন্য মাঘ মাসের বসন্ত পঞমী থেকে কাঠ সংগ্রহ করা শুরু হয়। সেই রথের কাঠ আনা হয় দশপল্লা  জেলার রণপুর জঙ্গল থেকে। প্রতি বছর শুভ অক্ষয়তৃতীয়া তিথি উপলক্ষে শুরু হয়ে যায় নতুন রথের নির্মাণকার্য । শ্রীশ্রীজগন্নাথদেব, শ্রীশ্রীবলরাম এবং শ্রীমতীসুভদ্রা দেবীর তিনটি বিগ্রহের জন্য পৃথকভাবে তিনটি রথ তৈরি করা হয়। উক্ত রথগুলো টেনে নেওয়ার জন্য প্রায় ১০০০ লোকের প্রয়োজন হয়। এই সকল রথের উল্লেখযোগ্য দিব্য বৈশিষ্ট্যগুলো নিম্নে দেওয়া হলঃ
নন্দী ঘোষ রথ : এই রথে ভগবান শ্রীজগন্নাথদেব আরোহণ করেন। ১৬ চাকা বিশিষ্ট এই রথের উচ্চতা হচ্ছে ৪৫ ফিট বা ২৩ হাত উচু। নন্দী ঘোষ লাল ও হলুদ বর্ণের হয়ে থাকে। এই রথের শীর্ষে চক্র এবং শ্রীগরুড় অধীষ্ঠত থাকেন।
তালধ্বজ রথ : জগন্নাথদেবের জৈষ্ঠ্যভ্রাতা বলদেব এই রথে চড়ে ভক্তদের কৃপা প্রদান করেন। বলদেবের রথটির শীর্ষ দেশে একটি তাল চিহ্ন আছে বলে এর নাম তালধ্বজ রথ। এটি উচ্চতায় ৪৪ ফিট বা ২২ হাত উঁচু এবং ১৪ চাকা বিশিষ্ট। এই রথের চাঁদোয়াটি লাল ও নীল রঙ্গের হয়ে থাকে। অনেক এই রথটিকে ‘হলধ্বজ’ রথ বলে।
পদ্মভজ রথ : এই রথটি শ্রীকৃষ্ণের ভগ্নি সুভদ্রাদেবীর। এই রথের চাঁদোয়াটি লাল ও কালো রঙ্গের। ১২ চাকা সমন্বিত এই রথের উচ্চতা ৪৩ ফিট বা ২১ হাত উচু এই রথের শীর্ষদেশ পদ্মফুল দ্বারা শোভিত।

সম্পর্কিত পোস্ট

‘ চৈতন্য সন্দেশ’ হল ইস্‌কন বাংলাদেশের প্রথম ও সর্বাধিক পঠিত সংবাদপত্র। csbtg.org ‘ মাসিক চৈতন্য সন্দেশ’ এর ওয়েবসাইট।
আমাদের উদ্দেশ্য
■ সকল মানুষকে মোহ থেকে বাস্তবতা, জড় থেকে চিন্ময়তা, অনিত্য থেকে নিত্যতার পার্থক্য নির্ণয়ে সহায়তা করা।
■ জড়বাদের দোষগুলি উন্মুক্ত করা।
■ বৈদিক পদ্ধতিতে পারমার্থিক পথ নির্দেশ করা
■ বৈদিক সংস্কৃতির সংরক্ষণ ও প্রচার। শ্রীচৈতন্য মহাপ্রভুর নির্দেশ অনুসারে ভগবানের পবিত্র নাম কীর্তন করা ।
■ সকল জীবকে পরমেশ্বর ভগবান শ্রীকৃষ্ণের কথা স্মরণ করানো ও তাঁর সেবা করতে সহায়তা করা।
■ শ্রীচৈতন্য মহাপ্রভুর নির্দেশ অনুসারে ভগবানের পবিত্র নাম কীর্তন করা ।
■ সকল জীবকে পরমেশ্বর ভগবান শ্রীকৃষ্ণের কথা স্মরণ করানো ও তাঁর সেবা করতে সহায়তা করা।