আত্মার রথ

0
34
যদিও প্লেটো ও ফ্রেড এই উপমাটি তাদের রচনায় ব্যবহার করেছিলেন, তবে এ বিষয়ে শ্রীমদ্ভাগবতের তত্ত্বজ্ঞান সবচেয়ে পূর্ণ ও স্বচ্ছ। দেহ থেকে আত্মার স্বতন্ত্রতার একটি উপমা

সত্যরাজ দাস


প্লেটোর সংলাপগুলোর মধ্যে বিশেষত ফ্রেডস পুনরায় আমার মধ্যে কৌতুহল সৃষ্টি করেছে 246a-254e এর বিভাগগুলোতে বিখ্যাত এই গ্রীক দার্শনিক একটি রূপক রচনায় মানব আত্মার তিনটি প্রকৃতি সম্পর্কে বিশদ ব্যাখ্যা করেছেন। তিনি মানব শরীরকে একটি রথ ও সেই রথের সারথীর সঙ্গে তুলনা করেছেন। এভাবে রথ ও রথচালক, আত্মার বিভিন্ন অংশের প্রতিনিধিত্ব করছে। দুটি ঘোড়া এই রথের শক্তি যোগায়। ঘোড়া দুটির একটি হল সাদা ও মহান, যা নৈতিক প্রেরণার প্রতীক, অপরটি হল কালো ও নিকৃষ্ট, যা কাম থেকে উদ্ভূত বিভিন্ন অযৌক্তিক কার্যকলাপের প্রতীক । পরস্পর বিরুদ্ধ এই দুটি ঘোড়াগুলোকে স্বর্গের পথে পরিচালিত হতে হলে সারথীকে অবশ্য এদের নিয়ন্ত্রণ করতে হবে।
সিগমান্ত ফ্রেড, মনোবিজ্ঞানের প্রতিষ্ঠার জনক, উপরোক্ত একই রথের দৃষ্টান্তটি তুলে ধরেছিলেন তাঁর দ্য ইগো এন্ড দ্য ইড (১৯২৭) নামক গ্রন্থে। তিনি আমাদের সহজাত উপাদানকে মনোরথের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট ঘোড়ার সাথে তুলনা করেছেন। উল্লেখ্য, এই সহজাত উপাদান যৌন বাসনা ও আসক্তি সম্বন্ধীয়। অপরদিকে আত্মার অধিক গুরুত্বপূর্ণ অংশ অহংকারকে রথের সারথী বা চালকের সঙ্গে তুলনা করেছেন। এক্ষেত্রে পরম অহংকার (Super ego) সমস্ত প্রতিকূল ও নৈতিক চিন্তা-ভাবনার জন্য দায়ী এবং এটি রথের চালকের পিতার মত যিনি চালকের পেছনে উপবিষ্ট হয়ে চালককে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা প্রদান করছেন।
প্লেটো ও ফ্রেডের এই রুপকগুলো আমাকে শ্রীল প্রভুপাদের তাৎপর্যকৃত শ্রীমদ্ভগবদ্‌গীতা যথাযথ গ্রন্থের প্রদত্ত একটি অংকিত চিত্রকে স্মরণ করিয়ে দেয়। সেই চিত্রে প্রদর্শিত হয় যে, কিভাবে রথে উপবিষ্ট একজন ব্যক্তি অনিয়ন্ত্রিত ঘোড়াগুলোর শিকারে পতিত হচ্ছে। সেই উপমাসূচক চিত্রে আরো প্রদর্শিত হয়: শ্রীল প্রভুপাদ বলেছেন, আমাদের এই জড় দেহটি একটি রথের মত যেখানে ৫টি ঘোড়া (ইন্দ্রিয়সমূহ) রয়েছে যেগুলো আমাদেরকে প্রায়শই আমাদের ইচ্ছার বিরুদ্ধে বিভিন্ন দিকে পরিচালিত করে। সেই রথের ওপর উপবিষ্ট যাত্রীটি হল আমাদের প্রকৃত সত্তা, আত্মা, যিনি চালককে (বুদ্ধিকে) প্রয়োজনীয় দিক নির্দেশনা প্রদানের মাধ্যমে রথের বলগা (মন) নিয়ন্ত্রণের মধ্য দিয়ে যথাযথভাবে ঘোড়াগুলোকে নিয়ন্ত্রণ করতে পারেন।
সেই চিত্রকর্মটি শ্রীমদ্ভগবদ্‌গীতার ৬/৩৪নং শ্লোকে প্রদত্ত অর্জুনের শোক সম্পর্কে তুলে ধরে : “হে কৃষ্ণ! মন অত্যন্ত চঞ্চল, শরীর ও ইন্দ্রিয় আদির বিক্ষেপ উৎপাদক, দুর্দমনীয় এবং অত্যন্ত বলবান, তাই তাকে নিগ্রহ করা বায়ুকে বশীভূত করার থেকেও অধিকতর কঠিন বলে আমি মনে করি।”
শ্রীকৃষ্ণের অন্তরঙ্গ ভক্ত হিসেবে অর্জুন এখানে মন নিয়ন্ত্রণের গুরুত্বের ওপর কৃষ্ণের জোরারোপের বিষয়টি নিয়ে সাড়া দিচ্ছেন। প্রসঙ্গত এই মন নিয়ন্ত্রণের বিষয়টি শুধু যোগীদের যোগসিদ্ধি অর্জনের জন্যই গুরুত্বপূর্ণ নয় বরং যারা প্রাত্যহিক জীবনে সুখ ও শান্তি লাভ করতে চায় তাদের জন্যও গুরুত্বপূর্ণ। মনোবিদরা সুপারিশ করেন অনিয়ন্ত্রত মনকে নিয়ন্ত্রণের জন্য, কিন্তু এক্ষেত্রে কোন বদ্ধদশা (conditioning), আবেগ (passion) ও নিরাসক্তি (Distraction) বায়ুর পক্ষেও একে নিয়ন্ত্রণ করা অসম্ভব বলে মনে হয় রথের এই উপমাটি আমাদের জীবন সংগ্রামের পথে সাহায্য করতে পারে এই উপলব্ধির মাধ্যমে যে, আমাদের শরীর, মন ও ইন্দ্রিয়গুলির মাঝখানে আমরা প্রকৃতপক্ষে কে। এ সম্পর্কিত প্লেটো ও ফ্রেডের দর্শন অধ্যয়নের কোন প্রয়োজন নেই। তারও বহু পূর্বে সুপ্রাচীন বৈদিক শাস্ত্রে এই উপমাটি অত্যন্ত গভীর ও স্বচ্ছতা সহকারে আমাদের জন্য উপস্থাপিত হয়েছে। আমার মনে হয় প্লেটো ও ফ্রেড যেকোনভাবে এই উপমাটি প্রাপ্ত হয়েছেন। এমনকি তাদের নিজস্ব থিসিসে এই উপমাটি ব্যবহার করেছেন।
শাস্ত্রে প্রদত্ত এই মূল উপমাটির আলোকে শ্রীল প্রভুপাদ তাৎপর্য প্রদান করেছেন, যেরকম পূর্বতন আচার্য শ্রীল বিশ্বনাথ চক্রবর্তী ঠাকুর এ বিষয়ে ভাষ্য প্রদান করেছিলেন। শ্রীমদ্ভগবদ্‌গীতার ৬/৩৪ শ্লোকের তাৎপর্যে ব্যবহৃত এই রুপকটি বিশ্বের অন্যতম সম্মানিত গীতার প্রাতিষ্ঠানিক অনুবাদক আর. সি. জেনার (অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়, লন্ডন ১৯৬৯) তাঁর দ্যা ভগবদ্‌গীতা নামক গ্রন্থে ব্যবহারের মাধ্যমে মহান পণ্ডিতদের ভাষ্যের গুরুত্ব প্রতিফলিত হয়। শ্রীমদ্ভগবদ্‌গীতা যথাযথ গ্রন্থে শ্রীল প্রভুপাদ সেই শ্লোকের তাৎপর্যে লিখেছেন : “বৈদিক শাস্ত্রে (কঠ উপনিষদ ১/৩/৩-৪) বলা হয়েছে—

আত্মানং রথিনং বিদ্ধি শরীরং রথমেব তু
বুদ্ধিং তু সারথিং বিদ্ধি মনঃ প্রগ্রহমেব চ ॥

“…..বেগবতী বায়ুকে দমন করার ক্ষমতা কারও নেই এবং তার তুলনায় অস্থির মনকে বশ করা আরও কঠিন।”
উপনিষদ অনুসারে ‘রথ কল্পনা’ নামক এই বিষয়টি মৃত্যু দেবতা যমরাজ ও ঋষি ভাজস্রবাস এর পুত্র নচিকেতার মধ্যে সংঘটিত এক দার্শনিক সংলাপে উঠে আসে। নচিকেতা আত্মার গতি সম্পর্কে যমরাজকে জিজ্ঞেস করলে যমরাজ তখন দেহরথের উপমাটির মাধ্যমে বিষয়টি ব্যাখ্যা করেছিলেন।
যমরাজ পরিশেষে বলেন যে, প্রতিটি জীব হল স্বতন্ত্র আত্মা এবং এই আত্মা শরীর, মন ও ইন্দ্রিয়গুলোকে ব্যবহার করলেও তার দেহাত্মবুদ্ধিতে আচ্ছন্ন হওয়া অনুচিত। পর্যায়ক্রমিকভাবে, যমরাজ দেহ ও আত্মার স্বতন্ত্রতা বিষয়ে সমস্ত গুরুত্বপূর্ণ দিকগুলো তুলে ধরে এটিও সংযোজন করেন যে, কেউ যদি এ সত্য এমনকি সামান্যতমও উপলব্ধি করতে পারে তবুও সে ব্যক্তি পারমার্থিক পথের নিহিতার্থ সম্পর্কে দারুনভাবে উপলব্ধি করতে পারে ।
যমরাজ বলেন, “যিনি জ্ঞানী ব্যক্তি, তিনি সর্বদা তার মানসিক ক্ষমতা ব্যবহার করবেন এবং কোন দক্ষ সারথির তত্ত্বাবধানে ভালো ঘোড়ার ন্যায় ইন্দ্রিয়গুলোকে বশীভূত করবেন….যে ব্যক্তির সারথী যথাযথভাবে আচরণ করেন, রথের বলগাকে সুন্দরভাবে নিয়ন্ত্রণ করেন, তিনি অন্তিমে বিষ্ণুলোক প্রাপ্ত হন।” (কঠ উপনিষদ ১/৩/৯)

স্বয়ং শ্রীকৃষ্ণ কর্তৃক উক্ত উপমাটি

যদিও শ্রীমদ্ভগবদ্‌গীতায় প্রত্যক্ষভাবে এ উপমাটি উল্লেখ করা হয়নি, কিন্তু মহাভারতে ভগবান এ উপমাটি ব্যবহার করেছেন। উল্লেখ্য শ্রীমদ্ভগবদ্‌গীতা মহাভারতেরই একটি অংশ। মহাভারতের অনুগীতা (গ্রন্থ ১২, অশ্বমেধ পর্ব) হল শ্রীকৃষ্ণ ও অর্জুনের মধ্যকার দ্বিতীয় কথোপকথন, যেটি অনুষ্ঠিত হয়েছিল কুরুক্ষেত্র যুদ্ধের পর যখন কৃষ্ণ দ্বারকায় প্রত্যাবর্তন করেছিলেন এবং পাণ্ডবরাও তাদের রাজ্য ফিরে পান ঠিক সে সময়ে। সেখানে উল্লেখ করা হয় “বুদ্ধিসহ বিভিন্ন উপাদান দিয়ে তৈরি রথে আরোহনের মাধ্যমে জীবাত্মা (ভুতাত্মা) সর্বত্র বিচরণ করে। সারথিরূপ মন সহ বিভিন্ন ইন্দ্রিয়ের (ঘোড়াসমূহ) সম্মিলনে এই মহান রথটি ব্রহ্ম [মহান ব্রহ্ম-ময়ো রথ:] (১৪/৫০/৪-৬)। অনুগীতার পরিশেষে উল্লেখ করা হয়, “যে বিজ্ঞ ব্যক্তি অবিরতভাবে রথের মধ্যে ব্রহ্মের বা আত্মার অবস্থান সম্পর্কে পূর্ণরূপে অবগত তিনি হলেন সমস্ত জীবের মধ্যে সবচেয়ে বিজ্ঞ এবং তিনি কখনো কোন কিছুতেই বিচলিত হন না।”
অনুগীতা ও কঠউপনিষদের সাদৃশ্যপূর্ণ উক্তি বেশ সুস্পষ্ট, যদিও আমরা এর মধ্যেও কিছুটা পার্থক্য চিহ্নিত করতে পারি। এ সম্পর্কে সবচেয়ে স্বচ্ছ ও বিস্তৃত দৃষ্টান্তটি অবলোকন করা যায় শ্রীমদ্ভাগবত (৪/২৯/১৮-২০) থেকে “নারদ মুনি বললেন-যাকে আমি রথ বলে বর্ণনা করেছি, প্রকৃতপক্ষে তা হচ্ছে এই শরীর। ইন্দ্রিয়গুলি হচ্ছে সেই রথের ঘোড়া। সংবৎসরের মতো তাদের গতি অপ্রতিহত, কিন্তু বাস্তবে তাদের কোন গতি নেই। পাপ এবং পুণ্য হচ্ছে সেই রথের দুটি চাকা। জড়া প্রকৃতির তিনটি গুণ সেই রথের পতাকা। পঞ্চ প্রাণেন্দ্রিয় জীবন বন্ধন, এবং মন হচ্ছে তার রশি। বুদ্ধি সেই রথের সারথি হৃদয় রথের উপবেশন স্থান এবং সুখ-দুঃখরূপ দ্বন্দ্বভাব যূপবন্ধনের স্থান। সপ্তধাতু সেই রথের আবরণ এবং পঞ্চ কর্মেন্দ্রিয় তার বাহ্য বিক্রম। একাদশ ইন্দ্রিয় সেই পুরুষের সৈনিক। ইন্দ্রিয়সুখে মগ্ন হয়ে জীব সেই রথে আরূঢ় হয়ে তার ভ্রান্ত বাসনা চরিতার্থ করার আকাঙ্ক্ষা করে এবং জন্ম-জন্মান্তর ধরে ইন্দ্রিয় সুখভোগের প্রতি ধাবিত হয়।”
এক্ষেত্রে রথের উপমাটি কেন্দ্র করে একটি প্রশ্ন উত্থাপন হতে পারে, “তবে কে আমার রথটি চালাচ্ছেন?” আমাদের বুদ্ধি সাধারণত জীবন যাপন, পরিবার প্রতিপালন ও বিভিন্ন ইন্দ্রিয় তৃপ্তিমূলক কাজের প্রতিই বেশি মনযোগী হয়, পক্ষান্তরে আত্মার পরিপুষ্টতার জন্য খুব কম সময়ই দেয়। যেহেতু এজন্য রথের সারথীকে (বুদ্ধিকে) বরখাস্ত করে অন্য একজন সারথী বা বুদ্ধি নিতে পারি না, তাই আমাদের উচিত তার মনোযোগ আকর্ষণ করে সঠিক কার্যটি করার জন্য নিশ্চিত করা।
বুদ্ধি ছাড়া কার্যত আমাদের মন ত্রুটিপূর্ণ হয়ে উঠে এবং আমাদেরকে ইন্দ্রিয় তৃপ্তিমূলক, মোহময় অপরিসীম বাসনা পূরনের অস্থায়ী এই জগতের দিকে ধাবিত করে। পরিশেষে, তখন সারথী বা বুদ্ধি, ঘোড়া বা ইন্দ্রিয়গুলোর মধ্যে যে যত বেশি শক্তিশালী শাসনাধীন হয়ে পড়ে।

নিয়ন্ত্রণ গ্রহণ

স্বাধীনতার জন্য প্রচেষ্টা করার ব্যাপারটি সহজ ও স্বাভাবিক। অর্থাৎ কেউ চাইলে খেয়ালখুশিমত অনিয়ন্ত্রিত জীবন যাপন করতে পারে, কিন্তু এখানে একটি বিষয় হল যখন রথের ঘোড়াগুলো অবাধে চলতে থাকে আর বলগাও তেমন ক্রিয়াশীল নয়, তখন তা আত্মাসহ রথের অন্যান্য অংশের জন্যও অশান্তি বা দুর্দশার উদ্রেক করে।
শ্রীমদ্ভগবদ্‌গীতা আমাদের শিক্ষা দেয়, কিভাবে সারথি বা বুদ্ধিকে পুনরুজ্জীবিত করতে হয়, যার মাধ্যমে সর্বোত্তমভাবে আমরা রথের বল্গাকে নিয়ন্ত্রণ করতে পারি এবং এভাবে তখন ঘোড়াগুলো সুস্থির বা নিয়ন্ত্রিত হয়। পারমার্থিক অনুশীলনের মাধ্যমে আমরা তখন সেই ঘোড়াগুলোকে তাদের অভিষ্ট উদ্দেশ্য অর্থাৎ ভক্তিমূলক সেবার মাধ্যমে ভগবান শ্রীকৃষ্ণের মহিমা কীর্তনের পথে পরিচালিত করতে পারি। বৈষ্ণব শিক্ষা অনুসারে এই ঘোড়াগুলোকে যথাযথভাবে প্রশিক্ষণ প্রদানের মাধ্যমে ভগবান শ্রীকৃষ্ণের মহিমা কীর্তনের পথে পরিচালিত করতে পারি। বৈষ্ণব শিক্ষা অনুসারে এই ঘোড়াগুলোকে যথাযথভাবে প্রশিক্ষণ প্রদানের মাধ্যমে ভগবান শ্রীকৃষ্ণের প্রতি উৎসাহের সহিত অগ্রসর হয়ে তাঁর শরণাগত হওয়া উচিত।
আমাদের সারথি অনেক অনেক কাল ধরে অবহেলায় ও ভুল পথে পরিচালিত হয়েছে, তাই তাকে পুণরায় সঠিক পথে ফিরিয়ে আনার ব্যাপারটি একটি সময়সাপেক্ষ ও কঠিন বিষয়। কিন্তু শ্রীমদ্ভগবদ্‌গীতার মত শাস্ত্র, একজন গুরুদেব ও একনিষ্ঠ পারমার্থিক অনুশীলনের সহায়তায় সারথি তার সঠিক লক্ষ্যে ফিরে আসতে সক্ষম হবে। এভাবে তখন আমরা সুখ-শান্তির পথে নিরাপদে বিচরণ করতে পারব এবং চরমে পরম লক্ষ্য ভগবদ্ধামে প্রত্যাগমন করতে সমর্থ হব।
লেখক পরিচিতি : সত্যরাজ দাস (স্টিভেন জে. রোজেন) একজন আমেরিকান লেখক। শ্রীল প্রভুপাদের অন্যতম একজন শিষ্য এবং শ্রীমৎ ভক্তিতীর্থ স্বামী মহারাজের অন্তরঙ্গ জন। বৈদিক শাস্ত্রের বিবিধ বিষয়ের ওপর ২০টিরও বেশী গ্রন্থ রচনা করেছেন। তিনি জার্নাল অব বৈষ্ণব স্টাডিজ এর প্রধান সম্পাদক ও আন্তর্জাতিক ব্যাক টু গডহেড এর সহ সম্পাদক। তাঁর অন্যতম বিখ্যাত একটি গ্রন্থ হলো, শ্রীমৎ ভক্তিতীর্থ স্বামী মহারাজের জীবনী সম্বলিত ব্ল্যাক লোটাস: দ্যা স্পিরিচুয়াল জার্নি অব এন আর্বান মিস্টিক


 

অক্টোবর-ডিসেম্বর ২০১৭ ব্যাক টু গডহেড

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here