আমেরিকায় প্রতি পাঁচ জনে তিন জন ভগবানে বিশ্বাসী

0
95

সাম্প্রতিক Harris Pall এর অনলাইন জরিপে পাওয়া যায় ৮২% প্রাপ্তবয়স্ক আমেরিকান ঈশ্বরে বিশ্বাস করেন। কিন্তু তারা ঈশ্বরের অস্তিত্বে কতটুকু নিশ্চিত এই প্রশ্নের অনুসন্ধান মিলে যে তারা ৫৯% ঈশ্বরের অস্তিত্বে সম্পূর্ণ আস্থাবান এবং অপর ১৫% ঈশ্বরের অস্তিত্বে এতটা নিশ্চিত নয়।
Harris Interactive এর Harris Pall এর ২,৩০৩ প্রাপ্তবয়স্ক অংশগ্রহনকারীদের মধ্যে এই ফলাফল পাওয়া যায়। এই Harris Pall এর অনুসন্ধান মতে যারা ঈশ্বরের অস্তিত্বে সম্পূর্ণ আস্থাবান তাদের ৮৭% খ্রিস্টান, প্রস্টেট্যান্ট ৭৬%, রিপাবলিকান ৭২%, দক্ষিণের লোক ৬৯%, ব্ল্যাক ৬৭% এবং মহিলা ৬৬%। অপরপক্ষে যে সমস্ত লোক হয় ঈশ্বরে সম্পূর্ণ বিশ্বাসী নয় নড়বড়ে বিশ্বাস অথবা অনিশ্চিত তারা ৩৪% ইহুদী (২৫-২৯) বছর বয়সী লোক ৪৩% এবং (৩০-৩৯) ৩৫%, কলেজ স্নাতকধারী ৩৬%, স্নাতকোত্তরধারী ৩৪%, পুরুষ ৩৩% এবং সমুদ্র উপকূলবর্তী ৩৩% পূর্বের এবং ৩৪% পশ্চিমের। কিন্তু ঈশ্বর পুরুষ নাকি নারী তাদের কোন এক্যমত নাই। সকল প্রাপ্তবয়স্কদের এক তৃতীয়াংশ (৩৮%) মনে করেন যে, ঈশ্বর পুরুষ, পক্ষান্তরে ১% এর কম লোকে বিশ্বাস করেন তিনি নারী। কিন্তু যাই হোক, অধিকাংশ লোক বিশ্বাস করেন ঈশ্বর পুরুষ বা মহিলা কোনটা নয় (৩৪%) এবং তিনি পুরুষ ও নারী উভয়ই (১১%)। বিস্ময়করভাবে অধিকাংশ নারী (৪৪%) পুরুষের (৩২% ) চেয়ে ঈশ্বরকে পুরুষ বলে বিশ্বাস করেন। যদি ঈশ্বর থেকেই থাকে এবং থাকলে এই পৃথিবীতে যা ঘটে তাতে ঈশ্বরের কতটুকু নিয়ন্ত্রণ থাকে এই ব্যাপারে তাদের সর্বসম্মত কোন অভিমত নাই। ৪৩% লোক বিশ্বাস করে ঈশ্বর সবকিছু প্রত্যক্ষ করেন। কিন্তু তিনি তা নিয়ন্ত্রণ করেন না। ৩০% লোক বিশ্বাস করে যা ঘটে তা ঈশ্বর নিয়ন্ত্রণ করেন এবং এর ৫৯% খ্রিস্টান অন্যান্য গবেষনায় দেখা যায় যে কম্পিউটারের মাধ্যমে সরাসরি ব্যক্তিগত যোগাযোগহীনভাবে পরিচালিত জরিপের প্রশ্নের উত্তরে লোকরা ঈশ্বরে বিশ্বাস এবং চার্চে কার্যক্রমে যোগদান করার ব্যাপারে বলতে অনিচ্ছুক যা আসলে তারা করেন না। এটাই সাধারণত বিশ্বাস হয়ে থাকে যে প্রত্যক্ষ প্রশ্নের জরিপের ফলাফল অতিরঞ্জিত হওয়ার সম্ভাবনা থাকে। এক্ষেত্রে অধিকাংশ লোক সমাজ যা চাই, যা কম লজ্জাজনক এবং পক্ষান্তরে অনলাইনে দেওয়া এইরকম জরিপের উত্তর অনেক সত্য এবং তাই তা অধিক সত্যতা বহন করে।


 

চৈতন্য সন্দেশ মার্চ – ২০১০ প্রকাশিত

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here